শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে বিশ্বনাথে উপজেলা আ’লীগের সভা  » «   সিলেট-২ আসনে প্রার্থীতা ফিরে পেলেন মুহিবুর রহমান  » «   বিশ্বনাথে বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে প্রশাসনের শ্রদ্ধাঞ্জলি  » «   বিশ্বনাথের গোয়ালগাঁও গ্রামে ধানের শীষের সমর্থনে উঠান বৈঠক  » «   বিশ্বনাথে মুসলিম হেল্প ইউকের ‘এমএইচ মান্টিপারপাস সেন্টার’ বাস্তবায়নে সহযোগীতা কামনা  » «   সিলেট-২ আসনে ইলিয়াসপত্নী লুনার প্রার্থীতা স্থগিত  » «   বিশ্বনাথে ইয়াবা’সহ র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার ১  » «   সিলেট-২ আসনে প্রার্থীতা ফিরে পেলেন এনামুল হক সরদার  » «   গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে ধানের শীষ’কে বিজয়ী করতে হবে -লুনা  » «   মুহিব-সরদার’র প্রার্থীতা ফিরিয়ে দিতে আদালতের নির্দেশ  » «   বিশ্বনাথে সাংবাদিকদের সাথে এহিয়া চৌধুরী’র মতবিনিময়  » «   বিশ্বনাথে সাংবাদিকদের সাথে মুনতাছির আলীর মতবিনিময়  » «   সিলেট-২ আসনে মহাজোটের প্রার্থী ইয়াহ্ইয়া চৌধুরীর গণসংযোগ  » «   বিশ্বনাথে ‘দেওয়াল ঘড়ি’র সমর্থনে গণসংযোগ, প্রচার মিছিল-সভা  » «   বিশ্বনাথের মাছুখালী বাজারে পুলিশের উঠান বৈঠক  » «  

সিলেটে আরিফুল হক চৌধুরীর ‘বিজয় নিশ্চিত’

বিশ্বনাথনিউজ২৪ :: সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে বিজয়ের দ্বারপ্রান্ডে আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯০ হাজার ৪৯৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি আওয়ামী লীগের বদর উদ্দিন আহমদ কামরান পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮৭০ ভোট। আরিফুল হক চৌধুরী ১৩২ কেন্দ্রে বদর উদ্দিন কামরানের চেয়ে ৪ হাজার ৬২৬ ভোট বেশি পেয়েছেন।  তবে আরিফের ভাগ্য নিধারণ হবে স্থগিত দুটি কেন্দ্রের ভোটে।

স্থগিতকৃত ওই দুই কেন্দ্রে নির্বাচন হলে কামরান যদি সকল ভোট পান, তবে তিনি আরিফের চেয়ে ১৬১ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হবেন। আর যদি আরিফ স্থগিতকৃত ওই দুই কেন্দ্র থেকে আরও ১৬২ ভোট পেয়ে যান, তবে তিনিই বিজয়ী হবে।

এক্ষেত্রে যদি স্থগিতকৃত ওই দুই কেন্দ্রে আবার ভোট গ্রহণ করা হয়, তবে কামরানের পক্ষে পুরো দুই কেন্দ্রের ৪ হাজার ৭৮৭ ভোট তথা শতভাগ ভোট পাওয়া খুবই কঠিন হবে। এ দুই কেন্দ্রের সকল ভোটার ভোট দিতে আসবেন কিনা, সেটিও একটি প্রশ্ন। বিপরীতে আরিফের পক্ষে ওই দুই কেন্দ্র থেকে মাত্র ১৬২টি ভোট পাওয়া খুবই সহজ। তাই আগেভাগেই বলে দেয়া যায়, সিসিকের চতুর্থ নির্বাচনে মেয়র পদে আরিফের জয় নিশ্চিত।

তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ঢাকায় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছেন সিলেটের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা।

নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলীমুজ্জামান জানান, সিসিক নির্বাচনে মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াত নেতা এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ১০ হাজার ৯৫৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন খান ২ হাজার ১৯৫ ভোট, সিপিবি-বাসদের প্রার্থী আবু জাফর ৯০০ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী এহসানুল হক তাহের ২৯২ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো বিএনপি নেতা বদরুজ্জামান সেলিম ৫৮২ ভোট পেয়েছেন।

এর আগে সোমবার সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। লাগাতার ৮ ঘণ্টা ভোটগ্রহণকালীন কয়েকটি কেন্দ্রে বেশ কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ভোট ডাকাতির অভিযোগ এনে বিকেল ৪টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলন করে সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন প্রত্যাখান করেছেন বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী। এসময় তিনি বলেন, ‘সিলেটে ভোট হয় নাই, ডাকাতি হয়েছে। এই নির্বাচন প্রত্যাখান করলাম।’ বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র দখলের অভিযোগ এনে তিনি বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হতাম। এই সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচনে যাওয়া উচিত হবে কিনা ২০ দলীয় জোটের চিন্তা করা দরকার।

উল্লেখ‌্য, সিলেট সিটি কর্পোরেশেনর চতুর্থ নির্বাচন এটি। এ নির্বাচনে মেয়র পদে ছয়জন, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬২ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৩৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ১৩৪টি কেন্দ্রে ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ২১ হাজার ৭৩২ ভোটার।

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ