সিলেটের বিশ্বনাথের দারুল উলুম ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. নোমান আহমদসহ ১৭ অভিযুক্তকে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেছেন আদালত। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সিলেটের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালত বিশ্বনাথের একটি দ্রুত বিচার মামলায় এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বিশ্বনাথ জি.আর (দ্রুত বিচার) মামলা নং–১০৫/২০২৪-এর আওতায় আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২-এর ৪/৫ ধারায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্তরা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
কারাগারে প্রেরিত অভিযুক্তরা হলেন— মৃত মাওলানা ইয়াক আহমদের পুত্র মো. নুমান আহমদ (৪৭), মৃত হাবিবুর রহমান ওরফে শুনু মিয়ার পুত্র মো. মিজানুর রহমান (২৫), মবশ্বির আলীর পুত্র মো. ফারুক মিয়া (৬০), মৃত শফিক আলীর পুত্র ইসলাম উদ্দিন (২৭), মানিক মিয়ার পুত্র মো. আওয়াল হোসেন পারভেজ (২৭), শেখ মো. কলমদর আলীর পুত্র শেখ মো. হুসাইন আহমদ (২৬), ফারুক মিয়ার পুত্র আব্দুল্লাহ আল মাছুম (২৩), মৃত ইছহাক তোফায়েল আহমদের পুত্র মো. নাঈম উদ্দিন সাহান (৫০), মৃত আব্দুল খালিকের পুত্র মো. জিলা মিয়া (৫২), মৃত লয়লু মিয়ার পুত্র মো. সায়েফ আহমদ শায়েক (৪৯), মখলিব মিয়ার পুত্র মো. মাসুম মিয়া (২৯), মো. হাবিবুর রহমান ওরফে শুত্ত মিয়ার পুত্র মো. মিনহাজুর রহমান (২৪), মানিক মিয়ার পুত্র মদাদুল হক সায়েম মিয়া (৩০), মুতলিব মিয়ার পুত্র আব্দুস তুফান ওরফে ফরিদ মিয়া (৩৪), মো. তাজউদ্দিনের পুত্র মো. কামাল উদ্দিন (২৬), মো. ওয়ারিছ উদ্দিনের পুত্র নিয়াস উদ্দিন (২৯)।
অভিযুক্তদের সবাই সিলেটের বিশ্বনাথ থানার কাদিপুর গ্রামের বাসিন্দা। মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
বাদি পক্ষের আইনজীবি আব্দুল খালিক সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “অভিযুক্তরা জামিন আবেদন করলে আদালত তাদের দোষী সাব্যস্ত করে কারাগারে প্রেরণ করে।”






