২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় চমক দেখিয়েছে জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয় এবং নতুন হাবড়া বাজার দাখলি মাদ্রাসা। পাশের হার ও গুণগত মানের বিচারে এ দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই উপজেলা পর্যায় শীর্ষে অবস্থান করছে।
জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর ৭৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করে ৭৫ জন, পাশের হার ৯৫ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ (এ+) পেয়েছে।
অন্যদিকে নতুন হাবড়া বাজার দাখিল মাদ্রাসা দাখিল পর্যায়ে ৩২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ২৭ জন পাস করে, পাশের হার ৮৪.৩৮ শতাংশ অর্জন করেছে।
এছাড়াও উপজেলার অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফল নিম্নরূপ:
দশঘর নিজামুল উলূম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯৮ জন পাস করেছে, এ+ পেয়েছে ৪ জন। পাশের হার ৮৬.৭৩%। সিংগেরকাছ পাবলিক বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ১০৫ জনের মধ্যে পাস করেছে ৯১ জন, পাশের হার ৮৬.৬৭%। হাজী ইয়াছিন উল্লাহ বেতসান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট ১০৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়, যার মধ্যে ৯২ জন পাস করেছে এবং একজন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
আলহাজ্ব লজ্জতুননেছা দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৬৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫৩ জন পাস করেছে, এ+ পেয়েছে ২ জন, পাশের হার ৯২%। জমির আহমদ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ১১৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১০৮ জন পাস করেছে এবং ৪ জন এ+ পেয়েছে; পাশের হার ৯২%।
সৎপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৮ জন পাস করেছে, পাশের হার ৯৪%। দক্ষিণ বিশ্বনাথ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৪২ জনের মধ্যে ৩৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, এ+ পেয়েছে ২ জন, পাশের হার ৮৮.১০%। আলহাজ্ব তাহির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৪১ জনের মধ্যে ১১৯ জন পাস করেছে এবং ৫ জন এ+ পেয়েছে, পাশের হার ৮৫%।
খাজাঞ্চী একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৯ জন পাস করেছে, পাশের হার ৮৩%। ইলামের গাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৮ জনের মধ্যে ৩৭ জন পাস করেছে, পাশের হার ৭৭%। জাগরণ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৩ জনের মধ্যে ৬৮ জন পাস করেছে, পাশের হার ৭৩.১২%। পল্লী মঙ্গল কন্ট্রিবিউটেড একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১২৮ জনের মধ্যে ৯২ জন পাস করেছে, পাশের হার ৭১.৮৮%। রামসুন্দর সরকারি অগ্রগামী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০৯ জনের মধ্যে ৭৮ জন পাস করেছে এবং ২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, পাশের হার ৭১.৫৬%। বাউসী কাশিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬৩ জনের মধ্যে ৪৫ জন পাস করেছে, পাশের হার ৭১.৪৩%। আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ১৩৭ জনের মধ্যে ৯৭ জন পাস করেছে, পাশের হার ৭০.৮০%। একলিমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ২১৫ জনের মধ্যে ১৫২ জন পাস করেছে, পাশের হার ৭০.৭০%।
সফাত উল্ল্যাহ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৯ জনের মধ্যে ২৭ জন পাস করেছে, পাশের হার ৬৯%। হযরত ওমর ফারুক (রাঃ) উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৯ জনের মধ্যে ২৭ জন পাস করেছে, পাশের হার ৬৯.২৩%। প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮৩ জনের মধ্যে ৫৮ জন পাস করেছে, পাশের হার ৬৯.৮৮%। আশুগঞ্জ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ১১২ জনের মধ্যে ৭৬ জন পাস করেছে, পাশের হার ৬৭.৮৬%। উত্তর বিশ্বনাথ দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮৬ জনের মধ্যে ৫৬ জন পাস করেছে, পাশের হার ৬৬%। চারিগ্রাম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৯ জনের মধ্যে ৩২ জন পাস করেছে, পাশের হার ৬৫.৩১%। দেমাসাধ উচ্চ বিদ্যালয়েও ৪৯ জনের মধ্যে ৩২ জন পাস করেছে এবং ২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, পাশের হার ৬৫.৩১%।
হযরত শাহজালাল (র.) উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৪ জনের মধ্যে ৩০ জন পাস করেছে, পাশের হার ৬৪.১৮%। কোনারাই আনোয়ার হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৪ জনের মধ্যে ২২ জন পাস করেছে এবং ১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, পাশের হার ৬৪.৭১%। আল আজম উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮১ জনের মধ্যে ৫১ জন পাস করেছে, পাশের হার ৬৩.৭৫%। চান্দভরাং উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬৯ জনের মধ্যে ৪৪ জন পাস করেছে এবং ১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, পাশের হার ৬৩.৭৭%। হাজী মফিজ আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ১১০ জনের মধ্যে ৬৮ জন পাস করেছে, পাশের হার ৬২%। রাগীব রাবেয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৪৯ জনের মধ্যে ৮৮ জন পাস করেছে, পাশের হার ৫৯.৪৬%।
সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে শাহপিন উচ্চ বিদ্যালয়, যেখানে ৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৬ জন পাস করেছে, পাশের হার ৪১.০২%। আর সর্বনিম্ন ফলাফল দিয়েছে দেওলস দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, যেখানে ৬৬ জনের মধ্যে ২৬ জন পাস করেছে, পাশের হার ৩৯.৪০%।
আরও পড়ুন:: বিশ্বনাথে এসএসসিও দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৭০দশমিক ৪৮শতাংশ, ৩৩ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ লাভ





