সিলেটে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অপরাধে চার আসামির মৃত্যুদণ্ড
মঙ্গলবার, ১৪ আগষ্ট, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ  » «   বিশ্বনাথে রাস্তায় গেইট নির্মাণ নিয়ে দু’পক্ষের বিরোধ  » «   বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণে প্রশাসনিক অনুমোদন  » «   শিক্ষা প্রতিষ্টানে মাদক বিরোধী কমিটির আলোচনা সভা  » «   বিশ্বনাথে উপজেলা আইন-শৃংখলা কমিটির সভা  » «   বিশ্বনাথে ব্রাক এর ‘উপজেলা মাইগ্রেশন ফোরাম মিটিং’ অনুষ্ঠিত  » «   দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে আ’লীগের বিকল্প নেই -শফিক চৌধুরী  » «   পবিত্র হজ্ব পালন করতে স্বপরিবারে সৌদি আরব গেলেন মিছবাহ উদ্দিন  » «   বিশ্বনাথে উদ্ধারকৃত ২২টি গরু সনাক্ত করতে থানায় জনতার ভিড়  » «   সিংগেরকাছ পাবলিক বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজে নবীণ বরণ  » «   বিশ্বনাথে জাতীয় শোক দিবস পালনের লক্ষে যুবলীগের প্রস্তুতি সভা  » «   বিশ্বনাথে স্বামীর হাতুড়ির আঘাতে স্ত্রী নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের  » «   বিশ্বনাথে ‘পরিচ্ছন্ন ও সবুজ জনপদ’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক  » «   বিশ্বনাথে ১১টি চোরাই গরু উদ্ধার : আটক ২  » «   জগন্নাথপুরের তিনটি এলাকায় পল্লী বিদ্যুতের উদ্বোধন  » «  

সিলেটে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অপরাধে চার আসামির মৃত্যুদণ্ড

বিশ্বনাথনিউজ২৪ :: সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সুলতানা বেগম নামের ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অপরাধে চার আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম  ও শিশু আদালতের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াত আজ রবিবার দুপুরে এই রায় ঘোষণা করেন। আসামিদের এক লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।

ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গুমের অপরাধে আসামি প্রত্যেককে সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ ও দশ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- কানাইঘাটের বড়খেওর গ্রামের ইমাম উদ্দিনের ছেলে আবুল উদ্দিন (২৩) সুরুজ আলীর ছেলে সাদেক উদ্দিন (২৮), মৃত লিয়াকত আলীর ছেলে রাসেল মিয়া (২২) এবং এরালিগুল গ্রামের নিমার আলী ওরফে মিজান আলীর ছেলে বাবুল আহমদ ওরফে রুহুল (৩২)।

আসামিদের মধ্যে বাবুল আহমদ পলাতক রয়েছেন।

নিহত সুলতানা কানাইঘাটের এরালিগুল গ্রামের তেরাব আলীর মেয়ে। কানাইঘাটের ছোটফৌজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ত সে।

২০১৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সুলতানাকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ গুম করতে মাটিচাপা দেয় দণ্ডিত আসামিরা।

আদালতের এপিপি এডভোকেট ফখরুল ইসলাম জানান, ২০১৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর স্কুল ছুটির পর সুলতানা বেগম তার সহপাঠি ফারজানার সাথে তার গ্রাম বড়খেওরের বাড়িতে যায়। ফারজানার ভাই আবুল উদ্দিনসহ অন্য আসামিরা বাড়ির পাশের একটি টিলায় কাজ করছিল। আবুল তার বোন ফারজানাকে খাবার পানি দিতে বলে। তখন ফারজানা না গিয়ে সুলতানাকে দিয়ে টিলার ওপরে থাকা আবুলদের জন্য পানি পাঠায়। ওই সময় আবুলসহ অন্যান্য আসামিরা সুলতানাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। জানাজানি হওয়ার ভয়ে তারা সুলতানাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ মাটিচাপা দেয়।

তিনি আরও জানান, ওইদিন সুলতানা বাড়িতে না ফেরায় তার বাবা কানাইঘাট থানায় জিডি করেন। পরদিন ওই টিলা থেকে তার মাটিচাপা দেয়া লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সুলতানার ভাই একলিম উদ্দিন বাদী হয়ে চার আসামির বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগে মামলা করেন। তদন্ত শেষে চারজনকেই অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। দীর্ঘ শুনানি শেষে সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন।

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ