গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ১২ জন।
বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে জেলা শহরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে বুধবার রাত আটটা থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত কারফিউ বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জীবিতেশ বিশ্বাস বলেন, “গুলিবিদ্ধ অবস্থায় চারজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে তিনজন মারা গেছেন। একজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।”
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, এনসিপির সমাবেশ শেষে কেন্দ্রীয় নেতারা গাড়িবহর নিয়ে ফিরে যাচ্ছিলেন। পথে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা সড়ক অবরোধ করে বহরে হামলা চালান। পুলিশের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
ঘটনাস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ও সেনাবাহিনী রাবার বুলেট ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ সময় এনসিপি নেতাদের বহরে ইট-পাটকেল ছোড়া হয়। ভাঙচুর করা হয় কয়েকটি গাড়ি। সংঘর্ষের একপর্যায়ে এনসিপি নেতাদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে দেখা যায় পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে।
উল্লেখ্য জাতীয় নাগরিক পার্টি গত ১ জুলাই থেকে ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ নামে মাসব্যাপী কর্মসূচি শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবেই বুধবার গোপালগঞ্জে পদযাত্রা করে দলটি। এর আগে দেশের বিভিন্ন জেলায় এ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
আরও পড়ুন:: ২২ ক্যারেট সোনার দাম বাংলাদেশে।









