ইতিহাসের মানদন্ডে বন্ধবন্ধু সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ বাঙালি

বিশ্বনাথ নিউজ ২৪ ডট কম :: এপ্রিল - ১০ - ২০১৬ | ৭: ০৩ অপরাহ্ণ | সংবাদটি 2682 বার পঠিত

file (1)এ এইচ এম ফিরুজ আলী :: ২০০৪ সালের ১৪ই এপ্রিল, ১৪১১ বাংলার ১লা বৈশাখ দিনটি ছিল বুধবার। বাঙালি জাতিয়তাবাদ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী পৃথিবীর কুটি কুটি মানুষের জন্য দিনটি ছিল ঐতিহাসিক ভাবে স্বরণীয় এবং বরণীয়। বিশ্বের জন নন্দিত গণমাধ্যম ব্রিটিশ ব্রড কাস্টিং কর্পোরেশন(বিবিসির) শ্রোতা জরিপে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের স্থপতি, আমাদের স্বাধীনতার মহানায়ক, জাতির পিতা বন্ধবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, “সর্ব কালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি ঘোষনা করে। ১৪ ই এপ্রিল এ ঘোষনার একযুগ পুর্ন হবে। ঘোষনাটির পূর্ব মূহুর্ত পর্যন্ত মানুষের উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা, আবেগ আর আগ্রহের কমতি ছিল না। সকলেরই মুখে ছিল একই প্রশ্ন-কে হচ্ছেন সর্ব কালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি? শ্রোতাদের মধ্যে থেকে নানা জনে নানা জনকে সেই ব্যক্তি মনে করেছিলেন। অনেকের মনে প্রশ্ন ছিল, কোন বিবেচনায় এ জরিপ চালানো হচ্ছে। বিবিসি বিষয়টি পরিস্কার করে ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত তেমন কোন সংকেত দেয়নি। জরিপের মধ্যে শ্রোতাদের হৃদয় থেকে রেরিয়ে এসেছেন তিতুমীর, অমত্যসেন, ড. মোহাম্মদ শহীদুল্লা, স্বামী বিবেকানন্দ, বৌদ্ধ ধর্মের প্রবক্তা অতীশ দীপঙ্কর, জগদিস চন্দ্র বসু। জরিপে উল্লেখযোগ্য স্থানে আসতে পারেননি ব্রিটিশ সার্মাজ্যবাদের সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধ করে ফাঁসির মঞ্চে যিনি জীবনের জয়গান গেয়ে ছিলেন সেই মাষ্টার দা সূর্য সেনের নাম। নেতাজী সুভাস চন্দ্র বসু কুটি কুটি বাঙালির মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব স্থান করেছেন। বিবিসির ঘোষনার পর বিশ্ব গনমাধ্যমে যখন বার বার বঙ্গপিতা শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উচ্চারিত হচ্ছিল তখন সমগ্র বিশ্বে বাংলা ভাষাভাষী মানুষের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছিল। বিশ্বাসযোগ্য গণমাধ্যম বিবিসি নতুন প্রজম্মের সামনে প্রমান করেছিল বাঙালির রাজনৈতিক ইতিহাসে এযাবৎ কালের শ্রেষ্ঠতম পুরুষ শেখ মুজিবুর রহমান।
বিবিসি বাংলা সার্ভিস সারা বিশ্বে একটা শ্রোতা জরিপের আহবান জানিয়ে সর্ব্বোচ্চ ৫টি নাম আহবান করে। ২০০৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারী থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত মোট ৪০দিন চিঠি, ই-মেইল এবং ফ্যাক্সযোগে শ্রোতাদের মত জানতে চাওয়া হয়। শ্রোতাদের জরিপে ১৪৩ জন বাঙালির নাম জমা পড়ে এবং এর মধ্যে থেকে ২০ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবস ২৬ শে মার্চ সকালের অধিবেশনে ২০তম নামটি ঘোষনা করা হয় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর। এক এক করে নাম ঘোষনার পর ১২ এপ্রিল তৃতীয় নামটি ঘোষনা করা হয় বিদ্রোহী কাজী নজরুল ইসলামের, আর ১৩ এপ্রিল সকালের অধিবেশনে দ্বিতীয় নামটি ঘোষনা করা হয় বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের। তার পর আর বুঝতে কারও বাকী থাকে না যে, “সর্ব কালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালির এক নম্বর আসনটি কার হবে? এবার সেই মহেন্দ্র ক্ষন, ১৪ এপ্রিল বুধবার ১লা বৈশাখ বিবিসি প্রভাতি অনুষ্ঠানে বাঙালির কাংখিত প্রাণ পুরুষ ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ মহা নায়ক আমাদের রাজনৈতিক কবি বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমানের নামটি ঘোষনা করা হয়। বিবিসি বাংলা বিভাগের প্রধান সাব্বির মুস্তফা জানিয়ে ছিলেন বাংলাদেশের নানা বয়সের ব্যাপক সংখ্যক মানুষ, পশ্চিম বঙ্গ, ত্রিপুরা সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বাংলা ভাষাভাষী মানুষ এ জরিপে অংশ গ্রহন করেছিলেন। শ্রোতাদের মতামতে বঙ্গবন্ধু বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চেয়ে দ্বিগুণ পয়েণ্ট পেয়ে শ্রেষ্ঠ বাঙালির শীর্ষ স্থান অলংকিত করেন। এই ঘোষার পর ঐ দিন লন্ডন, নিউয়র্ক, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাঙালি নন বাঙালি আনন্দে মেতে উঠেন। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ রাজধানীর ধানমন্ডী কার্যালয় থেকে আনন্দ মিছিল বের করে।
Firuz Biswanathবিবিসির জরিপে শেখ মুজিবুর রহমান সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি নির্বাচিত হওয়ার পর রাজনৈতিক ভাষ্যকার সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর কাছে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে, তিনি বলেছিলেন, “আমি তাঁর নেতৃত্বের তিনটি বড় গুণ দেখি, প্রথমত তিনি অন্তত সাহসী ছিলেন, দৃঢ় চেতা ছিলেন এবং আপোষহীন ছিলেন। দ্বিতীয় যে বৈশিষ্ট্য দেখেছি তাঁর নেতৃত্বে সেটা হলো এই যে, তিনি পাকিস্তান রাষ্ট্রে প্রধান দ্বন্ধ কি সেটাকে খুব সঠিক ভাবে চিহ্নিত করেছিলেন। অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই তিনি এটা জেনে নিয়ে ছিলেন। তৃতীয়টা হচ্ছে, ব্যক্তি হিসেবে তাঁর মধ্যে অসাধারণ গুণ ছিল। তাঁর আকর্ষনীয় শক্তি ছিল, যাকে ক্যারিশমা বলে। তিনি জনগনকে বুঝতেন, জনগের সঙ্গে মিশতে পারতেন, তাদের ভাষা জানতেন, তার মধ্যে বীরত্ব ছিল এবং নেতৃত্ব দেয়ার ক্ষমতা ছিল। এ সব কিছুর সমন্ব^য় ঘটেছিল যা অসাধারণ।
ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বঙ্গবন্ধুর জীবন সম্পর্কে বলতে গিয়ে মন্তব্য করেন, ১৯৯৪ সালে “দি আটলান্টিক মান্থলি পত্রিকায় একটা গবেষনামূলক লেখায়-গ্যারি, উইলস নামে একজন গবেষক একটি প্রবন্ধে লিখেছিলেন, “হোয়াইট মেক্স গুড লিডার” সেখান থেকে সামান্য উদ্বৃতি দিয়ে শুরু করছি “লিডার হেভ এ ভিশন অলওয়েজ রেসপন্স টু ইট। লিডার অর্গানাইজ দ্যা প্লান” এই উদ্বৃতি থেকে স্পষ্ট যে, নেতার অন্তত তিনটি বিষয় থাকতে হবে-তিনি একদিকে নেতা, তাঁর অনুসারি আছে, এবং নেতা তাঁর অনুসারিদের নিয়ে একটি বিশেষ লক্ষের দিকে এগুবেন। ৫০ দশক থেকে মোটামোটি ভাবেই বঙ্গবন্ধু প্রথম বলেছিলেন যে, পাকিস্তান কন্সটিটিউশন এসেম্বলিতে ইষ্ট পাকিস্তান বলা যাবে না, পূর্ব বাংলা বলতে হবে। বাংলাদেশের ধারনা তাঁর মধ্যে স্পষ্ট ছিল। আমরা ৪৭ থেকে ৭১ এ সময়টাতে অনেক নেতা পেয়েছি, যাদের অবদান কম নয়, কিন্তু তাদেরকে দাড়িয়ে জনগনের মুখপাত্র হয়ে ওঠা, জনগনের ভাবনা, চেতনা, অভীষ্ট লক্ষ্যে স্বপ্ন সব কিছুই বঙ্গবন্ধু ধারণা করতে পেরে ছিলেন।
বিবিসি ওয়াল্ড সার্ভিস এ রকম এক জরিপ চালিয়েছিল সর্বশ্রেষ্ট ব্রিটেন কে? এ জরিপে ২১. ৪% ভোট পেয়ে স্যার আইজ্যাক নিউটন প্রথম, ১৭% ভোট পেয়ে স্যার উইনষ্টন চার্চিল দ্বিতীয় এবং ১৩% ভোট প্রিন্সেস ডায়না তৃতীয় এবং ৪র্থ স্থানে ছিলেন শেক্সপিয়ার। ২০০৩ সালের আগস্ট মাসের বিবিসির হোম সার্ভিসে একই ব্যক্তিত্বের জরিপে প্রথম হন ব্রিটন উইনষ্টন চার্চিল এবং শেক্সপিয়ার ছিলেন ৩য় স্থানে। ২০০২ সালের নভেম্বর মাসের জরিপে প্রায় ১০ লক্ষ শ্রেুাতা অংশ গ্রহন করেন। তাতে চার্চিল প্রথম, শেক্সপিয়ার ৫ম স্থানে, রানী প্রথম এলিজাবেথ অষ্টম স্থান পান। সর্বশ্রেষ্ট আরবীয় জরিপ বিবিসি চালিয়ে প্রথম স্থানে আসেন ওসামা বিন লাদেন। দ্বিতীয় স্থানে সাদ্দাম হোসেন। ২০০৩ সালে জেড. ডি. এফ জার্মানিতে এক জরিপ চালায় শ্রেষ্ট জার্মানকে নির্বাচনের জন্য। এতে ৩০ লক্ষ জার্মান অংশ নিলে প্রথম স্থান লাভ করেন প্রথম চ্যান্সেলর কনরাড আডেনয়ার, ২য় স্থান লাভ করেন কার্ল মার্কস, আলবাট আইনষ্টাইন হন তৃতীয় এবং ব্যোয়েটে ৪র্থ স্থান দখল করেন।
সর্ব শ্রেষ্ট বাঙালির আসনে বিবিসির শ্রোতামন্ডলীর নির্বাচন, দেশ স্বাধীন হওয়ার একটি সত্যের সঙ্গে তারা একমত হয়েছেন। বঙ্গবন্ধু সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি নির্বাচিত হওয়ার পেছনে রয়েছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক আন্দোলন সংগ্রাম, অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং সর্ব শেষ মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বের অবদান। পাকিস্তান সরকারের ২৪ বছর শাসনামলের ১৮ বার কারাগারে বন্দি ছিলেন। তাঁর এই বন্দিত্বের সময়সীমা ১২ বছরের অধিক। আর বন্দিত্বের সূত্রপাত হয় ছাত্রাবস্তা থেকেই। ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা প্রতিষ্ঠার দাবীতে প্রথম যে সব ছাত্রনেতা গ্রেফতার হন তার মধ্যে ছিলেন বঙ্গবন্ধু অন্যতম। পাকিস্তানের প্রধান মন্ত্রী খাজা নাজিম উদ্দিন বাধ্য হয়ে ছাত্রনেতাদের সাথে ১১ দফা চুক্তি করেন। সেই চুক্তিতে জেল থেকে স্বাক্ষর করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। চুক্তিমোতাবেক সকল রাজবন্দীদের মুক্তি দেওয়ার কথা। সে সময় জেলে থাকা কমিউনিস্ট নেতা রমেশ দাস গুপ্ত ও ধরনী রায়কে মুক্তি না দিয়ে শেখ মুজিবকে মুক্তি দিতে চাইলে তিনি রাজি হননি। পরে নাজিম উদ্দিন বঙ্গবন্ধুর শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হয়।
সাবেক বিচারপতি কে এম সুবহান তাঁর এক নিবন্ধে লিখেছেন, বিবিসির জরিপের উপর বাংলাদেশের জনগন নির্ভর করেনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বলতে। বন্ধবন্ধুকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বলতে কোন এক রাজনৈতিক দল ভীষন ক্ষুদ্ধ। তিনি বলেন যে, জননেতা দেশ স্বাধীন করার জন্য দুবার প্রান দন্ডের অপরাধে বিচারের সম্মুখিন, যে জননেতা পাকিস্তান সরকার প্রধানের উপস্থিতিতে তাঁর ঘোষিত স্বাধীন রাষ্ট্র পরিচালনা করেন। সেই জননেতা ইতিহাসের এক অনন্য সাধারণ নায়ক। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সোনার বাংলাকে ভাল বাসতেন। তিনি স্বাধীনতার কামনায় অনেক কবিতা লিখেছেন। তিনি ভারতের স্বাধীনতার কথা বলেছেন, তবে দেখে যেতে পারেননি। তাঁর মেধা-মনন-প্রতিভার অসামান্যতার চাপ তিনি শুধু ভারতেই নয় সারা বিশ্বে। বাঙালি জাতিকে বিশ্ব দরবারে পরিচিত করিয়ে দিয়েছেন। কবির সোনার বাংলা স্বাধীন সার্বভৌম হোক-তা তিনি চেয়ে ছিলেন। তাঁর এই চাওয়াকে বাস্তবে পরিনত করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। কবিগুরুর সোনার বাংলা স্বাধীন করতে বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ তিতিক্ষা আর বজ্র কন্ঠের কথা বিশ্ববাসি জানেন। তিনি ইতিহাসের নিয়মেই চির স্বরণীয় হয়ে থাকবেন কবিগুরুর মতন। বঙ্গবন্ধু কবিগুরুর শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করেই তাঁর লেখা “আমার সোনার বাংলাকে জাতীয় সংগীত করেছেন। জাতি সঙ্গে বাংলায় ভাষন দিয়েছন। বাংলা ভাষার জন্য জেল কেটেছেন। এক ভাষনে বঙ্গবন্ধু কবিগুরুর “সাত কুটি সন্তানেরে হে মুগ্ধ জননী, রেখেছ বাঙালি করে মানুষ করনি”। এই লাইন দুইটি উচ্চারন করেন। রবীন্দ্রনাথ নিশ্চই স্বাধীন মানষের কথা বলেছেন। কারণ স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়রে, কে বাঁচিতে চায়। বঙ্গবন্ধু সেই বাঙালির জন্য একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন।
বিবিসির জরিপে এক ভাষ্যে বলা হয়, “বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধ শুরুর আগ পর্যন্ত সংগ্রামী মানুষের নির্দেশনার স্থল ছিল শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবন, ঢাকার ধানমন্ডির ৩২নং বাড়িটি। ১৯৭১ সালের ২৫ মে মার্চ রাতে পাকিস্তান বাহিনী এ বাড়ীতে থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। আর স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি থাকাকালীণ ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট সেই বাড়ীতেই সেনাবাহিনীর একদল সদস্যের হাতে সপরিবারে নিহত হন বঙ্গবন্ধু। ফলে সেই বাড়ীটি এখন হয়েছে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি জাদুঘর। শেখ মুজিব ঘাতকের বুলেটের গুলিতে যে সিঁড়িতে লুঠিয়ে পড়েছিলেন সেখানে রক্তের দাগ এখনও সংরক্ষন করা হয়েছে”।
বাঙালির ইতিহাসে একযুগসন্ধিক্ষনে আর্বিভূত হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পরাধীনতার গ্লানিকে করাস্ত করে হাজার বছর পরে বাঙালি জাতির নতুন জন্ম দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। এজন্যই বঙ্গবন্ধু ইতিহাসের মহা নায়ক। ইতিহাস মহা নায়ক সৃষ্টি করে না। মহা নায়কই ইতিহাসের গতিপথ নিরূপন করেন। রাজনৈতিক অস্থিরতা আর ইতিহাস বিকৃতির সময়ে হতাশ হাওয়ার মাঝে বিবিসির জরিপ আমাদের নতুন করে আস্তাশীল হতে শেখায়। আস্তা এ কারনে যে, ইতিহাসের মানদন্ড শেষ পর্যন্ত শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষেই। তাই জাতির বৃহত্তর স্বার্থে ইতিহাসের অমোঘ নিয়মেই কুর্নিশ করতে হবে বঙ্গবন্ধু কে। -লেখক কলামিস্ট

আরো সংবাদ

বিশ্বনাথ পৌর আওয়ামী লীগের স্বাগত মিছিল

তাক লাগালেন নুনু মিয়া!

৩৯ কোটি টাকা বরাদ্দ পেল বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদ : চেয়ারম্যানের প্রেসব্রিফিং

বিশ্বনাথ-খাজাঞ্চী-কামালবাজার সড়ক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

বিশ্বনাথে ইউপি সদস্যের পক্ষ হতে শীতের কম্বল পেলেন ৩৫০ জন মানুষ

বিশ্বনাথ উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আতিক

বিশ্বনাথে নবগঠিত পৌর আ’লীগের স্বাগত মিছিল রোববার

বিশ্বনাথে বিজয় দিবস ও শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস উদযাপনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা

লার্ণিং পয়েন্টের ১৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

ছাতক এডুকেশন ট্রাস্টের নতুন কমিটি গঠন

দশঘর ইউনিয়ন প্রগতি ট্রাস্ট ইউকের নতুন কমিটির অভিষেক সম্পন্ন

রামসুন্দর স্কুলে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন শুরু

সর্বশেষ সংবাদ

বিশ্বনাথ পৌর আওয়ামী লীগের স্বাগত মিছিল

তাক লাগালেন নুনু মিয়া!

৩৯ কোটি টাকা বরাদ্দ পেল বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদ : চেয়ারম্যানের প্রেসব্রিফিং

বিশ্বনাথ-খাজাঞ্চী-কামালবাজার সড়ক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

বিশ্বনাথে ইউপি সদস্যের পক্ষ হতে শীতের কম্বল পেলেন ৩৫০ জন মানুষ

বিশ্বনাথ উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আতিক

বিশ্বনাথে নবগঠিত পৌর আ’লীগের স্বাগত মিছিল রোববার

বিশ্বনাথে বিজয় দিবস ও শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস উদযাপনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা

লার্ণিং পয়েন্টের ১৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

ছাতক এডুকেশন ট্রাস্টের নতুন কমিটি গঠন

দশঘর ইউনিয়ন প্রগতি ট্রাস্ট ইউকের নতুন কমিটির অভিষেক সম্পন্ন

রামসুন্দর স্কুলে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন শুরু