ইলিশা পানিভাতরলগে খাইয়া আসল মজা পাওয়ার কথা নায়

বিশ্বনাথ নিউজ ২৪ ডট কম :: এপ্রিল - ১৪ - ২০১৭ | ২: ২৪ অপরাহ্ণ | সংবাদটি 2112 বার পঠিত

123নাজমুল ইসলাম মকবুল :: আমরার ছিলটর আঞ্চলিক ভাষায় ডাখর একটা কথা আছে ‘ঠেখলে তিন মাথাউলির গেছে যাইও’। আর আগর আমলর সমাজর হাল হকিকত চাল চলন কায় কারবার ইতা তিন মাথাউলি হকলর গেছে গিয়া নিরাই কানদাত বইয়া জিকা করলে আর নায় মনো করাইয়া দিলে হুনা যায় কতো জাতর টেংগা মিঠা রস কষর কথা। তারা কফাল ছিরইয়া কথা কইন। হুনতানি ইতা গফ। তে হুনউকা। ‘আফথে পথ অইবো, আঘাটে ঘাট অইবো, আমানুষ মানুষ অইবো।’ ইতা বুলে ডাখর কথা। কেউ কেউ কইন কিয়ামতর আলামত। তুকাইয়া দেখি তারার কথা বাক্কাজাগাত মিলিযায়। আপথে কতো পথ অইছে আর আঘাটে কতো ঘাট অইছে ইতাতো হকলরঅউ জানা। আমানুষ মানুষ অইছইন কি না ইতা জ্ঞানীহখলে কইতা পারবা। আমি কইবার কাম নায়। তিন মাথাউলি হকলর কানদাত গেলে তারা ছকুত আঙ্গুইল দিয়া দেখাইয়া দেইন ইতা। তারা কইন দেখছোনি নাতী আগে অমুকর পুয়া কিতা আছিল আর অনকু কিতা অইছে। তার বাপ দাদা পই দাদা লাক্ষড় দাদা কিতা আছিল কিতা করইয়া গেলা ইতার আত ভড় হকলতা আমরার জানা। পয়সা দুইটা অইগেছেকরি অখন দেখরায়নি কিতা করের। খালি হইরোলুটি লাখান নাছে। ভুবনও পাও ধরায়না। মাইনষরে মানুষ করি কয়না। তার হাবি গুষ্টিয়ে হারা জীবন কিতা করইয়া গেলা ইতা যুদি ভাঙ্গিয়া কই তে মুখ দেখাইতো পারবনি। কও ছাইন নাতী। টেখাতো ছামাররওউ অয়। টেখা তিনটা অইলোকরি ছউক উল্টাইলিতোনি। মানুষ উনুস যেমন তারার ছকুত লাগেনা। ইতা ভালা নায়। বিয়ানে বাশশা বিয়ালে হকির। আল্লায় কারে কুন সময় কিতা করবা কইতায় পারবায়নি। আল্লায় তান বন্দারে ধন ছামান ক্ষমতা আর প্রভাব প্রতিপত্তি দিয়া পরীক্ষা করইন। আগর আমলোর কিছু কথা এবলা হুনো। হি সময় আছার বিছারো যাইতা দাঁড়িপাকনা মুরব্বী হকল। আর অখন বুড়াইনতর দাম নাই। হকল ছাবাল আর ডেম মুরববীহখল অইগেছইনগি দানা। এর লাগি আমরা শরমাইয়া আর বিছার আছারও যাইনা। টাল্টি বাল্টি মাথ, অনর কথা হনো লাগানি, টেখারগেছে বিকি খাওয়া ইতা হুনতামও পারিনা দেখতামও পারিনা। আটুর রুমা কালা অইবার আগে বিছারো গিয়া আগর কাতারো বইযায়। ময় মুরব্বী হকলর সামনে বিড়ি সিগরেটও টানে। ইতার ঢাফর মাথ হুনলে খালি খাউছ উঠে। বাপ ছাছারে বুলে কয় ‘তুমরা ইতা বুঝতায় নায়’। আমি কই এ মাখালর মাখাল। তুই তোর বাপ ছাছারে যেতা কইরে তোর পুয়ায় তোরে কাইল বাদ ফরুদিননু ইতা কইদিবো। দুনিয়ার ধার দুনিয়াত ফুজে। ইতা জানছনি। কথা গেছেগি আরখবায়দি। আল্লায় বাছাইলে ইতা আরকদিন কইমুনে।
মৌসুমী কথা থুড়া কইদেনো। বৈশাগ মাসর কথা থুড়া কইতাম ছাইরাম। পয়লা বৈশাগ পানিভাত আর ইলিশা মাছ মাটির হাংকী আর কলাপাতাত খাইবার লাগি কতজনে ঠেলাঠেলি লাগাইন। কতোজাতর হাজা হাজইন। আমরার জাতীয় মাছ ইলিশা। এর লাগি ইলিশার আদিঅন্ত সম্পর্কে কিছু কওয়া দরকার।
আগর আমলো ইলিশা মাছ আছিল গরিবহকলর মাছ। যারার টেখার গরম কম আরনায় দিনমজুর তারা বাজারো গেলে হস্তার লাগি ইলিশা মাছ তুকাইতা। আর ধনিহকলে রউ বাউস মিরকা গোয়াল ছিতল আইড় গুজা পাঙ্গাস হউল গজার বড়োবাইং ঘনইয়া কালিয়ারা কাংলা এলং পুটা লাছো মাগুর হিংগি পাবইয়া আরও কতোজাতর দামী মাছ কিনতা। যেরা খেত খামার করইয়া হারা বছর ঘরর ভাত খাইয়া বাড়তি ধান চাউল বেছতা পারতা এরাউ আছলা বড়ো ধনি। যেরা বালু পাত্থরর নাও বাইতা তারা হিলা ধনী আছলানা। তারা বাজার থাকি ইলিশা মাছ লইয়া নাওয়ো রানতা। নাও বাইয়া যাইবার সময় যে ঘরান বারইতো ইলিশার বাঘারর ঘরান। নদীর পারতনে নাকো গিয়া ঘরান লাগতো। ইলিশা মাছ রানবার আগে বিরান করতা। ইলিশার তেল দিয়াউ ইলিশা বিরান করা যাইতো। চানপুরী ছন্দনা ইলিশার মাঝে যে তেল আছিল। বিরান করার বাদে ওউ বিরান মাছদি ছালম রানতা। নিল্লা আর নায় মুকি দিয়া ইলিশার ছালম রানলে সিরা দিয়া পেট ভরইয়া ভাত খাওয়া যাইতো। আর বড় বড় পেটি যে মজা লাগত ইতা মনো অইলে অখন জিফরার পানি টফ টফাইয়া পড়ে। বেশির ভাগ মানুষ ইলিশা লইবার সময় ছন্দনা ইলিশা তুকাইয়া কিনতা। ছন্দনা ইলিশাত তেল অইতো বেশি। আর কেউ কেউ এন্ডাউলি ইলিশা কিনিয়া আনতা ডিম খাইবার লাগি। ইলিশার এন্ডা ছাক্কি ছাক্কি করি রান্ধা অইতো। যে মজা লাগতো। আর ঘরানর কথা কইয়া লাভ নাই। কেউ কেউ ইলিশার তেল লইয়া ওউ তেল দিয়া ইতা হিতা রানতা। বিরানও করতা। বাড়ির কানদাবায় গেলে ই বাড়িত ইলিশা মাছ রানলে বউত দুর থাকি ঘরান পাওয়া যাইতো। বাজারো গেলে বড় বড় ইলিশা মাছ পাওয়া যাইতো দশ পনর টেখায়। ইতা সংগ্রামর বাদর আমরা ফুরু থাখতর হিদিনকুর কথা। এর আগর জবানার কথা হুনলে বিশ্বাস করতে কষ্ট অয়। ময় মুরব্বী হকলে গফ করইন দুই আনা ছাইর আনা দিয়া বড় বড় ইলিশা আনতা। ইতা গফ হুনলে আমরা ভেখভেখাইয়া তারার মুখেদি ছাইতাকি। বাজারো পাছ টেখা দশ টেখাদি ফুরু মাছর ভাগা গরিব হকলে কিনতা। পুটি টেংরা মখা লাইয়া গুত্তুম খইয়া ছাটা ভেড়া দাড়কিনা তিতকিনা ইছা ছেলাফাতা ফুগা কাশখাউরি ছান্দু ঘিলাছাকি রাইত আগরি খাফউয়া ছেংগি ভুলা ছেংগি কাকইয়া কইপুতরা ছিকরাবাইং পাঠাবাইং বালিগড়া কেছরি ঘুংগি টেংরা ইতা মাছ খুব হস্তা আছিল। বারিষাত টানাজাল (মনিপুরী জাল) লইয়া বন্দো গিয়া থুড়া পানির মাঝে উল্টাফাল্টা ছাইর টান দিলে ইতা মাছ ডেগ ভরইয়া আনা যাইতো। এরলাগি মাছ তেমন একটা বাজার থাকি আনা লাগতনা। যখন থাকি মুকিলর ছাওহকলে কারেন্টর জাল বার করলো ওউ সময় থাকিউ আমরার দেশো মাছর আখাল আর শনির দশা আইয়া নাযিল অইলো। কারেন্টর জাল বেছা সরকারে নিষেধ করলেও দেশর হকল থানা উপজেলা বা জেলা সদরও এক্কেবারে খোলামেলা বেছা বিকি অয়। যেরা ইতা বেছইন পুলিশর লগে তারারবুলে ইয়ারানা আছে। এরলাগি পুলিশ ভাইয়াইনতে ইতা দেখইয়াও দেখইননা। হাপ্তায় হাপ্তায় মামলতওবুলে মিলে।
যাই অউক। কিতা থইয়া কিতা কইতাম আরক মশকিল। ইলিশা মাছ বাজারো অখন পাওয়া সোনার অরিনর লাখান। পাইলেও এক্কেবারে বারিক বারিক। এক আলি আনলেও এক ছালম অয়না। আগর ঘরান ঘারানও নাই। বিরান করলে তেলও বারয়না। শিরাও মজা অয়না। মাছ মুখো লইলে কিলালাখান লাগে। ইদানিং নকল ইলিশাও বুলে বাজারো পাওয়া যায়। বাজারো গরিব হকলেতো ইলিশা কিনা দুরর কথা ডরাইয়া তারা কানদাউ ভিড়া বাদ দিলাইছইন। আগর আমলো যে পাঙ্গাস মাছোর খুম নাম দাম আছিল অউ পাঙ্গাস মাছ অখন খামারো হামাইয়া প্রমোশন থাকি ডিমোশন অইয়া গরিবর মাছ অইগেছে। আর ইলিশার প্রমোশন অইয়া ধনীর মাছ অইগেছে। এর লাগি পত্রিকাত দেখা যায় কিছুটা বড়ো অইলে এক জোড়া ইলিশা বুলে বারো চৌদ্দশ থাকি ছাইর পাঁছ আজার টেখাও বিকে। অখন পয়লা বৈশাগর দিন ইলিশা পাইতায় কিলা আর খাইতায় কিলা কও ছাইন। এর লাগি পয়লা বৈশাগর অনুষ্ঠান যেরা হাজাইরা তারা কইলা ভাইছাব বাজারো ইলিশা পাইরামনা। এরলাগি খামারর আর নায় বার্মার রউরে বারিক বারিক করইয়া বিরান করাইলিমু। পানিভাত আর ইলিশা খাবাইবার সময় লাগাইমু উড়াউড়ি। আর খামারর রউ মাছ ইলিশা কইয়া খাবাইলিমু তারারে। কেউ জিকা করলে কইমু অতাউ ইলিশা। বড়তা পাইছিনা। বারিক বারিক অতা আইনছি। অনকুর ইলিশাতনু ঘরান ঘারান নাই। আমরার জাতীয় মাছতো। এরলাগি ছউক মুজইয়া হকলে খাইলাউকা। অতাউ হকলে পাইতানায়। লাগিযার ঝাপটাঝাপটি। বুইচ্ছইননি।
একটা কথা না কইয়া পাররামনা। ইকান হুনিয়া বাক্কা মানুষ বেজার অইবা। আমরা ফুরু থাকতে দেখতাম গাউ গেরামো দুই পক্ষয় মাইর লাগলে লাটি লইয়া এক পক্ষ আরক পক্ষরে ডাক দিতা। হেই পানিভাতখাউরির পুয়া বারইয়া আয়। পানিভাতখাউরির পুয়া একটা গাইল আছিল। অনকুতো আখতাধরি লুকাইয়া হামলা করি মারিধরি ভাগিয়া যাইনগি। ইতা যবর আইব আছিল। মাইর করতে অইলে ডাকিডুকি দেখাইয়া জানাইয়া মাইর করতা। হাজরমাইরও অইতো গাউয়ে গাউয়ে পাড়ায় পাড়ায় এলাকায় এলাকায়। পানিভাত খাইন পুড়ামরিছ দিয়া লগে পিয়াইজ কাটিয়া আরনায় কলা দিয়া মাখাইয়া। রাইত ভাত খাওয়ার বাদে যেগুইন ডেগো থাকে অগুইনতো বেটিনতে পানি দিয়া থইরাকইন। বিয়ানে উঠিয়া অউ পানি ভাত কলা দিয়া আর নায় গুড় দিয়া কেউ কেউ মরিছ পিয়াজ দিয়া খাইয়া যে যার কামো কাজো যাওয়ার একটা রেওয়াজ বেশিরভাগ খেত খামারর কাম যেরা করইন তারারমাঝে দেখা যায়।
ইলিশা পানিভাতরলগে খাইয়া আসল মজা পাওয়ার কথা নায়। ইলিশার আসল মজা পাইতে অইলে গরম ভাতদি খাওয়া লাগবো। পয়লা বৈশাগ খাউকা আরনায় হারা বছরউ খাউকা আমার আপত্তি নাই। পানিভাতরলগে ইলিশামাছ খাইবার বেরাধুন্দা প্রচারনা যেরা করইন হেরা কোন যুক্তিতে করইন ইতা থুড়া কইলে বুঝা যাইতো তারা হাছাউ পানিভাতরলগে ইলিশা খাইয়া ফাল দেইননি না আন্দু ফাল দেইন।
ইতা হুনইয়া আর দেখইয়া দাদায় কইলা ইলিশা না অইয়া হউল মাছ অইতো আছিল আমরার জাতিয় মাছ। বাঙ্গালী হকলর যে বুদ্ধি, হউল মাছর অলা বুদ্ধি। বুদ্ধিয়ে বুদ্ধিয়ে মিল রাখইয়া নাম দিলে ঘাটে কালারুকায় মিলতো। আর হউল মাছে বছরো যতো পনা করে হউলরে জাতিয় মাছ ঘোষনা করিয়া হউলরপনাগুইন মারা বন্ধ করাইতে পারলে হউলে দেশ ভরিযাইতোগি। তবে হউলর পনার বুদ্ধি অইবার আগে তারা দলা অইয়া বিরুত বিরুত করে আর দুরথাকি লাল দেখা যায় খালি ভখভখাইয়া উতরাইরা। দেখইয়া হবাড়ির কালার বাপে মশরির জালদি ঠেলা মারি হকলটি মারইয়া বাড়িত গিয়া বউরে কইন কাঠল বিছিরে বারিক বারিক করইয়া পনাত ছাড়ইয়া ফুকনা ফুকনা করি জলদি রান। পেটো জবর ভুক লাগছে। বউয়ে কইন অউযেনে আবরি পনাগুইন মারলায় ইগুইন বড়ো অইলেনু আস্তা গাউয়ে খাইয়াও ফুড়াইতা পারলাঅনেনা। বিশছাংগা মাছ অইলঅনে। এক অক্ত খাইয়া তুমার কিতা লাভ অইবো, তুমার পেটো কিতা নাগারছি হামাইছেনি। এর লাগিউতো আমরার দেশ খালি তলেদি যার। তুমার লাখান কালার বাপ হকল যদি ঠিক অইযিতা, নিজর স্বার্থ না দেখইয়া যদি দেশর স্বার্থরে বড়ো করি দেখতা তাইলে আমরার নাও ফুকনাবায়দি যাইতো। সিংগাপুর আর মালয়েশিয়া লাখান অইতে আমরার সময় লাগতোনা। হাছা কথা অইলোগি দেশরমাজে কালারবাপ হকলে খালি বিরুত বিরুত কররা। এরারে সাবুদ না করতে পারলে এরা আমরারে খালি তলেদিউ টানবো। উপরেদি উজাইবার দিতোনায়।

লেখক : সভাপতি, সিলেট লেখক ফোরাম

আরো সংবাদ

বিশ্বনাথে কুরুয়া-শ্বাসরাম মিডিল সড়কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

হত্যা মামলার আসামী বিশ্বনাথের সাইফুল ঢাকা থেকে গ্রেফতার

বিশ্বনাথে উপজেলা ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল-সভা

বিশ্বনাথ উপজেলা আইন-শৃংখলা কমিটির মাসিক সভা

এমপি মোকাব্বির খানকে বৃহত্তর আমতৈল এলাকাবাসী’র গণসংবর্ধনা

বিশ্বনাথে ‘বাসিয়া তটে সূর্যোদয়’ স্মারকের মোড়ক উন্মোচন

জেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে বিশ্বানাথে ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল

বিশ্বনাথ পৌরসভার ৮টি ওয়ার্ড বিএনপি’র কমিটি ঘোষণা

বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে’র উচ্চ শিক্ষা বৃত্তি পেলেন ৬৮ শিক্ষার্থী

বিশ্বনাথে শান্তিপূর্ণভাবে দূর্গোৎসব সম্পন্ন

দূর্গোৎসবে নতুন কাপড় পেলেন বিশ্বনাথের ৫০০ হিন্দু-মুসলিম

বিশ্বনাথে মদের চালানসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী আটক

সর্বশেষ সংবাদ

বিশ্বনাথে কুরুয়া-শ্বাসরাম মিডিল সড়কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

হত্যা মামলার আসামী বিশ্বনাথের সাইফুল ঢাকা থেকে গ্রেফতার

বিশ্বনাথে উপজেলা ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল-সভা

বিশ্বনাথ উপজেলা আইন-শৃংখলা কমিটির মাসিক সভা

এমপি মোকাব্বির খানকে বৃহত্তর আমতৈল এলাকাবাসী’র গণসংবর্ধনা

বিশ্বনাথে ‘বাসিয়া তটে সূর্যোদয়’ স্মারকের মোড়ক উন্মোচন

জেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে বিশ্বানাথে ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল

বিশ্বনাথ পৌরসভার ৮টি ওয়ার্ড বিএনপি’র কমিটি ঘোষণা

বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকে’র উচ্চ শিক্ষা বৃত্তি পেলেন ৬৮ শিক্ষার্থী

বিশ্বনাথে শান্তিপূর্ণভাবে দূর্গোৎসব সম্পন্ন

দূর্গোৎসবে নতুন কাপড় পেলেন বিশ্বনাথের ৫০০ হিন্দু-মুসলিম

বিশ্বনাথে মদের চালানসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী আটক