বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার আন্তর্জাতিক দিবসে বিশ্বনাথে র‌্যালী-সভা  » «   বিশ্বনাথে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা : বখাটে গ্রেপ্তার  » «   সংক্ষিপ্ত সফরে শফিক চৌধুরী ও পংকি খান’র যুক্তরাজ্য যাত্রা  » «   বিশ্বনাথে ডাকাত দলের সাথে গুলাগুলিতে ৫ পুলিশ আহত : অস্ত্রসহ ১ ডাকাত গ্রেফতার  » «   বিশ্বনাথে ৫ জুয়াড়ি আটক  » «   বিশ্বনাথে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় লিডিং ইউনিভার্সিটির ছাত্র নিহত  » «   বিশ্বনাথে পর্নোগ্রাফি ভিডিও রাখায় ৩টি মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টারকে জরিমানা  » «   বিশ্বনাথে দু’পক্ষের মারামারিতে মৎস্য ব্যবসায়ী নিহত  » «   বিশ্বনাথে জঙ্গিবাদ সচেতনতায় দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত  » «   বিশ্বনাথ থেকে স্কুলছাত্র নিখোঁজ  » «   আ’লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশ্বনাথে র‌্যালী-সভা  » «   বিশ্বনাথের পশ্চিম ধলিপাড়া গ্রামের পানি নিষ্কাশনে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবিতে স্মারকলিপি  » «   কুলাউড়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ২ : আহত ২৫০  » «   বিশ্বনাথের সড়কগুলো সংস্কারের দাবীতে মানববন্ধন  » «   বিশ্বনাথে হেক্সাস’র সার্টিফিকেট বিতরণ  » «  

গৃহকর্মীকে গণধর্ষণের মূলহোতা ফয়জুল অবশেষে গ্রেফতার

বিশ্বনাথনিউজ২৪:: সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকের চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত প্রধান আসামী ফয়জুল হক (৩৪) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। সে ছাতক উপজেলার কলাগাঁও গ্রামের মৃত আরজু মিয়ার পুত্র।

র‌্যাব-৯ সিলেটের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মোঃ মনিরুজ্জামান এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯ এর সিপিসি-১, সিলেট ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে সিলেট নগরী উপশহর হোটেল গার্ডেন ইন এর সামনে পাকা রাস্থার উপর হতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন মামলা নং-১৩৯/১৭ ইং, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৩)/৩০ এর চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত প্রধান আসামী ফয়জুল হককে গ্রেফতার করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানাধীন কলাগাঁও গ্রামস্থ ধৃত ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী ফয়জুল হক (৩৪) এর বাড়িতে হতদরিদ্র সুজিনা বেগম (১৬) গৃহপরিচারিকার কাজ করে আসছিল। তাদের বাড়ি দূরে হওয়ায় সুজিনা কাজকর্ম শেষে রাতে ফয়জুল হকদের বসত ঘরের একটি কক্ষে সে ঘুমাত। এ সুযোগে ২০১৬ সালের ৪ নভেম্বর রাত ১১ টার দিকে ফয়জুল সুজিনার ঘরে ঢুকে চাকুর ভয় দেখিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য তাকে হত্যার ভয় দেখায়। এরপর হতে ফয়জুল বিবাহ করার আশ্বাস দিয়ে প্রতি রাতেই সুজিনাকে ধর্ষণ করতে থাকে। একপর্যায়ে সুজিনা ৪ মাসের গর্ভবর্তী হয়ে পড়ে। ফয়জুল হক ও তার বন্ধু একই এলাকার ছমির (২৮), কবির (২৬) মিলে সুজিনার গর্ভের সন্ত্রান নষ্ট করার জন্য উঠে পড়ে লেগে থাকে। এতে সুজিনা রাজি না হলে ২০১৭ সালের ০৪ জুলাই সকাল ৭ টার দিকে ফয়জুল হকসহ তার বন্ধুরা মিলে সুজিনার গর্ভের সন্ত্রান নষ্ট করা জন্য জোরপূর্বক তাকে ট্যাবলেট খাইয়ে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে ঐদিনই তারা তিন বন্ধু তাকে ধর্ষণ করলে তার গোপনাঙ্গে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। প্রচুর রক্তক্ষরণ দেখে এক পর্যায়ে ধর্ষণকারীরা সুজিনা বেগমকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সুজিনা বেগম বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে উল্লেখিত ০৩ জন ধর্ষণকারীর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন ঘটনার পর হতে মামলার প্রধান আসামী ফয়জুল হক (৩৪) গ্রেফতার এড়ানোর লক্ষে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিল। মামলা ৯৪/২০১৭ইং। এ মামলার প্রেক্ষিতে মামলার ঘটনার সত্যতা পেয়ে ছাতক থানা পুলিশ ২০১৭ সালে আদালতে ফয়জুল হক, ছমির ও কবির এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। আদালত এ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ৩ আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।  আসামীরা সুজিনার মামা জবান আলী ও তার পরিবারকে হত্যার হুমকী দিতে থাকলে ভয়ে সুজিনা বেগমের পরিবার গ্রাম ছেড়ে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে বসবাস করেন। অবশেষ মামলার প্রধান আসামী ফয়জুল হককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব। আটকের পর  আসামীকে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানায় পাঠানো হয়েছে বলে জানা যায়।

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ