হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা শেষে দলটির নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এনসিপির দাবি, স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালিয়েছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে যুবদল। হামলায় এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ সময় সাংবাদিকদের ব্যবহৃত কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত বলেন, হবিগঞ্জে ‘জুলাই পদযাত্রা’ শেষে ফেরার পথে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরে অতর্কিত হামলা চালান। এতে সারজিস আলম, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলটির কয়েকজন নেতা-কর্মী এবং কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এনসিপির মিডিয়া টিমের একটি মাইক্রোবাস জেলা সার্কিট হাউসের ভেতরে নিয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে। হামলাকারীরা শুধু গাড়ি ভাঙচুরই করেননি, মোবাইল ফোন ও ক্যামেরাও নিয়ে গেছেন। এ ঘটনার ভিডিও তাঁদের কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এর আগে মঙ্গলবার হবিগঞ্জ শহরের প্রধান সড়কে পদযাত্রা করেন এনসিপির নেতারা। পরে আজমিরীগঞ্জ উপজেলাতেও দলটির সমাবেশ ও পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এনসিপির দাবি, সমাবেশে বিএনপি সরকারের সমালোচনামূলক বক্তব্য দেওয়ার জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শহরের কোর্ট মসজিদের সামনের সড়ক, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স এলাকা এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনের সড়কে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ডিউটি অফিসার বলেন, ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা খুবই ব্যস্ত। থানার সব ফোর্স ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি পরে জানানো হবে।’
অন্যদিকে, হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হবিগঞ্জ জেলা যুবদলের আহ্বায়ক জালাল আহমেদ। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটি দেখেছেন ও শুনেছেন। তবে এ ঘটনার সঙ্গে ছাত্রদল বা যুবদলের কোনো নেতা-কর্মী জড়িত নন।









