বিশ্বনাথে বিদ্যালয়ে নরসুন্দর দিয়ে কাটা হয় ছাত্রদের চুল

Ayas-ali-Advertise
Facebook
Twitter
WhatsApp

মো. আবুল কাশেম :: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নে অবস্থিত আলহাজ্ব লজ্জতুননেছা উচ্চ বিদ্যালয়ে নরসুন্দর (নাপিত) দিয়ে ছাত্রদের চুল কাটা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তাই প্রতি মাসে এক দিন নির্ধারিত একজন নাপিত বিদ্যালয়ে গিয়ে সকল ছাত্রের চুল কেটে দেন। ব্যতিক্রমি এই নিয়মটি ২০১৬ সাল থেকে চালু করেছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী সদস কবির আহমদ কুব্বার বিশ্বনাথ নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম-কে বলেন, ২০০৮ সাল থেকে আমি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমি সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর বিদালয়ে এসে দেখতে পাই বিভিন্ন ছাত্রের মাথায় বখাটে স্টাইলে চুল রয়েছে। এরপর ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষকবৃন্দ ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে এক স্টাইলে সকল ছাত্রের চুল কাটার জন্য আমরা সিদ্ধান্ত নেই। এই সিদ্ধান্তের পর ২০১৬ সাল থেকে মাধব দেব নামের একজন নাপিত প্রতি মাসে বিদ্যালয়ে এসে ছাত্রদের চুল কেটে দেন। বিনিময়ে প্রত্যেক ছাত্র নাপিতকে ২০ টাকা দেন। কোন ছাত্র টাকা দিতে অপরাগ হলে আমরা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সেই ছাত্রে টাকা নাপিতকে দেই।
বিদ্যালয়ের সকল ছাত্রেদের ক্ষেত্রে এই চুল কাটা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষক তোলষী কুমার সাহা।

বিশ্বনাথনিউজ২৪ডটকম / বিএন২৪