সিলেট নগরীতে ছিনতাইকারী ও মাদক ব্যবসায়ী আসাদুল আলম বাপ্পির ছুরিকাঘাতে ইমন আচার্য নামে এক র্যাব সদস্য নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২২ মে) দুপুর দেড়টার দিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে শুক্রবার দুপুরের দিকে নগরীর কিনব্রিজের উত্তরপ্রান্তে কয়েকজন মাদকসেবী ও মাদক কারবারিকে মাদক সেবন ও ক্রয়-বিক্রয় করতে দেখে পুলিশ তাদের আটক করার চেষ্টা করে। এসময় তারা পালানোর চেষ্টা করলে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে র্যাব-৯ এর কনস্টেবল ইমন আচার্য বাপ্পিকে আটক করার চেষ্টা করলে সে তাকে ছুরিকাঘাত করে।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। একইদিন নগরীর তোপখানা এলাকায় পুলিশের আরেকটি অভিযানের সময় পুনরায় বাপ্পিকে ধরার চেষ্টা করা হয়। এসময় সে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে এক পুলিশ সদস্য তাকে ধাওয়া দিয়ে তোপখানা এলাকার একটি বাসায় ঢোকার সময় আটকাতে গেলে সে একটি শিশুকে জিম্মি করে পুরো পরিবারকে আতঙ্কিত করে তোলে।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে এবং কৌশলগতভাবে অভিযান চালায়। একপর্যায়ে অভিযুক্তের অসতর্কতার সুযোগে তার হাত থেকে ছুরি ফেলে দিয়ে তাকে আটক করা হয়। এসময় ধস্তাধস্তিতে এএসআই জামাল মিয়া, কনস্টেবল হাকিম, উজ্জ্বলসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে তার ব্যবহৃত ছুরিটিও জব্দ করা হয়।
আটক আসাদুল আলম বাপ্পি (২২) কোতোয়ালী থানার কাজিরবাজার এলাকার মোগলটুলার আবুল হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. মনজুরুল আলম।








