বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক পদে উন্নীত হয়েছেন সিলেটের মো. আমিনুল ইসলাম। এর আগে তিনি প্রতিষ্ঠানটির সিলেট অফিসের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
প্রধান কার্যালয়ের হিউম্যান রিসোর্সেস ডিপার্টমেন্ট-১ থেকে সম্প্রতি জারি করা আদেশে বলা হয়েছে, তাঁকে নির্বাহী পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
১৯৯৩ সালে সরাসরি অফিসার পদে বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগ দেন মো. আমিনুল ইসলাম। দীর্ঘ ৩২ বছরের কর্মজীবনে সিলেট ও ময়মনসিংহ অফিসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখা ও বিভাগে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ব্যাংকিং কার্যক্রমের পাশাপাশি তিনি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক ক্লাব, ময়মনসিংহ-এর সভাপতি, বাংলাদেশ ব্যাংক স্কুল, সিলেট-এর সেক্রেটারি এবং বাংলাদেশ ব্যাংক নিবাস মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি।
সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে। তিনি রোটারি ক্লাব অব সিলেট সিটির পাস্ট প্রেসিডেন্ট ও রোটারি ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮২-এর জেলা কর্মকর্তা। এছাড়া সিলেট কেন্দ্রীয় লেখক ফোরামের সভাপতি ও আল মাহমুদ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি, হবিগঞ্জ সমিতি (সিলেট), ব্যাংকার্স ক্লাব (সিলেট) এবং সিলেট মোবাইল পাঠাগারের আজীবন সদস্য তিনি। পাশাপাশি তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত কবি ও সাহিত্যকর্মী।
সাহিত্য চর্চায় সক্রিয় আমিনুল ইসলাম নিয়মিত অংশ নেন সিলেটের মুসলিম সাহিত্য সংসদ, মোবাইল পাঠাগার ও সাইক্লোন সাহিত্য আসরের আয়োজনে। তাঁর লেখা প্রকাশিত হয় দৈনিক জালালাবাদ, সোনালী সকাল ও বাংলাদেশ ব্যাংক পরিক্রমায়। কিশোর পত্রিকা ‘কচি’র অন্যতম উপদেষ্টা হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করছেন।
হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার কালাপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. আমিনুল ইসলাম মো. আব্দুল হাসিম ও মোছা. হাজেরা খাতুনের বড় ছেলে। ১৯৮২ সালে বাহুবলের সাতকাপন দীননাথ ইনস্টিটিউট থেকে এসএসসি, ১৯৮৪ সালে মদন মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ১৯৮৮ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন তিনি।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি গৃহিণী মোছা. দিলারা হাসানের সঙ্গে বিবাহিত। তাঁদের তিন সন্তান—মাহমুদুর রহমান সাকিব, মাহফুজুর রহমান রাকিব ও শাকেরা মাহজাবিন সাবিহা—বর্তমানে স্কুল-কলেজে অধ্যয়নরত।
অফিসিয়াল প্রশিক্ষণ ও ব্যক্তিগত কাজে তিনি সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও শ্রীলঙ্কা সফর করেছেন।
আরও পড়ুন:: সিলেটের ত্রিভুজ প্রেমের জেরে বন্ধুর হাতে যুবদল কর্মী খুন।







