যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার যুক্তরাজ্যও অবৈধভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের দেশে ফেরত পাঠানোর পদক্ষেপ নিয়েছে। সম্প্রতি দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষ কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে এ উদ্যোগ শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে শুক্রবার বিশেষ একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে ১৫ জন বাংলাদেশিকে দেশে পাঠানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।
ফ্লাইট HFM851 বৃহস্পতিবার (স্থানীয় সময়) রাত ৯টায় লন্ডনের স্ট্যানস্টেড বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে আসে। ইসলামাবাদ হয়ে শুক্রবার দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ফ্লাইটটি ঢাকায় অবতরণ করে। ফেরত পাঠানো এসব যাত্রীর মধ্যে নারীও রয়েছেন।
বাংলাদেশ হাইকমিশনের কনসুলার শাখা জানিয়েছে, দেশে ফেরত আসা যাত্রীদের জন্য ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে কেউ বৈধ পাসপোর্টধারী ছিলেন, আবার কারো পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল। সব ক্ষেত্রেই হাইকমিশনের সহযোগিতায় দেশে ফেরার ব্যবস্থা করা হয়।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের তালিকা অনুযায়ী তারা মূলত সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী ও ঢাকার বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা। ট্রাভেল পারমিটে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাদের মধ্যে অন্তত ছয়জনের কোনো পেশা উল্লেখ করা হয়নি। বাকিদের মধ্যে কেউ যুক্তরাজ্যে ওয়েটার হিসেবে কাজ করতেন, আবার কেউ পড়াশোনা করছিলেন।
যুক্তরাজ্যের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে অবস্থানকারী বিদেশিদের শনাক্ত করে দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম জোরদার করেছে। বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, অনেক বাংলাদেশি ভিসার মেয়াদ ফুরিয়ে গেলেও সেখানেই থেকে যান। যুক্তরাজ্য তাদের নিজস্ব আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং ফেরত পাঠানো সেই ব্যবস্থারই অংশ।
আরোও পড়ুন:: ওসমানীনগরে অটোরিকশা চুরির চেষ্টাকালে তিন যুবক আটক।






