বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
সিলেট-৩ আসনের জনগণের উন্নয়নে কাজ করতে চাই : এড. মিসবাহ সিরাজ  » «   বিশ্বনাথে প্রবাসী ইসলাম উদ্দিনের উদ্যোগে অসহায় শিশুদের ফ্রি খতনা প্রদান  » «   বিশ্বনাথে প্রতিপক্ষের হামলায় দিনমজুর আহত  » «   সিলেট বিভাগের মধ্যে ‘ই-নামজারি’ কার্যক্রমে বিশ্বনাথের সফলতা অর্জন  » «   বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ কর্মকর্তা-কর্মচারী সংবর্ধিত  » «   শিক্ষক নিয়োগে বিশ্বনাথ উপজেলা কৌটায় ভুয়া নাগরিক সনদে বহিরাগতরা  » «   নৌকার বিজয়ে অব্যাহত থাকবে কৃষকদের উন্নয়ন -শফিক চৌধুরী  » «   যারা সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড দেখতে পান না তারা অন্ধ -ইয়াহ্ইয়া চৌধুরী  » «   রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদা শাহ আজিজের দাফন সম্পন্ন  » «   সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আজিজ আর নেই  » «   বিশ্বনাথে জাতীয় পার্টিতে শতাধিক নেতাকর্মীর যোগদান  » «   বিশ্বনাথে দেওকলস স্কুল এন্ড কলেজে অধ্যক্ষ আব্দুল মুকিত স্মরণে শোকসভা  » «   বিশ্বনাথে ময়লা পরিস্কার করতে সড়কে ঝাড়ু হাতে শিক্ষার্থীরা  » «   রশিদপুরে স্পীড ব্রেকার-গোল চত্তর-যাত্রী চাউনী নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন  » «   বিশ্বনাথে শ্রমিকলীগের জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  » «  

বালাগঞ্জে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ : থানায় মামলা দায়ের

বালাগঞ্জ প্রতিনিধি :: বালাগঞ্জে ৭ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শনিবার সংঘটিত এ ঘটনার বিষয়ে জড়িত দু’জনের বিরুদ্ধে বালাগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ছাত্রীর পিতার দায়েরকৃত মামলা নম্বর ০৩। তারিখ ১১/০৩/২০১৮ইং। মামলায় অভিযুক্তরা হচ্ছে উপজেলার সিরিয়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আশিক মিয়ার পুত্র আরিফ মিয়া (১৮) ও বর্তমানে বালাগঞ্জ উপজেলা সদরের নবীনগরে বসবাসরত হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার দত্তগ্রামের উপেÐ দাশের ছেলে রোমন দাশ (১৮)। এ নিয়ে এলাকায় তিব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বালাগঞ্জ থানার অফিসার ইন-চার্জ এসএম জালাল উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি নিজে মামলা তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা সদরের তয়রুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ওই ছাত্রী প্রতিদিনের মত স্কুলে যাওয়ার পথে গত শনিবার সকালে প্রলোভন দেখিয়ে তাকে স্থানীয় নবীনগরস্থ রোমন দাশের বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আরিফ ও রোমন দু’বন্ধু মিলে কয়েক দফা ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। এরপর ছাত্রীটি বাড়ি ফিরে ঘটনার বিষয়ে অভিভাবকদের খুলে বলে। ধর্ষিতার পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি তাৎক্ষণিক বালাগঞ্জ থানা পুলিশকে অবহিত করার পাশাপাশি ছাত্রীটিকে চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছে বলে জানা গেছে।
ধর্ষিতার মা আলেয়া বেগমের সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণকারীরা মোবাইলে ধর্ষণচিত্র ধারণ করে ঘটনার বিষয়ে কাউকে না বলার জন্য ধর্ষিতাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। ধর্ষক আরিফ ইতোপূর্বেও ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে তয়রুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় বিদ্যালয়ের অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং এলাকাবাসীর মধ্যে তিব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টির নিন্দা জানিয়ে ধর্ষকদের দ্রæত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে বালাগঞ্জ থানার অফিসার ইন-চার্জ এসএম জালাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ধর্ষিত ছাত্রীর বাবা মো. রুহেল খান বাদী হয়ে গতকাল রোববার বালাগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-৩। তারিখ-১১/০৩/১৮ইং। আসামীদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ