বিশ্বনাথে বাসিয়া নদী পরিষ্কারে পৌরসভার উদ্যোগ ও পরিকল্পনা নিয়ে যা বললেন প্রশাসক

Ayas-ali-Advertise
বিশ্বনাথে বাসিয়া নদী পরিষ্কারে পৌরসভার উদ্যোগ ও পরিকল্পনা নিয়ে যা বললেন প্রশাসক
বিশ্বনাথে বাসিয়া নদী পরিষ্কারে পৌরসভার উদ্যোগ ও পরিকল্পনা নিয়ে যা বললেন প্রশাসক।
বিশ্বনাথে বাসিয়া নদী পরিষ্কারে পৌরসভার উদ্যোগ ও পরিকল্পনা নিয়ে যা বললেন প্রশাসক
বিশ্বনাথে বাসিয়া নদী পরিষ্কারে পৌরসভার উদ্যোগ ও পরিকল্পনা নিয়ে যা বললেন প্রশাসক।
Facebook
Twitter
WhatsApp

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার কেন্দ্র দিয়ে প্রবাহিত এক সময়ের খরস্রোতা বাসিয়া নদী দখল, দূষণ ও অবহেলার কারণে আজ প্রায় মৃতপ্রায়। সম্প্রতি নদীটিকে পুনরুজ্জীবিত করতে বর্জ্য অপসারণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে বিশ্বনাথ পৌরসভা।

এ কার্যক্রম সম্পর্কে গণমাধ্যমকে অবহিত করতে পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আলাউদ্দিন কাদের স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাসিয়া নদীতে দীর্ঘদিন ধরে আশপাশের স্থাপনা, বাজার ও বাসাবাড়ি থেকে প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন ধরনের পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। এ অবস্থায়, বিশ্বনাথ পৌরসভার উদ্যোগে প্রাথমিকভাবে উপজেলা কোর্ট পয়েন্ট থেকে টিএন্ডটি মোড় পর্যন্ত নদীর দুই তীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়।

সিলেট সিটি করপোরেশনের কারিগরি সহায়তা চাওয়া হলে তাদের একটি টিম দু’দফা সরেজমিনে পরিদর্শন করে। তারা এক্সকাভেটর ও লেবার ব্যবহার করে পরিষ্কারের জন্য দুইটি আলাদা বাজেট প্রস্তাব দেয়। তবে পৌরসভার সীমিত আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় নিয়ে সংশোধিত পরিকল্পনায় প্রায় ৬ লাখ ৪০ হাজার টাকায় টিএন্ডটি রোড থেকে বাসিয়া ব্রিজ পর্যন্ত পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এই প্রকল্পের আওতায় ২২ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন ১০-১২ ঘণ্টা কাজ চালিয়ে প্রায় ৫০ টন ময়লা অপসারণ করা হয়। প্রথমদিকে অপসারিত বর্জ্য সিটি করপোরেশনের ডাম্পিং স্টেশনে নেওয়া হলেও পরে পৌরসভার নিজস্ব ডাম্পিং স্টেশনে তা সরানো হয়। প্রথম ধাপের এই কার্যক্রমে মোট ব্যয় হয় প্রায় ৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা।

তবে নদী সংরক্ষণ কার্যক্রমের পথে একটি বড় বাধা হচ্ছে হাইকোর্টে দায়েরকৃত দুইটি রিট পিটিশন, যার কারণে অবৈধ দখলদারদের স্থাপনা উচ্ছেদ করে নদী পরিষ্কারের পরিধি বাড়ানো সম্ভব হয়নি।

পৌর প্রশাসক জানান, ভবিষ্যতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে নদী পুনঃখননসহ আরও বড় পরিসরে কাজ করার জন্য সরকারের কাছে পরিকল্পনা উপস্থাপন ও বরাদ্দ চাওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, “আমরা দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, সম্প্রতি পরিষ্কার করা স্থানগুলোতে আবারও ময়লা ফেলা শুরু হয়েছে। এটা অত্যন্ত হতাশাজনক। পরিবেশ রক্ষা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়। এটি আমাদের সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব। বাসিয়া নদী রক্ষা এবং সঠিকভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে স্থানীয়দের সচেতনতা ও সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।”

বিশ্বনাথনিউজ২৪ডটকম / বিএন২৪