বুধবার, ১৮ জুলাই, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
ইলিয়াস আলীর সন্ধান কামনায় বিশ্বনাথে বিএনপির মিলাদ-দোয়া মাহফিল  » «   বিশ্বনাথ এইড ইউকে’র নতুন কমিটি গঠন  » «   বিশ্বনাথে পৃথক স্থানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ  » «   বিশ্বনাথে তালাবদ্ধ সেই মার্কেট আদালতের নির্দেশে খুলে দিল পুলিশ  » «   বিশ্বনাথে অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের মাঝে চাল বিতরণ  » «   বিশ্বনাথে মাত্র ৬০ হাজার টাকার অভাবে দুচোখ হারাতে বসেছে কিশোর মারজান  » «   বিশ্বনাথে গরু চুরি : থানায় জিডি  » «   বিশ্বনাথ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বখাটে কর্তৃক ইভটিজিংয়ের শিকার কলেজ ছাত্রী  » «   বিশ্বনাথের খাজাঞ্চীতে ত্রাণ বিতরণ করলেন ইলিয়াসপত্নী লুনা  » «   বিশ্বকাপ জয়ে উৎসবে ভাসছে ফ্রান্স  » «   দ্বিতীয় বারের মতো বিশ্বকাপ ফুটবলের শিরোপা জিতলো ফ্রান্স  » «   লালাবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ : আহত ৪০  » «   জগন্নাথপুরে ইউএনও ও এসিল্যান্ডের পদ শুন্য : প্রশাসনিক কাজে স্থবিরতা  » «   বিশ্বনাথে সাড়ে ২৬ হাজার শিশু খেল ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাপসুল  » «   ব্রিটেনে বিশ্বনাথের ছেলে মাসায়েল’র ডিগ্রী অর্জন  » «  

৩৮০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে গ্রীনল্যান্ড পার্ক ভ্রমনে লার্নিং পয়েন্ট

তজম্মুল আলী রাজু :: এক সাথে এত মানুষের সাথে মিশা কঠিন কাজ। সেই কঠিন কাজটি সহজে করেছে প্রিয় প্রতিষ্টান লার্নিং পয়েন্ট। ৩৮০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ভ্রমন করে বিনোদন প্রেমী লার্নিং পয়েন্ট। অন্তরের অন্তস্থল থেকে অসংখ্য অগণিত ধন্যবাদ। সেই সাথে অভিজ্ঞতা ও মেধাবী যুবসমাজের অহংকার প্রতিষ্টানে প্রতিষ্টাতা প্রধান মো. মঈন উদ্দিন স্যারকে স্যালুট জানাই।
সকাল সাড়ে ৮টায় বিশ্বনাথ থেকে লার্নিং পয়েন্টের ৫টি বাসে ১৯০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা করে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার গ্রীনল্যান্ড পার্কের উদ্দেশ্যে। প্রতিটি বাসেই শিক্ষার্থীদের আন্দন করার জন্য স্পীকারের ব্যবস্থা। স্পীকার পেয়ে সবাই শুরু করে মন উজাড় করে গান আর নিজের মতামত। এখানেই থেমে নেই আর অনেক অনেক মজা……।
৯টায় আমাদের বাসগুলো পৌছে ওসমানীনগর উপজেলার গোয়ালাবাজারে সেখানে লার্নিং পয়েন্টের আরো একটি শাখা অই শাখার আরো ৫টি বাস সেই বাসগুলোতে আরো ১৯০ জন শিক্ষার্থী। তারাও ভুল করবে না আমাদের সঙ্গী হতে। সব মিলিয়ে ৩৮০ জন শিক্ষার্থী। চলছে প্রতিটি গাড়িতে আনন্দ, চলছে মনের আনন্দে গান আর গান……। মজার, মজার কথা দিয়েই চলছে যাত্রা।
এক সময় থেমে গেলে সবকটি বাস। অল্প বিরতী। তাও জাতীয় উদ্যান সাতছড়ি। সাতছড়িতে ঘুরতে মাত্র সময় দিলেন মঈন উদ্দিন স্যার ৩০ মিনিট। এর পূর্বে সাতছড়ি উদ্যানের গেইট সংলগ্ন স্থানে দাড়িয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলেন এবং অল্প সময় ঘুরে বাসে আসতে নির্দেশ দিলেন। এই সময়ে আমরা অনেক ঘুরলাম। ভালই লাগল।
তারপর গ্রীনল্যান্ড পার্কে প্রবেশ করেই দুপুরের খাবার শেষ করা হল। খাবারের পরে সবাই বেরিয়ে পড়লেন চারিদিকে। পার্কের বিশাল এলাকা এখানে অনেক জায়গা অই জায়গার মধ্যে যার যার মত করে ঘুরাঘুরি। প্রকৃতির সুন্দর্য উপভোগ, সেলফি উঠানো, ঘোড়ায় উঠা, দল বেঁধে গানের আসরে গান করা। কতকিছু। মনের খোরাক দিতে গিয়ে আমি নিজেও গান গাইতে হয়েছে। শুধু আমি কেন? সব শিক্ষক, শিক্ষিকা, ছাত্র এবং ছাত্রীরাও।
লার্নিং পয়েন্টের শিক্ষক আব্দুস শহিদ, সালিক মিয়া, ফখর উদ্দিন, আব্দুল আলিম সুহেল, জুবায়ের আহমদ, বেলায়েত হোসেন বেলাল, শিপলু আহমদ, তালহা বিন সুয়েব হেলালী তাদের দায়িত্ব পালনে সবাই মুগ্ধ। সঠিক দায়িত্ব পালন ও বন্ধত্বপূর্ণ আচরণ বাড়িয়ে দিয়েছে ভ্রমণের ব্যাপক আনন্দ। আমি তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞ।

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ