বিশ্বনাথের ১০০ বছর বয়সী বৃদ্ধা সুর্যবান বিবি’র ইচ্ছে পূরণ

Ayas-ali-Advertise
Facebook
Twitter
WhatsApp

নিজস্ব প্রতিবেদক :: বিশ্বনাথের একশত বছর বয়সী বৃদ্ধা সুর্যবান বিবি’র দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল পবিত্র হজ্ব বা ওমরাহ পালন করা। কিন্ত পরিবারে বিভিন্ন সমস্যার কারণে এতোদিন তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে শতবর্ষী এই নারীর ইচ্ছেটি পূরণ হচ্ছে। আজ সোমবার (৪ নভেম্বর) পবিত্র ওমরাহ পালন করতে সৌদী আরবের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন। সুর্যবান বিবি বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের চক রামপাশা গ্রামের মরহুম হাজী আব্দুল গফুরের স্ত্রী। গ্রামের সবচেয়ে বয়োবৃদ্ধা হলেও স্বাভাবিকভাবেই চলাফেরা করতে পারেন তিনি। তার ৫পুত্র ও ৫কন্যা, নাতি-নাতিনী ও তাদের সন্তানরা সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রয়েছেন।
এক শত বছরে পা দিলেও সুর্যবান বিবি চশমা ছাড়াই খালি চোখে স্বাভাবিকভাবে পবিত্র কোরআন শরীফ পড়া’সব কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। যে বয়সে তার শেষ সম্বল লাঠি হাতে নিয়ে চলা ফেরা করার কথা ঠিক সেই সময়ে তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করায় এলাকায় মানুষের কাছে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। বার্ধক্য তাকে হার মানাতে পারেনি। বাধা সৃষ্টি করতে পারেনি তার কাজকর্মে। তিনি কোন কাজে মনো নিবেশ করলেই আশ-পাশের মানুষ তাকে এক নজর দেখতে ভিড় শুরু করেন। এমনকি আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীর কারো সুখ-দুঃখের সংবাদ পেলেই খোঁজখবর নিতে তাদের বাড়িতে ছুটে যান সুর্যবান বিবি। তার ইচ্ছে ছিলো পবিত্র হজ্ব বা ওমরাহ পালন করার। কিন্ত পরিবারের বিভিন্ন সমস্যা থাকার কারণে তা এতোদিন সম্ভব হয়নি। ৪র্থ ছেলে ওমান প্রবাসী সাদেক আলী (৫০) ও পুত্রবধূ সিরিনা বেগমের সঙ্গে পবিত্র ওমরাহ পালন করতে সৌদী আরবের উদ্দেশ্যে সোমবার যাত্রা করেছেন সুর্যবান বিবি।
সুর্যবান বিবি বলেন, আমি এতোদিন বেঁচে থাকবো তা আশা করিনি, আমি চশমা ও লাঠি ছাড়া চলাফেরা করতে পারি। আল্লাহ্ পাক আমাকে সুস্থ্য রেখেছেন। এজন্য আল্লাহর কাছে লাখো শুকরিয়া। আমার খুব ইচ্ছে ছিল আল্লাহর ঘর তোয়াফ করবো। শেষ বয়সে এসে আল্লাহ আমার আশা পূর্ণ করেছেন। আমি সকলের নিকট দোয়া প্রার্থী।

বিশ্বনাথনিউজ২৪ডটকম / বিএন২৪