সিলেটের বিশ্বনাথবাসির অর্জনের ইতিহাসে যুক্ত হলো এক অনন্য ও গৌরবময় অধ্যায়। প্রথমবারের মতো এই জনপদের কোনো কৃতি সন্তান দেশের অন্যতম শীর্ষ বিদ্যাপীঠের ভিসি হয়েছেন। বলছি উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়নের আতাপুর গ্রামের শিক্ষাবিদ ড. মো. রইছ উদ্দীনের কথা। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)-এর উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রথিতযশা অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের এই অর্জনে আনন্দিত বিশ্বনাথ উপজেলাবাসি।
সোমবার (১৬ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন আনুষ্ঠানিকভাবে ড. রইছ উদ্দীনের নাম ঘোষণা করেন।
দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ও গবেষণায় নিভৃতে কাজ করে যাওয়া ড. রইছ উদ্দীন কেবল একজন শিক্ষাবিদই নন, বরং বিশ্বনাথের সাধারণ মানুষের কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম। তাঁর আগে বিশ্বনাথ উপজেলার আর কেউ কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদে আসীন হননি। তাঁর এই নিয়োগ উপজেলার শিক্ষা বিস্তারে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
সংবাদটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন বিশ্বনাথের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তারা বলছেন, ড. রইছ উদ্দিনের এই সাফল্য কেবল তাঁর ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং এটি পুরো বিশ্বনাথবাসীর সম্মান। তাঁর এই মেধা ও পরিশ্রমের স্বীকৃতি আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করবে।
ড. মো. রইছ উদ্দীনের এই নতুন যাত্রায় তাঁর প্রতি রইল আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা। তাঁর হাত ধরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণার নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে-এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।





