শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বনাথে একই পরিবারের ৬ জন অগ্নিদগ্ধ হয়ে গৃহবধূ নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের  » «   বিশ্বনাথে রুমী হত্যাকান্ডে গ্রেফতারকৃত ৪ জনের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি  » «   বিশ্বনাথে মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি : থানায় জিডি  » «   বিশ্বনাথে বিষপানে অটোরিকশা চালকের আত্মহত্যা  » «   বিশ্বনাথে ওরুসের নামে অসামাজিক কর্মকান্ড বন্ধ রাখতে কঠোর অবস্থানে পুলিশ  » «   বিশ্বনাথে কিশোরী হত‌্যার রহস‌্য উদঘাটন : মূল হত‌্যাকারী’সহ গ্রেফতার ৪  » «   সিলেট-৩ আসনের জনগণের উন্নয়নে কাজ করতে চাই : এড. মিসবাহ সিরাজ  » «   বিশ্বনাথে প্রবাসী ইসলাম উদ্দিনের উদ্যোগে অসহায় শিশুদের ফ্রি খতনা প্রদান  » «   বিশ্বনাথে প্রতিপক্ষের হামলায় দিনমজুর আহত  » «   সিলেট বিভাগের মধ্যে ‘ই-নামজারি’ কার্যক্রমে বিশ্বনাথের সফলতা অর্জন  » «   বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ কর্মকর্তা-কর্মচারী সংবর্ধিত  » «   শিক্ষক নিয়োগে বিশ্বনাথ উপজেলা কৌটায় ভুয়া নাগরিক সনদে বহিরাগতরা  » «   নৌকার বিজয়ে অব্যাহত থাকবে কৃষকদের উন্নয়ন -শফিক চৌধুরী  » «   যারা সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড দেখতে পান না তারা অন্ধ -ইয়াহ্ইয়া চৌধুরী  » «   রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদা শাহ আজিজের দাফন সম্পন্ন  » «  

গানের সত্ত্ব নিয়ে ২ প্রবাসীর মধ্যকার বিরোধ নিস্পত্তি

th-16বিশ্বনাথনিউজ২৪:: ‘নিষ্টুর বন্ধুরে, পাষাণ বন্ধুরে তর মনে কি দয়া মায়া নাই ওরে’ গানের সত্ত্ব নিয়ে গীতিকার বাউল ফারুক মিয়া ও প্রবাসী রহিম উদ্দিনের মধ্যে চলমান দ্বন্দ নিরশন হয়েছে। উভয় পক্ষের তথ্য প্রমান যাচাই-বাচাই শেষে গানটির সত্ত্ব কুয়েত প্রবাসী গীতিকার ফারুক মিয়ার পক্ষে রায় প্রদান করা হয়েছে। যুক্তরাজ্য প্রবাসী গীতিকার আছাব আলীর হস্তক্ষেপে বিরোধটি নিস্পত্তি হয়েছে।
জানা গেছে, কুয়েত প্রবাসী গীতিকার বাউল ফারুক মিয়া ২০১২ সালের ৯ নভেম্বর ‘নিষ্টুর বন্ধুরে, পাষাণ বন্ধুরে তর মনে কি দয়া মায়া নাই ওরে’ গানটি রচনা করেন। ২০১৩ সালে দিরাইয়ের বাউল মোশাহিদ ভান্ডারীর কন্ঠে গাওয়া হয়। ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে স্ব-রচিত (নিজের লেখা) ২৯টি গান নিয়ে ‘প্রেম জ্বালা’ নামে একটি স্মারক প্রকাশ করেন গীতকার বাউল ফারুক মিয়া। ওই স্মারকে ২১ নাম্বারে ছাপা হয় উক্ত গানটি। পরবর্তীতে চলতি বছরের ২০ অক্টোবর গীতিকার ফারুক মিয়া তার রচিত ৫০টি গান দিয়ে ২য় বারের মতো আরেকটি স্মারক প্রকাশ করেন। ওই স্মারকের ২৯ নাম্বারে ‘নিষ্টুর বন্ধুরে, পাষাণ বন্ধুরে তর মনে কি দয়া মায়া নাই ওরে’ বিচ্ছেদ গানটি প্রকাশিত হয়। কিšুÍ সম্প্রতি গীতিকার ফারুক মিয়ার রচিত ‘নিষ্টুর বন্ধুরে, পাষাণ বন্ধুরে তর মনে কি দয়া মায়া নাই ওরে’ গানটি ভিডিও রেকডিং করে যুক্তরাজ্য প্রবাসী রহিম উদ্দিনের নামে বাউল শফিক উদ্দিনের ফেসবুক আইডিতে শুনা যায়। এরপর গানের সত্ত্ব¡ নিয়ে গীতিকার ফারুক মিয়া ও রহিম উদ্দিনের মধ্যে দ্বন্ধের সৃষ্টি হয়। ফেসবুকে উভয় পক্ষের মধ্যে চলে পাল্টাপাল্টি লেখালেখি।
বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য যুক্তরাজ্য প্রবাসী গীতিকার আছাব আলী উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এরপর চলে উভয় পক্ষের তথ্য-প্রমানাদি যাচাই-বাচাই। সকল প্রমানাদি পর্যালোচনা শেষে গানটির সত্ত্বের রায় গীতিকার ফারুক মিয়ার পক্ষে যায়।
গীতিকার ফারুক মিয়া ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী রহিম উদ্দিনের মধ্যে গানের সত্ত্ব নিয়ে ভুল বুঝাবুঝির ঘটনাটি অনাকাঙ্খিত, এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করে যুক্তরাজ্য প্রবাসী গীতিকার ফারুক মিয়া বলেন, যেহেতু আপোষ-মিমাংশায় বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে, সেহেতু বিষয়টি নিয়ে বাউল সমাজে যাতে কোন ভুল বুঝাবুঝি না হয় সেদিকে সবাইকে স্বজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। আর বিষয়টি সুন্দর ভাবে নিষ্পত্তি হওয়ায় তিনি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ