দীর্ঘ প্রায় বিশ বছর পর সিলেটের দক্ষিণ সুরমার সিলাম ইউনিয়নের বিরাইমপুর গ্রামে পা রাখতে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিবাহসূত্রে সিলেটের জামাই হওয়ায় এই সফরকে ঘিরে শ্বশুরবাড়ি ও আশপাশের এলাকায় তৈরি হয়েছে আনন্দঘন পরিবেশ।
তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের পৈতৃক বাড়িটি ইতোমধ্যে সাজিয়ে তোলা হয়েছে বিশেষ আয়োজনের মধ্য দিয়ে। কয়েকদিনের প্রস্তুতির পর বাড়িটি এখন অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীদের অপেক্ষায়। বুধবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে দেখা যায়, পুরো বাড়ি ও আশপাশে উৎসবমুখর ব্যস্ততা।
এবারের সফরে তারেক রহমানের সঙ্গে সিলেটে আসতে পারেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও তাদের কন্যা জাইমা রহমান। তাদের এক ঝলক দেখার আশায় আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের আগমন শুরু হয়েছে শ্বশুরবাড়িতে। একই সঙ্গে সিলাম এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, দীর্ঘ ২১ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো তারেক রহমান শ্বশুরবাড়িতে যাচ্ছেন, যা দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি করেছে।
উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল ইবেন রাজা বলেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও তারেক রহমান সিলেটের একজন জামাই। তার আগমনকে কেন্দ্র করে সিলাম এলাকায় আলাদা এক আবহ তৈরি হয়েছে।
বিরাইমপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির সামনে তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। প্রবেশপথ ও আশপাশের গাছগুলো রঙে রঙে সাজানো হয়েছে। মূল ফটকসহ পুরো বাড়িতেই নানান রঙের ব্যবহার চোখে পড়েছে। সব আয়োজনই করা হয়েছে প্রিয় জামাইকে স্বাগত জানাতে।
উল্লেখ্য, ডা. জুবাইদা রহমান প্রয়াত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলীর কন্যা। তিনি নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান এবং পরবর্তীতে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ডা. জুবাইদা রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানীর ভাতিজি। ১৯৯৪ সালে তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের বিবাহ সম্পন্ন হয়।








