সমন্বয়ক পরিচয়ে চাঁদাবাজি, আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন রিয়াদ

Ayas-ali-Advertise
সমন্বয়ক পরিচয়ে চাঁদাবাজি, আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন রিয়াদ
সমন্বয়ক পরিচয়ে চাঁদাবাজি, আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন রিয়াদ
সমন্বয়ক পরিচয়ে চাঁদাবাজি, আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন রিয়াদ
সমন্বয়ক পরিচয়ে চাঁদাবাজি, আদালতে স্বীকারোক্তি দিলেন রিয়াদ
Facebook
Twitter
WhatsApp

রোববার (৩ আগস্ট) ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন তিনি। একই মামলায় গ্রেপ্তার অপর তিন আসামি—ইব্রাহিম হোসেন, মো. সাকাদাউন সিয়াম ও সাদমান সাদাবকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মাঈন উদ্দিন চৌধুরী।

আদালত–সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাত দিন রিমান্ড শেষে গুলশান থানার পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান আবদুর রাজ্জাককে আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন।

পুলিশ জানায়, আবদুর রাজ্জাকসহ অভিযুক্তরা একটি সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্রের সদস্য। তারা ছাত্র সমন্বয়ক পরিচয়ে গুলশান, বারিধারা ও আশপাশের অভিজাত এলাকায় ধনাঢ্য ব্যক্তিদের টার্গেট করে চাঁদাবাজি করতেন। এর ধারাবাহিকতায় গত ১৭ জুলাই সকাল ১০টায় সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের গুলশানের বাসায় যান রাজ্জাক ও কাজী গৌরব অপু। সে সময় শাম্মী আহমেদ বাসায় না থাকলেও তার স্বামী সিদ্দিক আবু জাফর উপস্থিত ছিলেন।

সেখানেই আওয়ামী লীগের দোসর বলে আখ্যা দিয়ে আবু জাফরের কাছে ৫০ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার দাবি করেন রাজ্জাক ও গৌরব। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁরা গ্রেপ্তারের হুমকি দেন। একপর্যায়ে মামলার বাদী তাঁর নিজের কাছে থাকা পাঁচ লাখ টাকা ও ভাইয়ের কাছ থেকে আরও পাঁচ লাখ টাকা সংগ্রহ করে তাঁদের হাতে দেন। পরে পুলিশের অভিযানে রাজ্জাকের বাসা থেকে চাঁদার ২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

বিশ্বনাথনিউজ২৪ডটকম / বিএন২৪