নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপামা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে দু’পক্ষের সংঘর্ষে গুরুত্বর আহত যুবক আসাদ মিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। গত শুক্রবার বিকেলে পূর্ব বিরোধের জের ধরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত হন আসাদ। এঘটনায় গত শনিবার আসাদ মিয়ার পিতা ফিরোজ আলী বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের ১০জনকে আসামী করে বিশ্বনাথ থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-৮।
মামলা দায়েরের পর শনিবার রাতেই মামলার এজাহার নামীয় আসামী খালেদ মিয়া (২১) ও শাহেদ মিয়া (২৫)’কে গ্রেফতার করেছেন থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত দুইজন রামচন্দ্রপুর গ্রামের কবির মিয়ার পুত্র। মামলার অন্য অভিযুক্তরা হলেন- কবির মিয়ার পুত্র জাহেদ মিয়া (১৮), জাবেদ মিয়া (২৩) মেয়ে রুমি বেগম (২৮), একই গ্রামের মৃত ছিদ্দেক আলীর পুত্র সেবুল মিয়া (৪৫), তার পুত্র শরীফ মিয়া (২২), স্ত্রী সালেহা বেগম (৪০), ছিদ্দেক আলীর মেয়ে গেদনী (৪০) ও আলী হোসেনের স্ত্রী মারজিনা বেগম (৩৫)।
জানা যায়, সম্প্রতি ফুটবল খেলা নিয়ে রামচন্দ্রপুর গ্রামের সেবুল মিয়ার ভাগনা জাহেদ আহমদের সঙ্গে আসাদ মিয়ার ভাতিজা সাঈদী মিয়ার মারামারি হয়। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন আপোষ-মিমাংসার মাধ্যমে গত শুক্রবার উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে নিস্পত্তির লক্ষ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো। কিন্ত শুক্রবার সকালে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাকাটি হয়। এরই জের ধরে ওই দিন বেলা ৩টায় উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে আসাদ মিয়াসহ দু’পক্ষের অনন্ত ১০জন আহত হন। খবর পেয়ে থানা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গুরুত্বর আহত অবস্থায় আসাদ মিয়া (২৬) ও তার অন্ত:সত্তা স্ত্রী আছিয়া বেগম (২৩)’কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আসাদ মিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরবর্তীতে তাকে সিলেট নগরীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালের আইসিইউ’তে ভর্তি করা হয়। গতকাল রবিবার আসাদ মিয়ার মাথায় অস্ত্রপাচার করা হয়েছে। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
মামলা দায়েরের সত্যতা স্বীকার করে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) শামীম মুসা বলেন, মামলার দুই আসামীকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্য আসামীদেরকেও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।







