বিশ্বনাথের প্রথম অনলাইন পত্রিকা

বিশ্বনাথে প্রেগনেন্সি টেস্টে ভূল রিপোর্ট : অল্পের জন্য রক্ষা পেল গর্ভের সন্তান

বিশ্বনাথনিউজ২৪ :: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার পুরাণ বাজারের কলেজ রোড় এলাকার মোতালিব প্লাজাস্থ লাইফ-এইড ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্সের বিরুদ্ধে প্রেগনেন্সি (আলট্রাসনোগ্রাফি) টেস্টের ভ‚ল রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর রিপোর্ট নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মনে সন্দেহ হওয়াতে একই দিনে আরও পৃথক দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে (আলট্রাসনোগ্রাফি) পরীক্ষা করান তারা। আর সেই রিপোর্টগুলোতে আসে ওই মহিলা ১০ সপ্তাহের গর্ভবতি। ফলে অল্পের জন্য রক্ষা পেল ১০ সপ্তাহের গর্ভের সন্তানটি। এ নিয়ে উপজেলার সর্বত্র চলছে নানান জল্পনা-কল্পনা।
জানা গেছে, উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব শ্বাসরাম গ্রামের শামীম আহমদ তার স্ত্রীর প্রেগনেন্সি (গর্ভবতি) টেস্ট করানোর গত ১৬ জুন তার স্ত্রী রেছনা বেগমকে নিয়ে লাইফ-এইড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে যান এবং সেখানে আলট্রাসনোগ্রাফি করান। এরপর লাইফ-এইড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডাক্তার শামছুল হক টেস্টের রিপোর্ট দেন শামীম আহমদের স্ত্রী গর্ভবর্তি নন বলে। এরপর তিন মাস ধরে বন্ধ থাকা স্ত্রীর ঋতু¯্রাব নিয়মিত করার জন্য ফার্মেসী থেকে ঔষধ ক্রয় করে স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে চলে যান শামীম আহমদ। বাড়িতে যাওয়ার পর লাইফ-এইডের দেওয়ার রিপোর্ট মন থেকে মেনে নিতে ছিলেন না স্বামী-স্ত্রীর কেউই। এজন্য ক্রয় করা ঔষধও স্ত্রীকে না খেতে না দিয়ে মনের সন্দেহ দূর করতে শামীম আহমদ একই দিনে বিশ্বনাথস্থ মেডিচেক ডায়াগনষ্টিক এন্ড হেলথ কেয়ার এবং সিলেটস্থ ন্যাশনাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্ত্রীকে নিয়ে গিয়ে পৃথক দুটি প্রেগনেন্সি টেস্ট করান। ওই দুটি আলট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্টে আসে শামীম আহমদ আহমদের স্ত্রী রেছনা বেগম ১০ সপ্তাহের গর্ভবতি। এরপর তিনটি প্রেগনেন্সি টেস্টের রির্পোটসহ মৌখিকভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করেন শামীম আহমদ।
স্থানীয় সাংবাদিকদেরকে শামীম আহমদ বলেন, পৃথিবীতে অনেক মানুষ আছেন যারা শত চেষ্টা করেও সন্তান পাচ্ছেন না। আর লাইফ-এইড কর্তৃপক্ষ আমার স্ত্রী গর্ভবতি হওয়া সত্তে¡ও রিপোর্ট দিয়েছে গর্ভবর্তি নন বলে। তাদের রিপোর্ট বিশ্বাস করে যদি ঋতু¯্রাব নিয়মিত করার লক্ষে ফার্মেসী থেকে ক্রয় করা ঔষধ আমার স্ত্রীকে খাওয়াতাম তা হলে কত বড় ক্ষতিই না হতো, তা আমি জানি না। উপজেলাবাসীকে এব্যাপারে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি প্রশাসন’সহ সরকারের কাছে এর সুষ্ঠ বিচার প্রার্থনা করছি।
এব্যাপারে লাইফ-এইড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডাক্তার শামছুল হক বলেন, আমার মেশিনে যা পাইছি, আমি সে অনুযায়ী রিপোর্ট দিয়েছি।


Endofcontent

Endofcontent
You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!