নানান অনিয়মের অভিযোগে বিশ্বনাথের সেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

Ayas-ali-Advertise
Facebook
Twitter
WhatsApp

চলমান এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে নানা অনিয়মের অভিযোগে সিলেটের বিশ্বনাথ পৌর শহরের হাজী মফিজ আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খায়রুল আলম ফকিরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এলাকাবাসী।

সম্প্রতি সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের বরাবর এই অভিযোগপত্রটি দাখিল করেন সচেতন এলাকাবাসী।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, বিশ্বনাথের স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে আমরা এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আমাদের গর্বের বিদ্যাপীঠ হিসেবে দেখি। কিন্তু চলতি বছরের ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খায়রুল আলম ফকির নিয়ম লঙ্ঘন করে কেন্দ্রের ভেতর প্রভাব বিস্তার করে যাচ্ছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, তার ছেলে মাহাতির মোহাম্মদ (রেজিস্ট্রেশন নং ২২১৬১২৯১৯৭, রোল নং ৩১২১৯০) সৎপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হলেও, পরীক্ষা দিচ্ছেন হাজী মফিজ আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ কেন্দ্রে । যেখানে তার বাবা খায়রুল আলম ফকিরই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। পরীক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্তদের তালিকায় তার নাম না থাকা সত্ত্বেও তিনি অবাধে কেন্দ্রের ভেতরে বিচরণ করছেন।

এছাড়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, খায়রুল আলম ফকির প্রশ্ন শটিংয়ের সময় উপস্থিত ছিলেন এবং প্রশ্নপত্র গণনাতেও অংশ নে। যা সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত। একইসঙ্গে তিনি ভেন্যু কেন্দ্রে একই কক্ষে তার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বসিয়ে দেন এবং সেখানেই বাংলা ১ম পত্র পরীক্ষায় (১০.০৪.২৫ ইং) শিক্ষক সুমা রাণী সাহা ও ইংরেজি ১ম পত্র পরীক্ষায় (১৫.০৪.২৫ ইং) রবিউল ইসলামকে দায়িত্ব দিয়ে পরীক্ষা আইনের ব্যত্যয় ঘটান।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ইতোমধ্যে বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় তার অনিয়ম নিয়ে ছবি-সহ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। যা প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে এবং এলাকাবাসী হিসেবে আমরা অপমানিত বোধ করছি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুনাম রক্ষায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান অভিযোগকারীরা।

অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খায়রুল আলম ফকির বলেন, “সব অভিযোগ মিথ্যা। আমার ছেলে পরীক্ষার্থী হওয়ায় বিধি অনুযায়ী আমি পরীক্ষার সময় কোনো দায়িত্ব পাইনি। আর আমার প্রতিষ্ঠানের যেসব শিক্ষক পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বে ছিলেন, তা নির্ধারণ করেছেন কেন্দ্র সচিব। এখানে আমার কোনো ভূমিকা নেই। কিছু মানুষ আমাকে অপদস্থ করার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে। প্রভাব খাটানোর কোনো প্রশ্নই আসে না।”

বিশ্বনাথনিউজ২৪ডটকম / বিএন২৪