বিশ্বনাথে অটোচালকের কৌশলে অন্যত্র নিয়ে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

Ayas-ali-Advertise
প্রতীকি ছবি।
প্রতীকি ছবি।
Facebook
Twitter
WhatsApp

সিলেটের বিশ্বনাথে এক নারীকে অটোরিকশায় তুলে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে কৌশলে অন্যত্র নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ৪জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১জনকে আসামি করে বিশ্বনাথ থানায় মামলা হয়েছে। মামলার পর অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি গয়াছ মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত ১০টার দিকে উপজেলার অলংকারী ইউনিয়নের আলমনগর এলাকায় ঘটে। গ্রেপ্তার গয়াছ মিয়া (৪৪) আলমনগর গ্রামের বাসিন্দা। মামলার অন্য আসামিরা হলেন একই গ্রামের আশিক মিয়া (৩০), হায়াতেরগাঁও গ্রামের সাইদুর রহমান (৩০) এবং বটতলা গ্রামের আমির আলী (২৮)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে ওই নারী সিলেট নগরের চণ্ডীপুল এলাকা থেকে ছাতকে যাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করেন। অভিযোগ রয়েছে, অটোরিকশার চালক সাইদুর রহমান তাঁকে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে কৌশলে বিশ্বনাথের অলংকারী ইউনিয়নের আলমনগর এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া গয়াছ মিয়া, আশিক মিয়া ও আমির আলীসহ অন্য এক ব্যক্তি তাঁকে জোর করে আলমনগর গ্রামের মন্তাজ আলী নামের এক ব্যক্তির বসতঘরের রান্নাঘরে নিয়ে যায়। পরে সেখানে পালাক্রমে তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও উল্লেখ রয়েছে, অভিযুক্তরা ওই নারীর ভ্যানিটি ব্যাগে থাকা নগদ ২ হাজার ২৫০ টাকা, পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। একপর্যায়ে তিনি কৌশলে সেখান থেকে বের হয়ে পনাউল্লাহ বাজারে যান এবং স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পুলিশকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে এবং প্রধান আসামি গয়াছ মিয়াকে গ্রেপ্তার করে।

বিশ্বনাথ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনোজ প্রভাকর রায় বলেন, এ ঘটনায় ৪জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা একজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ওই নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

বিশ্বনাথনিউজ২৪ডটকম / বিএন২৪