বৃটিশ ভিসা বিড়ম্বনায় বাংলাদেশ

বিশ্বনাথ নিউজ ২৪ ডট কম :: ফেব্রুয়ারি - ১৫ - ২০১৬ | ১: ১২ পূর্বাহ্ণ | সংবাদটি 868 বার পঠিত

FB_IMG_1448749148581-1-1অধ্যাপক রায়হান আহমেদ তপাদার :: আজ থেকে দুই শত ছয় বছর পূর্বে প্রথম বাঙালি তথা সিলেটের অধিবাসী জনাব সৈয়দ আলী আঠারোশ নয় সালে যুক্ত রাজ্যে পদার্পণের মাধ্যমে যেখানে বাংলাদেশী জনগোষ্ঠীর অভিবাসনের যে গোড়াপত্তন হয়েছিল,তা আজ দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় বর্তমানে যুক্তরাজ্যে প্রায় সাত লাখ পঞ্চাশ হাজারেরও বেশী বাংলাদেশী বসবাসরত
আছেন।কিন্তু এমন অপমান জনক ঘটনা কোনোদিন ঘটেনি।তাছাড়া ঊনিশ শ সাতচল্লিশ সালের পর থেকে এদেশের মানুষ ঢাকায় বৃটিশ হাইকমিশন থেকে ভিসা লাভ করে আসছে।বাংলাদেশ একটি স্বাধীন
সার্বভৌম রাষ্ট্র।দুঃখ জনক হলেও সত্য যে,স্বাধীনতার তেতাল্লিশ বছর পর স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য বৃটিশ ভিসা প্রসেসিংকার্যক্রম প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লী থেকে হচ্ছে ভাবতেও অবাক লাগে।এটি নিঃসন্দেহে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র এবংজনগণের জন্য নিতান্তই অবমাননাকর এবং অসম্মানজনক।পদক্ষেপ।
বাংলাদেশীদের জন্য বৃটেনের ভিসা প্রক্রিয়া দিল্লীতে স্থানান্তরকে স্বাধীন বাংলা দেশের প্রতি চরম অবমাননাকর বলে আমি মনে করি।আমার মনে হয় শুধু আমি কেন এর সাথে সবাই একমত পোষণ করবেন বলে আমার বিশ্বাস।তাছাড়া এর সাথে একমত পোষণ করেছেন বৃটিশ হোম এফেয়ারস সিলেট কোমিটির চেয়ার কিম ভাজ এম পি।তিনি আরও বলেছেন দিল্লিতে নয় বরংঢাকাতেই হতে হবে বাংলাদেশীদের জন্য বৃটিশ ভিসার সকল প্রসেসিং।বৃটিশ হাউজ অফ কোমোনস এ সরকারের এই সিদ্ধান্তের কঠুর প্রতিবাদ জানানোর পর এবার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বাংলাদেশীদের নিয়ে ক্যামপেইন
চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দিয়েছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভুত এই বৃটিশ রাজনীতিবিদ।কিন্তু কেন জানি কে বা কাদের প্ররোচনায় স্থবির হয়ে গেল এসব সিদ্ধান্ত।আমার মনে হয় এই অবমাননার আঘাত আজ সমস্ত জাতিকে ভাবিয়ে তুলেছে।কে বা কাদের অপরাধে আজ সারা জাতিকে এটার মাশুল গুনতে হচ্ছে।তা আমার ও আমাদের বোধগম্য নয়।তবে আমাদের খুবই দুঃখ লাগে এ ব্যাপারে রাজনীতিবিদদের উললেখযোগ্য কোন বক্তব্য বা পদক্ষেপ চোখে পড়েনি।এমন কি সরকারের কাছ থেকেও এ ব্যাপারে চোখে পড়ার মতো কোন পদক্ষেপ আসেনি বা দেখিনি।তাহলে কি আমাদের অবহেলা আর অব্যবস্থাপনার অভাবে সারা জাতিকে নীরবে বয়ে যাওয়া এই কলঙ্ক সইতে হচ্ছে।
বাংলাদেশ পিন্ডির গোলামি থেকে স্বাধীন হয়ে বেরিয়ে এসেছে অন্যের গোলামি করার জন্য নয়।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার তেতাল্লিশ টি বছর হয়ে গেল কিন্তু আমাদের মধ্যে কথা ও কাজের মিল না থাকায় প্রায় প্রতিটা ক্ষেত্রে আমরা চাওয়া পাওয়ার সাফল্যের পর্যায় পৌঁছাতে পারিনি।এটা আমাদের দেশের রাজনীতিবিদগণ এবং দেশ পরিচালনায় যাঁরা থাকেন তাঁদেরই ব্যর্থতা,তার সাথে রাজনৈতিক অস্থিরাতা।কথায় আছে যে যায় লঙ্কায় সেই রাবণের ভূমিকা পালন করে,আমাদের দেশেও এমনটি হচ্ছে যারাই ক্ষমতায় যান তাঁরাই মনে করেন কীভাবে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করবেন।দেশের মানুষের কী হচ্ছে,তাঁরা কী চাচ্ছে,এমন কি দেশ কোথায় যাচ্ছে কী হারাচ্ছে আর কীবা পাচ্ছে এসবের চিন্তা তাঁদের মাথায় থাকেনা বলেই দেশটার আজ এই অবস্থা।তাঁদের মধ্যে যদি দেশপ্রেম ও দেশের প্রতি ভালোবাসা এবং আন্তরিকতা থাকতো তবে দেশের মৌলিক অধিকার বা মৌলিক বিষয়ে তাঁরা একত্রে কাজ করতেন।কিন্তু আমরা এতই দুর্ভাগা,এসব বিষয়ে আমরা আমাদের রাজনীতি বিদদের কোন উল্খেযোগ্য পদক্ষেপ দেখতে পাইনি।তার জলন্ত উদাহরণ ষোলো কোটি মানুষের কাঙ্ক্ষিত বৃটিশ হাইকমিশন কেন ইন্ডিয়া চলে গেল তার সঠিক কোন বক্তব্য বা পদক্ষেপ চোখে দেখেনি স্বাধীন বাংলার মানুষ।অথচ এই বৃটেন প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেনস বাংলা দেশের অর্থ নৈতিক ক্ষেত্রে বিরাট অংশের ভূমিকা বহন করে।তাই আমার মতে এ ব্যাপারে দেশের সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোকে একত্রে জুরালো পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল বলে আমি মনে করি।তা না হলে আজ তেতাল্লিশ বছর পর জাতীয় ঐক্য মতের বিপরীতে মানুষ কি দেখছে এখনও বাংলাদেশে স্বাধীনতার পক্ষ বিপক্ষ বলে দেশ দুভাগে বিভক্ত।আর যার সুযোগ নিচ্ছে অন্যান্য দেশ।তার সাথে রাজনৈতিক অস্থিরতাও একটি বিরাট কারণ বলে আমি মনে করি।
এদিকে বৃটেনে লেবার সরকার ক্ষমতায় থাকা কালে কীথ ভাজ এম পি সিলেটে বৃটিশ হাইকমিশনের আরও একটি ভিসা প্রসেসিং সেন্টার চালু করার চেষ্টা করে ছিলেন এবং তিনি সফলও হয়েছিলেন।
একইভাবে তিনি সে সময় সিলেট সফরে গিয়ে বলছিলেন,ভিসা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়ে সহযোগিতা পেতে ইমিগ্রেশন এডভাইজারী সার্ভিস নামের একটি প্রতিষ্ঠান উদ্বোধনও করেছিলেন।কিন্তু কেন জানি বাঙালিদের কপালে তা সইলো না চলে গেল দিল্লীতে।এত প্রয়োজনিয় ও দেশের মঙ্গলের সাথে জড়িত এমন
দরকারি একটি বিষয় হাতছাড়া হয়ে গেল।আর আমরা নীরবে ছেয়ে ছেয়ে দেখছি আর প্রচন্ড বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছি আমরা কিছু কী করার প্রয়োজন ছিল না বা কিছু একটা করাটা কী উচিত্ না।এর জবাব আপনাদের কাছেই থাকলো।দুই হাজার চৌদ সালের সাত সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকায় বৃটিশ হাইকমিশনের সব ধরনের ভিসা প্রসেসিং বন্ধ করে দেয় বৃটিশ সরকার।এমন কি এক অক্টোবর থেকে জমা পড়া ভিসা সংক্রান্ত আবেদনের কোন সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন না ঢাকায় বৃটিশ হাইকমিশন।কিন্তু তখনও আমাদের সরকার ও রাজনীতি বিদদের টনক নড়েনি।এমন কি এখনও কোন পদক্ষেপ দেখিনি।মনে হচ্ছে এটা নিয়ে তাঁদের কোন মাথা ব্যথা নেই,সব দায যেন সাধারণ মানুষের,কারণ অরাইতো বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন।
এই বিড়ম্বনা থেকে বেরিয়ে আশার চেষ্টা করা সকলের উচিত বলে আমি মনে করি।
বৃটিশ সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সিলেটে ব্যাপক বিক্ষুভ ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।এ নিয়ে যুক্তরাজ্য বৃটিশ বাংলাদেশীরাও সোচ্চার ভুমিকা পালন করেছেন।বৃটেনের কারী শিল্পের সাথে যুক্ত নেতৃত্বরাও এ নিয়ে লবিং করে যাচ্ছেন এমনকী তাদের উদদোগে সাক্ষর অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।তাঁদের এ উদদোগকে দেশবাসী অভিনন্দন জানিয়েছেন।এমনকী তাঁদের সাথে কীথ ভাজ এম পি ও নাকি পার্লা মেন্টারী সিলেক্ট কোমিটির সভায় হোম সেক্রেটারিী থেরেসা মে’র কাছে সরকারের সিদ্ধান্ত পূর্ণবিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।তিনি আরও বলেছেন বৃটেনে এশিয়ান কোমিউনিটির মধ্যে বাংলাদেশীরা বহির্বিশ্বে একটি শক্তিশালী জনশক্তির ভূমিকা পালন করছে এবংবৃটেনেও তাঁদের উপস্থিতি সম্মান জনক অবস্থানে রয়েছে।কিন্তু দুঃখ জনক হলেও সত্য এ ব্যাপারে আমাদের সরকার এবং রাজনীতিবিদদের উল্খেযোগ্য কোনো পদক্ষেপ বাংলাদেশের মানুষ দেখেনি।আমার মতে তাঁরাও যদি এতে অংশ গ্রহণ করতেন তবে কতই না ভালো হতো।তাছাড়া তাঁদের এই নিষ্কৃও দর্শকের ভূমিকা আরেকবার প্রমান করলো তাঁরা কতোটা দেশপ্রেমিক।এদিকে বৃটেনের বর্তমান সরকার এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে কখনও পাশ কাটিয়ে যেতে পারবে না বলে আমার বিশ্বাস।যদি আমরা দল মত নির্বিষেশে একত্রে কাজ করতে পারি।তাছাড়া বৃটিশ সরকারের সাথে বাংলাদেশের  দীর্ঘদিনের একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বাঁধন আছে।তাই এটাকে আরো শক্তিশালী করা উচিত বলে আমি মনে করি।তাছাড়া বৃটেনে বাংলাদেশীরা যেভাবে সকল ক্ষেত্রে উন্নতি সাধন করেছেন এবং করে যাচ্ছেন যার যথাযথ মূল্যাযন পাওয়ার দাবি রাখে বৃটিশ সরকারের কাছে।আর তাইতো বৃটিশ সরকারের প্রতি আমার বিশেষ অনুরোধ অবিলম্বে ভারত থেকে বৃটিশ ভিসা প্রসেসিং কার্যক্রম বাংলাদেশে পূর্ণবহাল সহ সিলেটের ভিসা প্রসেসিং অফিসটাও পুনরায় চালু করার জোর দাবি জানাচ্ছি।
এদিকে বাংলাদেশের বৃটিশ হাইকমিশন স্থানান্তরিত হওয়ার ফলে প্রায় পাঁচশত সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তথ্য চলে যাচ্ছে ভারতে।এতে করে বাংলাদেশ একদিন বিরাট সমস্যার সম্মুখীন হবে।তাই আমাদের বিশেষ অনুরোধ থাকবে বাংলা দেশের গর্ব তিন এম পি এ ব্যাপারে সচেষ্ট ভূমিকা পালন করবেন।এ ব্যাপারে আমাদের দায়িত্ব হবে আমাদের প্রাণের গর্ব বাঙ্গালী তিন এম পি কন্যাকে সচেতন করা।এক জরিপে দেখা গেছে বৃটিশ হাইকমিশন স্থানান্তরে বাংলাদেশীয়দের বৃটিশ ভিসা প্রাপ্তদের সংখ্যা দুই হাজার তের সালে শতকরা একাওর,দুই হাজার চৌদ সালে শতকরা সাতষট্টি এবংদুই হাজার পনের সালে মাত্র সতের শতাংশ।
এবার চিন্তা করুন আমরা কথায় যাচ্ছি।আর এইতো আমাদের দেশ উন্নয়নের বন্নায় ভেসে যাচ্ছে।দেশের উন্নয়নের বড় একটা অংশ ইউ কে প্রবাসীদের কাছ থেকে আসে এটা নিশ্চিত বলা যায়।তবে কেন সরকার এবংরাজনৈতিক দলগুলোর
এত উদাসীনতা তা আমার বোধগম্যে আসে না।তাই আমার আকুল আবেদন এখনও সময় শেষ হয়ে যায়নি তাই আসুন আমরা সবাই মিলে আমাদের দেশের সার্থে এবংদেশের জনগণের সার্থে এবং
অর্থনীতির চাকা সচল রাখার সার্থে এর বিরুদ্ধে শান্তি পূর্ণ প্রতিবাদ গড়ে তুলি।
অন্যদিকে বৃটিশ হাইকমিশন ঢাকা থেকে ভারতে যাওয়ার ফলে বৃটিশ ভিসা পেথে বাংলাদেশীয়দের সীমাহীন ভোগান্তি আর বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন।বৃটিশ ভিসা দরখাস্তকারী অনেকে প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন কিংবা সময় মতো ভিসা পান নি,বিশেষ করে উচ্চ শিক্ষার্থে বৃটেনে আসতে চান এমন শিক্ষার্থীরা ধারুন ভাবে বিতাড়িত ও বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন যা আমাদের শিক্ষানীতিতেও আঘাত আনছে।অথচ ভারতীয় শিক্ষার্থীরা এমন কোন বাঁধার সম্মুখীন হচ্ছে না।এ ব্যাপারে সরকারের বিশেষ নজর দেওয়া উচিত নয় কী,তা আপনাদের বিবেচনায় রেখে গেলাম।তাছাডা ভিসা প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন এমন কি ভি আই পি থেকে শুরু করে দেশের মন্ত্রী মিনিস্টার,এম পি এবংখ্যাতিমান সাংবাদিক,লেখক,
কবি,বিজ্ঞানী,সাহিত্যিক,
দার্শনিক এবংচিত্র জগতের তারোকারাও এই বিড়ম্বনার শিকার।তাহলে আর কি বা বাকী থাকলো।তাইতো আমার মন বলছে এখনই সময় আমাদের সবাইকে একত্রিত হয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।
আমাদের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দেখা গেছে দুই হাজার তের সালে ঢাকায় বৃটিশ হাইকমিশনে ত্রিশ হাজার চারশত আঠার জন আবেদন করেন এর মধ্যে সাধারণ কেটাগরিতে পনেরো হাজার দইশত নববই জনকে,সাত হাজার ছয়শত উনত্রিশ জনকে পারিবারিক কেটাগরিতে এবংদুই হাজার ছয় শত আটাশ জনকে শিক্ষার্থী কেটাগরিতে ভিসা প্রদান করা হয়েছিল।জানেন ঐ বছর মোট ভিসা প্রদান করা হয়েছিল তেইশ হাজার একশত সাতাশি জনকে।অর্থাত ঐ বছর ভিসা আবেদনকারীর একাত্তর শতাংশ ভিসা পেয়েছিলেন।দুই হাজার চৌদ সালে প্রায় বত্রিশ হাজার আবেদন কারীর মধ্যে প্রায় একুশ হাজার ভিসা পেয়েছিলেন।অর্থাত্ ঐ বছর ভিসা পেয়েছিলেন সাতশষ্টি শতাংশ।যা বিগত বছরের তুলনায় মাএ চার শতাংশ কম।কিন্তু ঐ বছরের এক অক্টোবর থেকে ভিসা সেন্টার ভারতের স্থানান্তর করা হয়।যার ফলে দুই হাজার পনের সালে প্রায় ঊনিশ হাজার একশত আবেদন কারীর মধ্যে নয় হাজার আবেদন কারী ভিসা পেয়েছেন।যার শতকরা হিসাবে মাএ সতের ভাগ।বুঝতে পারলেন কিছু।অর্থাত্ ভিসা প্রসেসিং ঢাকায় থাকা কালে প্রায় ঊনসত্তর শতাংশ ভিসা পেয়ে ছিলেন।আর ভারতের দিল্লীতে যাওয়ার পর আমাদের বাংলাদেশীরা মাএ সতের শতাংশ।তাহলে কি দাড়াল,অর্থাত্ বৃটেনে আসতে ভিসা পাওয়ার সংখ্যা পঞ্চাশ শতাংশ নেমে এসেছে।এখানেই শেষ নয় দিনের পর দিন আরও কমে আসছে।অন্য এক হিসাবে দেখাগেছে গত এগারো মাসে কত আবেদন কারীর ভিসা আবেদন প্রত্যাখান হয়েছে তার সঠিক পরিসংখ্যান না পাওয়া গেলেও অনুসন্ধানে জানা গেছে যে,বৃটিশ ভিসা আবেদন কারীর প্রায় আশি শতাংশের বেশি প্রত্যাখ্যাত হচ্ছেন।অর্থাত্ কোনো যুক্তিযুক্ত বিচার বিস্লেশণ ছাড়াই বৃটিশ ভিসা রিফিউজ করা হচ্ছে।দেখেন আমরা কতটা দুর্ভাগা হয়ে পড়েছি।আমাদের নিজেদের স্বাধীন দেশে বাস করেও আজ আমরা অন্য দেশে যেতে হয় ভিসা আনতে।আপনারাই বলুন এটা কী সমস্ত জাতির জন্য ভিসা বিড়ম্বনা নয়।
ঢাকা থেকে ভারতে বৃটিশ ভিসা প্রসেসিং কার্যক্রম হওয়ার প্রেক্ষিতে রাষ্ট্র,সরকার,দেশের রাজনৈতিক দল কিংবা সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে উল্খেযোগ্য কোনো প্রতিক্রিয়া আমরা প্রত্যক্ষ করিনি।কিন্তু আমার জিজ্ঞাসা হচ্ছে এ ব্যাপারে কি আমরা কোনো কার্যকরি পদক্ষেপ নিতে পারি না।কারণ এটা আমাদের দেশ ও জাতির আত্মমর্যাদা এবংজনভোগান্তি
সংশ্লিষ্ট এ বিষয়টির প্রতি সবিশেষ গুরুত্বারোপ করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমাদের সরকার ও রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কুটনৈতিক পর্যায়ে প্রচেষ্টার মাধ্যমে এর সুরাহা করা একান্ত প্রয়োজন বলে দেশের জনগণ এবংবৃটেন প্রবাসীদের একান্ত দাবি।
সবশেষে আমি বৃটেন প্রবাসী সকল রাজনৈতিক নেতৃত্ব,তিন বৃটিশ এম পি, কারী শিল্পে সংশ্লিষ্ট নেতৃত্ব,সাংবাদিক,
শিক্ষক/শিক্ষিকা,বারার কাউন্সিলর ও কমিশনার,সকল প্রকার কর্মকর্তা/কর্মচারি, সকল প্রকার মিডিয়া, আলিম/ উলামা,বৃটেনের সুশীল সমাজ,ব্যবসায়ী নেতৃত্ব,সকল এলাকার ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন,এডুকেশন ট্রাসট এবংসকল ধরনের সংঘটন ও সকল সাধারণ নাগরিক কে একত্রে সংঘটিত করে নাম টিকনাসহ
সাক্ষর কালেকশন করে দেশে ও বিদেশে লিখিত প্রতিবাদ করতে পারলে অবশ্যুই বৃটিশ হাইকমিশন বাংলাদেশে ফেরত আসবে বলে আমার বিশ্বাস।তবে আমার চেয়ে অনেক অনেক জ্ঞানী গুণীজন আছেন,এ ব্যাপারে আপনাদের সহযোগিতা ও পরামর্শে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বিদায় নিলাম।ধন্যবাদ।সবাই ভাল থাকবেন।

আরো সংবাদ

বিশ্বনাথে অজ্ঞাতনামা নারীকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সেই তবারক গ্রেফতার

বিশ্বনাথ এইট ইউকে’র অর্থায়নে গোস্ত, নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

সিলেট চেম্বারস অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ’র পক্ষ থেকে বিশ্বনাথে মাস্ক বিতরণ

যেভাবে ড্রাইভিং ছেড়ে ভূয়া সাংবাদিকতার পথ বেছে নেয় আনোয়ার

সিলেটে আরো ১১ মৃত্যুর দিনে শনাক্ত ৩৩৯

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ হতে বিশ্বনাথে ২ শতাধিক পরিবারের মধ্যে অর্থ বিতরণ

করোনার সময়েও দেশের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড থেমে নেই -শফিক চৌধুরী

লাইভে অপপ্রচার, বিশ্বনাথে ভূয়া সাংবাদিকের বিরুদ্ধে জিডি

‘মনে তোমার অনেক রঙ’ ও ‘আমার শাস্থি চাই’ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

বিশ্বনাথ পৌর শহরে দিনদুপুরে দুটি বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি

বিশ্বনাথে ২৩ বোতল মদসহ মাদক কারবারি আটক

অনন্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বিশ্বনাথের ‘রাজ-রাজেশ্বরী মন্দির’

সর্বশেষ সংবাদ

বিশ্বনাথে অজ্ঞাতনামা নারীকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সেই তবারক গ্রেফতার

বিশ্বনাথ এইট ইউকে’র অর্থায়নে গোস্ত, নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

সিলেট চেম্বারস অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ’র পক্ষ থেকে বিশ্বনাথে মাস্ক বিতরণ

যেভাবে ড্রাইভিং ছেড়ে ভূয়া সাংবাদিকতার পথ বেছে নেয় আনোয়ার

সিলেটে আরো ১১ মৃত্যুর দিনে শনাক্ত ৩৩৯

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ হতে বিশ্বনাথে ২ শতাধিক পরিবারের মধ্যে অর্থ বিতরণ

করোনার সময়েও দেশের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড থেমে নেই -শফিক চৌধুরী

লাইভে অপপ্রচার, বিশ্বনাথে ভূয়া সাংবাদিকের বিরুদ্ধে জিডি

‘মনে তোমার অনেক রঙ’ ও ‘আমার শাস্থি চাই’ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

বিশ্বনাথ পৌর শহরে দিনদুপুরে দুটি বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি

বিশ্বনাথে ২৩ বোতল মদসহ মাদক কারবারি আটক

অনন্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বিশ্বনাথের ‘রাজ-রাজেশ্বরী মন্দির’