সিলেটে তুচ্ছ কথা-কাটাকাটিতে হাতাহাতি, স্ক্রু ড্রাইভারের আঘাতে প্রাণ গেল কিশোরের

Ayas-ali-Advertise
Facebook
Twitter
WhatsApp

সিলেটের কানাইঘাটে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই বন্ধুর মধ্যে সৃষ্টি হওয়া বিরোধের জেরে স্ক্রু ড্রাইভারের আঘাতে আহত এক কিশোর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। নিহত আহাদ আহমদ (১৫) উপজেলার একটি ওয়ার্কশপে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, তিনি কানাইঘাট ইউএনও অফিসসংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় নানার সঙ্গে বসবাস করতেন।

সোমবার (২৯ জুন) সকালে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে রোববার (২৮ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে কানাইঘাট উপজেলা রোডের একটি ওয়ার্কশপে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা রোডে তাজুল ইসলামের মালিকানাধীন একটি ওয়ার্কশপে কাজ করতেন আহাদ। ঘটনার সময় তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু, পৌরসভার রায়গড় গ্রামের এনাম ভান্ডারীর ছেলে সায়েম আহমদ (১৫) সেখানে আসে। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হলে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।

অভিযোগ রয়েছে, এক পর্যায়ে সায়েম ওয়ার্কশপে থাকা একটি স্ক্রু ড্রাইভার দিয়ে আহাদকে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

পরে উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সোমবার বিকেল পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি। তবে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

এদিকে, ঘটনার আগে দুই বন্ধুর মধ্যে কথা-কাটাকাটির একটি সিসিটিভি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

সিলেটে তুচ্ছ কথা-কাটাকাটিতে হাতাহাতি, স্ক্রু ড্রাইভারের আঘাতে প্রাণ গেল কিশোরের

সিলেটের কানাইঘাটে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই বন্ধুর মধ্যে সৃষ্টি হওয়া বিরোধের জেরে স্ক্রু ড্রাইভারের আঘাতে আহত এক কিশোর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। নিহত আহাদ আহমদ (১৫) উপজেলার একটি ওয়ার্কশপে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, তিনি কানাইঘাট ইউএনও অফিসসংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় নানার সঙ্গে বসবাস করতেন।

সোমবার (২৯ জুন) সকালে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে রোববার (২৮ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে কানাইঘাট উপজেলা রোডের একটি ওয়ার্কশপে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা রোডে তাজুল ইসলামের মালিকানাধীন একটি ওয়ার্কশপে কাজ করতেন আহাদ। ঘটনার সময় তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু, পৌরসভার রায়গড় গ্রামের এনাম ভান্ডারীর ছেলে সায়েম আহমদ (১৫) সেখানে আসে। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হলে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।

অভিযোগ রয়েছে, এক পর্যায়ে সায়েম ওয়ার্কশপে থাকা একটি স্ক্রু ড্রাইভার দিয়ে আহাদকে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

পরে উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সোমবার বিকেল পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি। তবে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

এদিকে, ঘটনার আগে দুই বন্ধুর মধ্যে কথা-কাটাকাটির একটি সিসিটিভি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

বিশ্বনাথনিউজ২৪ডটকম / বিএন২৪