সিলেটের বিশ্বনাথে উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের দশপাইকা আনোয়ারুল উলুম আলীম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সুপার, পীরে কামেল, মরহুম-মগফুর আল্লামা আকবর আলী (রহ.)’র জীবন ও কর্ম শীর্ষক সেমিনার ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) বাদ মাগরিব থেকে পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকাস্থ ‘উপজেলা মডেল মসজিদ’র কনফারেন্স হলে মরহুমের দেশ-বিদেশে অবস্থানরত ছাত্রদের উদ্যোগে এর আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আঞ্জুুমানে আল-ইসলাহ’র মহাসচিব, কামালবাজার ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক প্রিন্সিপাল ও মরহুমের ছাত্র মাওলানা এ,কে,এম মনোহর আলী। প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন মাওলানা লুৎফুর রহমান।
দশপাইকা আনোয়ারুল উলুম আলীম মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আব্দুল মোছাব্বির চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার শফিক আহমদ পিয়ারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান, বুরাইয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা নোমান আহমদ, ভূরকি হাফিজিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন, দশপাইকা আনোয়ারুল উলুম আলীম মাদ্রাসার শিক্ষক সাবেক সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা আব্দুল খালিক, মাওলানা লুৎফুর রহমান, মাওনালা ফারুক আহমদ, প্রাক্তন শিক্ষার্থী তালুকদার মোহাম্মদ আবু সুবহান, মাসুক আহমদ, মাওনালা মনোয়ার হোসেন, ক্বাজী আবু সাঈদ, মাওলানা আব্দুল মুক্তাদির ফয়ছল, মাওলানা শাহাজান উদ্দিন, বুরাইয়া কামিল মাদ্রাাসা বিদ্যুৎসায়ী সদস্য মুহিবুর রহমান।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মরহুম আল্লামা আকবর আলী (রহ.) ছিলেন ইসলামের জন্য নিবেদিত প্রাণ একজন প্রখ্যাত আলেমেদীন, খেলাফতপ্রাপ্ত একজন ইসলামী ব্যক্তিত্ব। এমন একজন আলেমে দীনকে হারিয়ে আজ মরহুমের নিজ গ্রাম, ইউনিয়ন ও উপজেলা তথা দেশবাসী গভীরভাবে শোকাহত। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় দীনের বহুমুখী খেদমত করে গেছেন। মরহুমের ওই শূন্যতা কখনই পূরণ হবে না।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী হাফিজ ইমন আহমদ ও নাতে রাসুল গজল পরিবেশন করেন সাবেক শিক্ষার্থী ক্বারী সালেহ উদ্দিন, হাফিজ রবিউল ইসলাম। মরহুমের পরিবারের পক্ষে বক্তব্য রাখেন মরহুমের সুযোগ্য সন্তান মাওলানা ফরিদ উদ্দিন ছগির এবং অনুষ্ঠানে ভিডিও কলের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুল হামিদ খান সুমেদ। এসময় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।






