সিলেটের নগরীর কাজির বাজার এলাকায় চা দেওয়ার সময় বিলম্বের কারণে হোটেল কর্মচারী খুনের ঘটনায় প্রধান আসামী আব্বাস মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় জড়িত তার ছেলেরা পলাতক রয়েছে।
রবিবার (১৩ জুলাই) বিকেলে সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার পুলিশ নগরীর কাজিরবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আব্বাস মিয়াকে গ্রেফতার করে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক জানান, এই ঘটনায় পাঁচজনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামী করা হয়েছে। পুলিশ প্রধান আসামী আব্বাসকে গ্রেফতার করেছে এবং অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, রবিবার সকালে সিলেটের নগরীর কাজির বাজার এলাকায় চা দেওয়ার সময় বিলম্ব হওয়া নিয়ে দন্দের জেরে হোটেল কর্মচারী মো. দিনার আহমদ রুমন খুন হন। নিহত রুমন দক্ষিণ সুরমা উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড সব্দলপুর গ্রামের মৃত তখলিছ মিয়ার ছেলে এবং তার বয়স আনুমানিক ২২ বছর ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্বাস মিয়া সকালে কাজিরবাজারে নাস্তা করতে আসেন। তিনি প্রায়ই সেখানে নাস্তা করতে আসতেন। রবিবার সকালে তিনি জব্বার মিয়ার হোটেলে এসে প্রথমে পরটা-ভাজি খান, তারপর রুমনকে চায়ের অর্ডার দেন। চা দিতে দেরি হলে রুমনের সাথে আব্বাস মিয়ার বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। দোকান মালিক ও অন্যান্যরা আব্বাস মিয়াকে শান্ত করার চেষ্টা করলেও, আব্বাস মিয়া তার ছেলেদের ফোন করে ঘটনাস্থলে ডেকে আনেন। ছেলেরা এসে রুমনকে তর্কাতর্কি করার পর মারধর শুরু করে এবং আব্বাস মিয়ার ছোট ছেলে রোহান রুমনকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা রুমনকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন:: সিলেটে চা দেওয়ার বিরোধে হোটেল কর্মচারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা







