AM-ACCOUNTANCY-SERVICES-BBB

এমপিকে কটুক্তি করায় বিশ্বনাথ পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে মানহানীর মামলা

বিশ্বনাথ নিউজ ২৪ ডট কম :: অক্টোবর - ২ - ২০২৩ | ৯: ৪৪ অপরাহ্ণ

মানহানীর মামলা

বিশ্বনাথনিউজ২৪ :: সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং গণফোরাম নেতা মোকাব্বির খান সম্পর্কে ‘কটুক্তি, আক্রমানতœক ও মানহানীকর’ মন্তব্য করায় পৌর মেয়র মুহিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ১১০ কোটি টাকার মানহানীর মামলা করলেন এমপির ব্যক্তিগত সহকারী আহমেদ কবির আদনান।

সোমবার (২ অক্টোবর) সিলেট সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলা নং ১৯৭/২০২৩ইং। মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী জাফর ইকবাল তারেক।

মামলায় পৌর মুহিবুর রহমানকে প্রধান অভিযুক্ত ও আরো দুইজনের নাম উল্লেখ করা’সহ ১০/১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা অভিযুক্ত করা হয়েছে। মামলার নাম উল্লেখ করা অপর দুই অভিযুক্তরা হলেন উপজেলার অলংকারী ইউনিয়নের টেংরা (আলীপাড়া) গ্রামের লাল মিয়ার পুত্র ও জেলা যুবলীগের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও পাঠাগার সম্পাদক সিতাব মিয়া এবং টেংরা (আলীপাড়া) গ্রামের আলী মিয়া। এদিকে মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, গত ২৫ সেপ্টেম্বর উপজেলার টেংরা আলীপাড়া গ্রামের মসজিদে গিয়ে পৌর মেয়র মুহিবুর রহমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। এতে মুহিবুর রহমান বলেন, এই প্রকল্পের কাজ হয় নাই। এই প্রকল্পের টাকা এমপির পিএ লুট ও হাতিয়ে নিয়েছে। এখানে হরিলুট হয়েছে। অথচ প্রকল্পটি এখন চলমান রয়েছে। আর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজটি সম্পূর্ণ না করার এখনো তাদেরকে বিল দেওয়া হয়নি। ভিডিওতে দেওয়া মুহিবুর রহমানের বক্তব্য অসত্য, হয়রাণীমূলক, উদ্দেশ্য প্রনোদিত, মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর। এতে এমপির ১০০ কোটি টাকার ও পিএ’র ১০ কোটি টাকার মানহানী হয়েছে বলে, ১১০ কোটি টাকার মানহানীর মামলা করা হয়।

মামলার বাদী ও এমপির ব্যক্তিগত সহকারী আহমেদ কবির আদনান বলেন, আমাদের একটি প্রকল্প এসআইডি-২ প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশলীর বাস্তবায়নে ৩ লক্ষ টাকার একটি কাজ দেয়া হয়েছে। এ কাজটি চলমান রয়েছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজটি সম্পূর্ন না করায় এখনো বিলও দেয়া হয় নাই। তাহলে কেমন করে এখানে হরিলুট হলো।

এবিষয়ে পৌর মেয়র মুহিবুর রহমান বলেন, এমপি মহোদয়ের মান মূল্য ১১০ কোটি টাকা। মানহানী হয়েছে তাও জানলাম। কিন্তু সরকারি টাকা যে আত্মসাৎ হলো সে ব্যাপারে তো তিনি কিছু বলেন নি। আমরা অনুসন্ধানী সচিত্র প্রতিবেদন দিয়েছি। যা সত্য তা পরিষ্কার উঠে এসেছে। এটা আদালতেও গৃহিত হয়। জনগনের স্বার্থে এরকম সচিত্র প্রতিবেদন চলমান থাকবে।

আরো সংবাদ