সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
বিজয় দিবসে স্মৃতিস্তম্ভে বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের পুষ্পস্তবক অর্পণ  » «   ৭১’র শহীদদের স্মরণে বিশ্বনাথ কেন্দ্রীয় স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ  » «   বিশ্বনাথে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক লিলু মিয়ার ইন্তেকাল : দাফন সম্পন্ন  » «   সিলেট-২ : একই অভিযোগে সরদার’র প্রার্থীতা বহাল থাকলেও লুনা’র স্থগিত  » «   বিশ্বনাথে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস পালন  » «   বিশ্বনাথের অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার : আটক ৩  » «   আজ মহান বিজয় দিবস  » «   ‘ধানের শীষ’র সমর্থনে বিশ্বনাথের মাছুখালী বাজারে পথসভা  » «   সিলেট-২ আসনে মুহিব-সরদারকে পেয়ে উজ্জীবিত আ’লীগ নেতাকর্মীরা  » «   বিশ্বনাথে প্রতিপক্ষের দায়েরকৃত মামলায় ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার  » «   আমি পরাজিত হলে আওয়ামী লীগও পরাজিত হবে : ইয়াহ্ইয়া চৌধুরী  » «   শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে বিশ্বনাথে উপজেলা আ’লীগের সভা  » «   সিলেট-২ আসনে প্রার্থীতা ফিরে পেলেন মুহিবুর রহমান  » «   বিশ্বনাথে বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে প্রশাসনের শ্রদ্ধাঞ্জলি  » «   বিশ্বনাথের গোয়ালগাঁও গ্রামে ধানের শীষের সমর্থনে উঠান বৈঠক  » «  

বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নে আওয়ামীলীগের ভুমিকা

এ এইচ এম ফিরোজ আলী ::
আজ ঐতিহাসিক ২৩জুন। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ৬৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। বাঙালি জাতীর জীবনে ২৩জুন অতিগুরুত্বপূর্ণ অবিস্বরণীয় একটি দিন। ১৯৪৯সালের ২৩জুন ঢাকার কে.এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে এ দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৭৫৭ সালের ২৩জুন ভাগীরথীর তীরে পলাশির প্রান্তরে নবাব সিরাজ উদদৌলার পতন ঘটে। আর ২৩জুন তারিখে আওয়ামীলীগের জন্মের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলার জন্ম ঘটে। উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন দল আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠার পর এ ভূখন্ডে যা বিশাল কিছু অর্জন করা সম্ভব হয়েছে তা সব আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে। দলের গতি-প্রকৃতি, ইতিহাস, স্বাধীন বাংলার জন্ম, মানুষের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামে দলটি ওতোপ্রতভাবে জড়িত। আওয়ামীলীগের সৃজনশীল রাজনীতির ফলে বিশ্বের মানচিত্রে স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাঙালির হাজার বছরের লালিত স্বপ্ন স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। জনগণের আর্থসামাজিক মুক্তির অঙ্গীকার নিয়ে শুরু হওয়া দলটি জাতীর যে কোন আন্দোলন সংগ্রাম সংকট ও দুর্যোগের পাশে দাঁড়িয়েছে। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ইতিহাস এক সুতোয় গাঁথা। আওয়ামীলীগের গৌরবময় পথ পরিক্রমায় জনগনের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্টার প্রবল প্রতিকুলতায় জীবন বাজি রেখে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন দলের লাখো লাখো নেতা কর্মীরা। বাঙালি জাতীর আপামর জনগনের আশা আকাংখা ধারন করে মানুষের অধিকার আদায়ের স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেয়ার নিরন্তন প্রয়াসের নামই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। এদেশের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছে আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা।
বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠায় সুকঠিন এক বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে বাঙালি নেতারা ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিমলীগ, গঠন করেন। দলটি এখন এ দেশের মানুষের মাতৃসংগঠন। এ দেশের মানুষের মুখে মুখে প্রতিনিয়ত উচ্চারিত হচ্ছে দলটির নাম। বৃটিশ বেনিয়াদের বিদায়ের পর পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শাসকরা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংকৃতিক এমনকি জাতীগতভাবে বাংলার মানুষকে অবহেলা বঞ্চনা ও কোনঠাসা করে রাখার কারনে পুঞ্জীভুত ক্ষোভের বহি:প্রকাশই হচ্ছে আওয়ামীলীগ প্রতিষ্টার মুল লক্ষ্য। ১৯৪৯সালের মার্চ মাসে করাচি নগরিতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এক কর্মী সমাবেশে স্বতন্ত্র একটি রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষনা দেন। এসময় আসাম মুসলিমলীগের সভাপতি মাওলানা আব্দুল হামিদ খাঁন ভাসানী দল ত্যাগ করে ঢাকায় আসেন এবং ঐতিহাসিক ২৩ জুন এক রাজনৈতিক কর্মী সম্মেলনে মওলানা ভাষানীকে সভাপতি ও টাঙ্গাইলের সামসছুল হক নামে খ্যাত সামছুল হককে সাধারণ সম্পাদক করে “পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিমলীগ” গঠন করা হয়। কারান্তরীন থাকাবস্থায় দলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক করা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। আরেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছিল ইতিহাসের কলঙ্ক, বেঈমান খন্দকার মোস্তাককে। ইতিহাসের স্বাক্ষ্যমতে, জেলে থাকাবস্থায় বঙ্গবন্ধুকে কেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছিল এ নিয়ে ভাষানীর সাথে তীব্র ভাবে তর্ক-বিতর্কও করে ছিল খন্দকার মোস্তাক।
নতুন দলটির জন্মের খবরে চরমভাবে ক্ষীপ্ত হয়ে ওঠে পাকিস্তানের শাসক গোষ্টি এবং তারা সোহরাওয়ার্দী ও ভাষানীকে ভারতীয় ‘চর, বলে বাঙালিদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু ৪০সদস্যের নতুন ওয়ার্কিং কমিটি খুব তাড়াতাড়ি দলটিকে শক্তিমান সংগঠনে পরিনত করেন। ভাষানী ও সামছুল হককে ৪৯সালের ১৪অক্টোবর এবং শেখ মুজিবুর রহমানকে ৫০সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার করা হয়। ৫২সালের ১৬ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা ঘোষনার স্বীকৃতিসহ বিভিন্ন দাবিতে কারাগারের ভেতর অনশন শুরু করেন বঙ্গবন্ধু। এবছর পূণরায় ভাষানী ও সামছুল হক গ্রেফতার হন। ১৯৫৩সালের ১৪-১৫নভেম্বর ময়মনসিংহ শহরে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিমলীগের বিশেষ কাউন্সিলে সাধারণ নির্বাচনী জোট গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ সিদ্ধান্ত মতে ৫৪সালের ১০মার্চ অনুষ্টিত যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে ২৩৭টি আসনের মধ্যে ২২৭টি আসন পেয়ে জয়ী হয় যুক্তফ্রন্ট। এর মধ্যে ১৪৩টি আসন পায় আওয়ামী মুসলিমলীগ। এ নির্বাচনে মাত্র ২৪বছর বয়সে গোপালগঞ্জ আসন থেকে জয়ী হন বঙ্গবন্ধু। ১৯৫৫সালের ১৭জুন ভাষানী পল্টন ময়দানে এক সমাবেশে ২১ ২২ ২৩অক্টোবর ঢাকা রোজ গার্ডেনে অনুষ্টিত দলের কাউন্সিলে ভাষানীকে সভাপতি, বঙ্গবন্ধুকে সাধারণ সম্পাদক এবং অলি আহমদকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে নতুন ওয়ারকিং কমিটি গঠন করা হয়। এসময় দলকে অসাম্প্রদায়িক মর্যাদার জন্য ‘মুসলিম, শব্দটি বাদ দিয়ে নামকরণ করা হয় ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামীলীগ’। ১৯৬২সালে সামরিক শাসনের কারনে দলে বিভক্তি দেখা দেয় এবং ৬৩সালে শেখ মুজিবুর রহমান দল পূর্ণ গঠনের উদ্যোগ নেন। ১৯৬৪সালে আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশকে সভাপতি ও বঙ্গবন্ধুকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। এসময় আওয়ামীলীগের ওপর নেমে আসে আয়ুব খানের বহুমুখি নির্যাতন। ১৯৬৬সালে লাহোরে বিরুধী দলগুলোর কনভেনশনে বাংলার মুক্তির সনদ ৬দফা পেশ করেন বঙ্গবন্ধু। ৬দফা প্রচারে নেমে বাংলার মানুষের মনের কথা বুঝতে পারেন বঙ্গবন্ধু। ৬৮সালের ৩জানুয়ারি ক্ষীপ্ত পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধুকে এক নম্বর আসামী করে ৩৫জনের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে। তখন পূর্ব বাংলা বিস্ফোরন মুখর হলে ৬৯সালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুথানের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু মুক্তিপান এবং ২৩ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে তথকালীন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমদ লাখ লাখ ছাত্র-জনতা উপস্থিতিতে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু, উপাধিতে ভুষিত করেন। ৭০সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জন করলেও ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি পাকিস্তানিরা। অবশেষে ৭মার্চ একাত্তর বঙ্গবন্ধু ১৮/১৯ মিনিটের দুনিয়া কাঁপানো এক ভাষন দিয়ে ‘আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে’ তোলার আহবান জানিয়ে যুদ্ধের প্রস্তুতির নির্দেশ দেন। তাঁর এ নির্দেশে ৩০লাখ শহীদ আর দু’লাখ ইজ্জত হারানো মা বোনের কষ্টের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয় এবং ৭২সালের ১০জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগারের ফাঁসির মঞ্চ থেকে ফিরে আসেন বঙ্গবন্ধু। কিন্তু ধবংস হয়ে যাওয়া দেশ পূর্ণ গঠন করার মাত্র সাড়ে ৩বছরের মাথায় ৭৫সালের ১৫আগষ্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়।
স্বাধীনতার পর ১৯৭২সালের কাউন্সিলে সভাপতি বঙ্গবন্ধ, সাধারণ সম্পাদক হন জিল্লুর রহমান। ৭৪সালে কামরুজ্জামান সভাপতি জিল্লুর রহমান সাধারণ সম্পাদক এবং ৭৭সালে জোহরা তাজ উদ্দিন ও মিজানুর রহমান চৌধুরীকে যৌথ ভাবে আহবায়কের দায়িত্ব দেয়া হয়। ৭৮সালে মালেক উকিল সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮১সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত দলের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা। এসময়ের মধ্যে ক্রমাগত ভাবে সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, আব্দুর রাজ্জক, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাজেদা চৌধুরী, জিল্লুর রহমান, আব্দুল জলিল, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, এবং ২০তম কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন সাবেক ছাত্রনেতা ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুর কাদের। এক সময় আয়ামীলীগের ওয়ার্ড ইউনিয়ন ও থানা পর্যায়ে তেমন কোন কমিটি ছিলনা। জাতীয় স্থানীয় নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রে এজেন্ট পাওয়া ছিল খুবই কঠিন। অনেকেই সাহস করে এগিয়ে আসত না। আওয়ামীলীগ এখন এক দশক ধরে সরকারে থাকায় সীমাহীন নেতার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। কোথায়ও স্থান সাংকুলান করা যাচ্ছেনা। গণ মাধ্যমের তথ্য মতে ৩৬ হাজারের মত অনুপ্রবেশকারি কাউয়া আওয়ামীলীগের বিভিন্ন স্থরের কমিটিতে রয়েছে। এতে হাই কমান্ড বিব্রত ও বিরক্ত। দলের ত্যাগী নেতা কর্মীরা তাদের যন্ত্রনায় অতিষ্ট। এদের একাধিক বার বহিস্কারের সিদ্ধান্ত হলেও কার্যকর হচ্ছেনা। বিষয়টি সময় থাকতে ভেবে দেখা উচিৎ।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপনের মাধ্যমে বিশ্বের উন্নত প্রযুক্তিগত অভিজাত ৫৭তম দেশের তালিকায় স্থান করে নজির বিহীন ভাবে বিরল ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন শেখ হাসিনা। স্বাধীনতার ৪৭বছর পর বাংলাদেশ নি¤œ আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশের স্বীকৃতি পেয়ে মর্যাদা সম্মান ও সাফল্যের আসন অলংকিত করেছে। ৭শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে দক্ষিন এশিয়ায় প্রথম এখন বাংলাদেশ। এশিয়ার মধ্যে খাদ্যে সয়ং সম্পুর্ণ এদেশ। বিগত আড়াই দশকে দারিদ্রের হার ৫৭.৬শতাংশ থেকে ২৫.৪শতাংশ নামিয়ে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে বাংলাদেশ। দারিদ্রের অনুপাতিক হার ১৮.৫থেকে ৬.৫শতাংশে নেমেছে। মানুষের মাথা পিছু আয় এখন ১৭৫২মার্কিন ডলার, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৮গুন বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৩৩বিলিয়ন মার্কিন ডলার। জাতীয় অর্থনীতির আকার প্রায় ৪০বিলিয়ন মার্কিন ডলার। মানুয়ের গড় আয়ু বেড়ে ৭২বছর হয়েছে। ৬৩বছরের ১১১টি সিট মহলের জটিলতা মিমাংশা করে ৫২হাজার মানুষকে বন্দি দশা থেকে মুক্ত করেছেন শেখ হাসিনা। আদালতের মাধ্যমে সমুদ্রের সাড়ে ১৯হাজার বর্গ কিলোমিটার সমুদ্র এলাকা অর্জন বিশ্বে এক ঐতিহাসিক বিজয়। বিশ্বের স্বল্পোন্নত ১৪৭টি দেশে মাতৃ শিশু ও নবজাতক মৃত্যু রোধে বাংলাদেশ প্রথম। বিশ্বের ১৬দেশের মধ্যে শিশুদের বিদ্যালয় পাঠানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রথম এবং বিদ্যালয় ভর্তির হার ৯৯শতাংশ। নারী পুরুষ বৈষম্য দুর করে বিশ্বের ১৪২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১০স্থানে রয়েছে। ৩২০০মেগাওয়ার্ড বিদ্যুৎ থেকে ১৬হাজারের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের মাধ্যমে বিনিয়োগে আকৃষ্ট ও শিল্প বিকাশে নতুন দার উন্মোচন করা হয়েছে। ডিজিটাল সেবা এখন দেশের মানুষের হাতে। সিঙ্গাপুর ভিত্তিক গবেষনা প্রতিষ্টান ‘দ্যা স্ট্যাটিস্টিকস ইন্টান্যাশনাল জরিপে শেখ হাসিনাকে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে। ২০১৫সালে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রতিষ্ঠিত সাময়িকী ‘পরেন পলিসি সে সময় সেরা শত শীর্ষ চিন্তাবিদের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ১৩মত স্থান দিয়েছে। বাংলাদেশের মত একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ তালিকায় বেঁচে নেয়া একেবারে সাধারণ বিষয় নয়। সাময়িকীটি যেসব কারনে শেখ হাসিনাকে এই আসনে স্থান দিয়েছে প্রতিবেদনে ও তা উল্লেখ রয়েছে। বিশ্ব ব্যাপি জলবায়ু ও পরিবেশ বিপর্যয়ের সঙ্গে সঙ্গে মানব সভ্যতা হুমকি স্বরুপ সবার আগে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি আর্ন্তজাতিক মহলের বার বার দৃষ্টি আকর্ষন করায় একজন অগ্রসর চিন্তাবিদ ও উদ্ভাবকের স্বীকৃতি পেয়েছেন তিনি। পৃথিবীর অনেক দেশ সংস্থা বা প্রতিষ্টান বাংলাদেশের সাফল্যের দিকে এখন নজর রাখছে। সেই স্বীকৃতি পেলেন শেখ হাসিনা। এভাবেই একের পর এক সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধুর তনয়া আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। ভাষানী থেকে শেখ হাসিনা আওয়ামীলীগের দীর্ঘ ৬৯বছরের রাজনীতিতে অনেক পালা বদল হয়েছে। কিন্তু দলটির মৌলিক নীতি আদর্শের কোন পরিবর্তন হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার উন্নয়নে দলটির মজবুত অবস্থান ধরে রেখেছেন শেখ হাসিনা। ২০৪১সালের মধ্যে তলা বিহীন ঝুড়ির দেশ বাংলাদেশ উন্নত রাষ্ট্রে পরিনত হওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করতে হবে এদেশের সকল মানুষকে।
লেখক : কলামিষ্ট

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ