জানাযার নামাজ শেষে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বরেণ্য মরমী কবি বাউল খোয়াজ মিয়া

Ayas-ali-Advertise
জানাযার নামাজ শেষে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বরেণ্য মরমী কবি বাউল খোয়াজ মিয়া
মরমী কবি বাউল খোয়াজ মিয়ার জানাযার একাংশ।
জানাযার নামাজ শেষে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বরেণ্য মরমী কবি বাউল খোয়াজ মিয়া
মরমী কবি বাউল খোয়াজ মিয়ার জানাযার একাংশ।
Facebook
Twitter
WhatsApp

অসংখ্য অমর গানের বিখ্যাত গীতিকার, সুরকার ও মরমী কবি বাউল খোয়াজ মিয়ার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (২৭ জুন) সকাল ১০টায় উপজেলার দৌলতপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত জানাযার নামাজ শেষে তাকে পারিপারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। ৫ পুত্র ও ৫ কন্যা সন্তানের জনক বাউল খোয়াজ মিয়াকে শেষ বিদায় জানাতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মরহুমের শিষ্য, ভক্তসহ অসংখ্য মানুষ অংশ নেন জানাযার নামাজে।

মরহুমের জানাযার নামাজে ইমামতি করেন বিশ্বনাথ উপজেলার মিয়ারবাজার মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল মুক্তাধির খান। জানাযার নামাজে অংশ নেন উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান, মেম্বার শফিক আহমদ পিয়ার, লুৎফুর রহমান, নজরুল ইসলাম আজাদ, জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আশিক, উপজেলা বিএনপির ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মোমিন কালু, বাউল খোয়াজ মিয়ার শিষ্য এম এস রহমান, হুসিয়ার ভান্ডারী, সৌরভ সুহেল, ফুটবলের রেফারী জাকির ডনসহ শত শত মানুষ।

মরহুম বাউল খোয়াজ মিয়া (৮৩) ছিলেন ‘আমার ভয় লাগিলো মনেরে’, ‘যাইও না যাইও না কন্যাগো’, ‘ভূবন-মোহন রূপ তোমারী’, ‘লাগাইয়া পিরিতের ডুরি’ সহ অসংখ্য মরমী গানের অমর রচয়িতা।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) বিকেল ৩.২০টার দিকে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামস্থ নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন বিখ্যাত গীতিকার ও সুরকার বাউল খোয়াজ মিয়া। তিনি ১৯৪২ সালের ১২ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম মাওলানা আজিজুর রহমান ও মাতা মরহুমা মোছাৎম্মদ আছতুরা বিবি। বাউল খোয়াজ মিয়া ছিলেন ‘জ্ঞানের সাগর’খ্যাত মরমী সাধক দুর্বিন শাহের শিষ্য। তিনি নিজের রচিত ও সুর সংযোজিত বেশিরভাগ গানে নিজেই কণ্ঠ দিয়েছেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে।

বিশ্বনাথনিউজ২৪ডটকম / বিএন২৪