সিলেটের বিশ্বনাথে এক শারীরিক প্রতিবন্ধীর ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে রামপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক এক নারী সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযোগ জানাজানি হওয়ার পর ওই টাকা ফেরত দিয়ে মুচলেকা দিয়ে রেহাই পেয়েছেন তিনি।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্বনাথ পৌরশহরের একটি ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট শাখায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গড়গাঁও গ্রামের শারীরিক প্রতিবন্ধী মো. আনোয়ার আলী তাঁর ভাতার প্রথম কিস্তির ১১ হাজার টাকা তুলতে পৌরশহরের ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট শাখায় যান। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন রামপাশা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক নারী সদস্য মিনা বেগম।
অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা উত্তোলনের পর বিভিন্ন খরচের কথা বলে আনোয়ার আলীর কাছ থেকে ৮ হাজার টাকা রেখে দেন মিনা বেগম। পরে তাঁর হাতে ৩ হাজার টাকা তুলে দেন তিনি।
বিষয়টি বুঝতে পেরে ব্যাংক এশিয়ার স্থানীয় এজেন্ট শাখার ব্যবস্থাপক বিষয়টি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে জানান। পরে সমাজসেবা কার্যালয়ে সংশ্লিষ্টদের ডেকে নেওয়া হয়।
উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে মিনা বেগম অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করে ক্ষমা চান এবং ওই ৮ হাজার টাকা ফেরত দেন। পরে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা আর করবেন না—এমন অঙ্গীকার করে স্ট্যাম্পে মুচলেকা দেন তিনি।
ব্যাংক এশিয়ার স্থানীয় এজেন্ট শাখার ব্যবস্থাপক সঞ্জয় আচার্য বলেন, ‘ভাতার টাকা নয়ছয়ের বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে জানানো হয়। পরে তিনিই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন।’
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম বলেন, ‘সাবেক ওই নারী সদস্য অন্যের ভাতার টাকা আত্মসাতের বিষয়টি স্বীকার করে টাকা ফেরত দিয়েছেন। ভবিষ্যতে এমনটি করবেন না বলে অঙ্গীকার করে ক্ষমাও চেয়েছেন। পরে স্ট্যাম্পে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে।’
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মিনা বেগমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।





