সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
বিজয় দিবসে স্মৃতিস্তম্ভে বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের পুষ্পস্তবক অর্পণ  » «   ৭১’র শহীদদের স্মরণে বিশ্বনাথ কেন্দ্রীয় স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ  » «   বিশ্বনাথে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক লিলু মিয়ার ইন্তেকাল : দাফন সম্পন্ন  » «   সিলেট-২ : একই অভিযোগে সরদার’র প্রার্থীতা বহাল থাকলেও লুনা’র স্থগিত  » «   বিশ্বনাথে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস পালন  » «   বিশ্বনাথের অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার : আটক ৩  » «   আজ মহান বিজয় দিবস  » «   ‘ধানের শীষ’র সমর্থনে বিশ্বনাথের মাছুখালী বাজারে পথসভা  » «   সিলেট-২ আসনে মুহিব-সরদারকে পেয়ে উজ্জীবিত আ’লীগ নেতাকর্মীরা  » «   বিশ্বনাথে প্রতিপক্ষের দায়েরকৃত মামলায় ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার  » «   আমি পরাজিত হলে আওয়ামী লীগও পরাজিত হবে : ইয়াহ্ইয়া চৌধুরী  » «   শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে বিশ্বনাথে উপজেলা আ’লীগের সভা  » «   সিলেট-২ আসনে প্রার্থীতা ফিরে পেলেন মুহিবুর রহমান  » «   বিশ্বনাথে বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে প্রশাসনের শ্রদ্ধাঞ্জলি  » «   বিশ্বনাথের গোয়ালগাঁও গ্রামে ধানের শীষের সমর্থনে উঠান বৈঠক  » «  

গৃহকর্মীকে গণধর্ষণের মূলহোতা ফয়জুল অবশেষে গ্রেফতার

বিশ্বনাথনিউজ২৪:: সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকের চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত প্রধান আসামী ফয়জুল হক (৩৪) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। সে ছাতক উপজেলার কলাগাঁও গ্রামের মৃত আরজু মিয়ার পুত্র।

র‌্যাব-৯ সিলেটের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মোঃ মনিরুজ্জামান এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯ এর সিপিসি-১, সিলেট ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে সিলেট নগরী উপশহর হোটেল গার্ডেন ইন এর সামনে পাকা রাস্থার উপর হতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন মামলা নং-১৩৯/১৭ ইং, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৩)/৩০ এর চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত প্রধান আসামী ফয়জুল হককে গ্রেফতার করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানাধীন কলাগাঁও গ্রামস্থ ধৃত ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী ফয়জুল হক (৩৪) এর বাড়িতে হতদরিদ্র সুজিনা বেগম (১৬) গৃহপরিচারিকার কাজ করে আসছিল। তাদের বাড়ি দূরে হওয়ায় সুজিনা কাজকর্ম শেষে রাতে ফয়জুল হকদের বসত ঘরের একটি কক্ষে সে ঘুমাত। এ সুযোগে ২০১৬ সালের ৪ নভেম্বর রাত ১১ টার দিকে ফয়জুল সুজিনার ঘরে ঢুকে চাকুর ভয় দেখিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য তাকে হত্যার ভয় দেখায়। এরপর হতে ফয়জুল বিবাহ করার আশ্বাস দিয়ে প্রতি রাতেই সুজিনাকে ধর্ষণ করতে থাকে। একপর্যায়ে সুজিনা ৪ মাসের গর্ভবর্তী হয়ে পড়ে। ফয়জুল হক ও তার বন্ধু একই এলাকার ছমির (২৮), কবির (২৬) মিলে সুজিনার গর্ভের সন্ত্রান নষ্ট করার জন্য উঠে পড়ে লেগে থাকে। এতে সুজিনা রাজি না হলে ২০১৭ সালের ০৪ জুলাই সকাল ৭ টার দিকে ফয়জুল হকসহ তার বন্ধুরা মিলে সুজিনার গর্ভের সন্ত্রান নষ্ট করা জন্য জোরপূর্বক তাকে ট্যাবলেট খাইয়ে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে ঐদিনই তারা তিন বন্ধু তাকে ধর্ষণ করলে তার গোপনাঙ্গে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। প্রচুর রক্তক্ষরণ দেখে এক পর্যায়ে ধর্ষণকারীরা সুজিনা বেগমকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সুজিনা বেগম বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে উল্লেখিত ০৩ জন ধর্ষণকারীর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন ঘটনার পর হতে মামলার প্রধান আসামী ফয়জুল হক (৩৪) গ্রেফতার এড়ানোর লক্ষে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিল। মামলা ৯৪/২০১৭ইং। এ মামলার প্রেক্ষিতে মামলার ঘটনার সত্যতা পেয়ে ছাতক থানা পুলিশ ২০১৭ সালে আদালতে ফয়জুল হক, ছমির ও কবির এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। আদালত এ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ৩ আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।  আসামীরা সুজিনার মামা জবান আলী ও তার পরিবারকে হত্যার হুমকী দিতে থাকলে ভয়ে সুজিনা বেগমের পরিবার গ্রাম ছেড়ে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে বসবাস করেন। অবশেষ মামলার প্রধান আসামী ফয়জুল হককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব। আটকের পর  আসামীকে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানায় পাঠানো হয়েছে বলে জানা যায়।

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ