বিশ্বনাথে পরিত্যক্ত ভবনের কারণে খেলাধুলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা

Ayas-ali-Advertise
Facebook
Twitter
WhatsApp

আব্বাস হোসেন ইমরান :: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের আমতৈল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি পরিত্যক্ত ভবন রীতিমত ভোগান্তির সৃষ্টি করেছে। বিদ্যালয়ের অন্য দুটি ভবনের সাথে পরিত্যক্ত ভবনটি ঠায় দাড়িয়ে থাকায় মাঠের জায়গা অবশিষ্ট নেই সেখানে। ফলে, খেলাধুলা ও চিত্তবিনোদন বঞ্চিত রয়েছে বিদ্যালয়টির পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী। পাশাপাশি, জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, সমাবেশ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও পোহাতে হয় ভোগান্তি।
১৯২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ২২শতক জায়গার উপর আমতৈল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫৭৩জন। ১৪জন শিক্ষক তাদেরকে নিয়মিত পাঠদান করে আসছেন। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে তিনটি ভবন থাকলেও এর মধ্যে একটি ভবন দীর্ঘদিন থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। এটি ভেঙ্গে ফেলার জন্যে প্রায় বছরখানেক পূর্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবরে আবেদন করা হলেও এখনও এ ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তিনটি ভবনের কারণে বিদ্যালয়ের খালি কোনো জায়গা অবশিষ্ট নেই।
কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, বিরতির সময় আমাদেরকে ক্লাশ রুমেই বসে থাকতে হয়। মাঠ না থাকায় আমরা খেলাধুলা করতে পারি না।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক করুনা চন্দ্র নাথ বলেন, মাঠ না থাকায় একদিকে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অন্যদিকে, প্রায়শই জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করতে হয় বারান্দায়। এয়াড়াও, ভোগান্তি পোহাতে সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে। পরিত্যক্ত ভবনটি ভেঙ্গে ফেলা হলে অন্তত স্বল্প পরিসরে হলেও শিক্ষার্থীরা খেলাধুলার সুযোগ পেত।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মহিউদ্দিন আহমদ বলেন, পরিত্যক্ত ভবনটি ভাঙ্গার জন্যে নিলাম কমিটির সাথে বৈঠক করে তা রেজুলেশন করা হয়েছে। পরে স্টিমিটের জন্যে উপজেলা প্রকৌশল অফিসে পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্ণালী পাল বলেন, বিষয়টি জানা ছিল না। বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবন ভাঙ্গার যে আবেদন করা হয়েছে, সে ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

বিশ্বনাথনিউজ২৪ডটকম / বিএন২৪