মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বনাথে জঙ্গিবাদ সচেতনতায় দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত  » «   বিশ্বনাথ থেকে স্কুলছাত্র নিখোঁজ  » «   আ’লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশ্বনাথে র‌্যালী-সভা  » «   বিশ্বনাথের পশ্চিম ধলিপাড়া গ্রামের পানি নিষ্কাশনে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবিতে স্মারকলিপি  » «   কুলাউড়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ২ : আহত ২৫০  » «   বিশ্বনাথের সড়কগুলো সংস্কারের দাবীতে মানববন্ধন  » «   বিশ্বনাথে হেক্সাস’র সার্টিফিকেট বিতরণ  » «   বিশ্বনাথে প্রেগনেন্সি টেস্টে ভূল রিপোর্ট : অল্পের জন্য রক্ষা পেল গর্ভের সন্তান  » «   বিশ্বনাথে ভ্রাম্যমান অভিযানে সাড়ে ৯ হাজার জরিমানা আদায়  » «   বিশ্বনাথে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে রাস্তার ঝোপঝার পরিস্কার  » «   বিশ্বনাথে উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান নুনু মিয়া  » «   বিশ্বনাথে আহমদ আলী স্মরণে উপজেলা আ’লীগের শোকসভা  » «   কৃষকরাই বাংলাদেশের প্রাণের বন্ধু :শফিক চৌধুরী  » «   বিশ্বনাথে প্রবাসীর বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের পাল্টা অভিযোগ : আদালতে মামলা  » «   সংবাদ প্রকাশের একদিন পরই বিশ্বনাথে সড়কের পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ  » «  

ভূমধ্যসাগরে মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফেরা বিশ্বনাথের মাছুম এখন তিউনিসিয়ায়

এমদাদুর রহমান মিলাদ :: সম্প্রতি লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ার উপকূলবর্তী ভূমধ্যসাগরে অভিবাসী যাত্রীবাহী নৌকাডুবিতে যে কয়েকজন প্রাণে বেঁচে গেছেন তাদের একজন বাংলাদেশী যুবক মাছুম মিয়া (২৮)। সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের পালেরচক গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের পুত্র মাছুম মিয়া বর্তমানে তিউনিসিয়ার এক উপকূলীয় শহরে রেড ক্রিসেন্টের একটি আশ্রয় কেন্দ্রে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
গত ১১ মে লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ার উপকূলবর্তী ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে প্রায় ৫৭ জন পানিতে ডুবে মারা যায়। এ সময় ১৬ জনকে সেখান থেকে জীবিত উদ্ধার করে জেলেরা। মাছুম মিয়া সেই সৌভাগ্যবানদের একজন। ওই নৌকাডুবিতে কেবল বিশ্বনাথ উপজেলার ৪জন যুবক নিখোঁজ হন। তাদের মধ্যে একমাত্র মাছুমের সন্ধান মিলেছে।
৩০ বছর বয়সী মাছুম মিয়া উন্নত জীবনের আশায় লিবিয়া হয়ে ইউরোপের পথে পাড়ি জমিয়েছিলেন দালালদের মাধ্যমে। এজন্য বিশ্বনাথের মানব পাচারকারী দালাল রফিকুল ইসলাম রফিকের হাতে তুলে দেন ৮লাখ টাকা। এরপর গত বছরের নভেম্বর মাসে লিবিয়ায় পাড়ি জমান মাছুম। সেখানে যাওয়ার পর অন্যান্য যুবকদের সাথে তাকেও ‘গেম ঘর’ নামক একটি তালাবদ্ধ ঘরে বন্ধি করে রাখা হয়। দীর্ঘ ৪মাস সেখানে বন্ধি থাকার পর গত ১১ মে ইতালি পাঠানোর জন্য মাছুম ও তার সঙ্গিদেরকে একটি বড় স্টীলের নৌকায় করে লিবিয়া থেকে তিউনিসিয়ার উপকূলবর্তী ভূমধ্যসাগরে নিয়ে যায় দালালরা। এসময় গুলি করে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে দালালরা অভিবাসীদেরকে একটি ছোট নৌকায় উঠতে বলে। ফলে দু’দিকেই মরণের ভয় দেখে সামান্য বাঁচার আসায় তারা নৌকায় উঠতে বাধ্য হন। এই ছোট নৌকাটি সাথে সাথে ডুবে যেতে শুরু করে। নৌকাডুবিতে প্রায় ৬০ জনের মতো পানিতে ডুবে মারা যায় ও মাছুম সহ ১৬ জন যুবক সারারাত ধরে সাঁতার কেটে সাগরে ভেসে থাকেন। এরপর সেখান থেকে তাদেরকে জীবিত উদ্ধার করে জেলেরা।
মাছুম মিয়ার ছোট ভাই মাসুদ আহমদ বিশ্বনাথ নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম’কে জানান- নৌকাডুবির ঘটনার পর আমার বড় ভাই মাছুম মিয়ার জন্য আমরা খুবই দুঃশ্চিন্তায় ছিলাম। ঘটনার তিন দিন পর হঠাৎ করে তিনি (মাছুম) মোবাইল ফোনে আমাদের কাছে ভয়েস রেকর্ড পাঠান। এতে আমরা কিছুটা দুঃশ্চিন্তামুক্ত হই। সর্বশেষ গত শনিবার মাছুমের সঙ্গে তার ফোনে কথা হয়েছে বলে জানান মাসুদ। বর্তমানে তিউনিসিয়ার এক উপকূলীয় শহরে রেড ক্রিসেন্টের একটি আশ্রয় কেন্দ্রে মাছুম রয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ