বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বনাথের লামাকাজী ও খাজাঞ্চী ইউনিয়নে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ  » «   রংপুরের পল্লীনিবাসে​ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় এরশাদের দাফন সম্পন্ন  » «   টিকটক করতে সুরমা নদীতে ঝাঁপ দেয়া সেই তরুণের লাশ বিশ্বনাথ থেকে উদ্ধার  » «   বিশ্বনাথে মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসা জামে মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন  » «   বিশ্বনাথে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন উপজেলা চেয়ারম‌্যান  » «   বিশ্বনাথে আশুগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজ’র গভর্ণিং বডি’র নির্বাচন সম্পন্ন  » «   বিশ্বনাথে আশুগঞ্জ আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজের গর্ভনিং বডির নির্বাচনে ভোটগ্রহন চলছে  » «   ক্রিকেটের জনক ইংল্যান্ডের প্রথম বিশ্বকাপ জয়  » «   বিশ্বনাথের রাজাগঞ্জ বাজারে ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের উদ্বোধন  » «   বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর সড়ক সংস্কারের আশ্বাস দেওয়ায় বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত প্রত‌্যাহার  » «   হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ আর নেই  » «   বিশ্বনাথে বন‌্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে উপজেলা চেয়ারম্যান-ইউএনও  » «   বিশ্বনাথে বন‌্যার পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত : ব‌্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশংকা  » «   বিশ্বনাথে গরু চোর আটকে এলাকায় স্বস্তি  » «   বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর সড়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত  » «  

গানের সত্ত্ব নিয়ে ২ প্রবাসীর মধ্যকার বিরোধ নিস্পত্তি

th-16বিশ্বনাথনিউজ২৪:: ‘নিষ্টুর বন্ধুরে, পাষাণ বন্ধুরে তর মনে কি দয়া মায়া নাই ওরে’ গানের সত্ত্ব নিয়ে গীতিকার বাউল ফারুক মিয়া ও প্রবাসী রহিম উদ্দিনের মধ্যে চলমান দ্বন্দ নিরশন হয়েছে। উভয় পক্ষের তথ্য প্রমান যাচাই-বাচাই শেষে গানটির সত্ত্ব কুয়েত প্রবাসী গীতিকার ফারুক মিয়ার পক্ষে রায় প্রদান করা হয়েছে। যুক্তরাজ্য প্রবাসী গীতিকার আছাব আলীর হস্তক্ষেপে বিরোধটি নিস্পত্তি হয়েছে।
জানা গেছে, কুয়েত প্রবাসী গীতিকার বাউল ফারুক মিয়া ২০১২ সালের ৯ নভেম্বর ‘নিষ্টুর বন্ধুরে, পাষাণ বন্ধুরে তর মনে কি দয়া মায়া নাই ওরে’ গানটি রচনা করেন। ২০১৩ সালে দিরাইয়ের বাউল মোশাহিদ ভান্ডারীর কন্ঠে গাওয়া হয়। ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে স্ব-রচিত (নিজের লেখা) ২৯টি গান নিয়ে ‘প্রেম জ্বালা’ নামে একটি স্মারক প্রকাশ করেন গীতকার বাউল ফারুক মিয়া। ওই স্মারকে ২১ নাম্বারে ছাপা হয় উক্ত গানটি। পরবর্তীতে চলতি বছরের ২০ অক্টোবর গীতিকার ফারুক মিয়া তার রচিত ৫০টি গান দিয়ে ২য় বারের মতো আরেকটি স্মারক প্রকাশ করেন। ওই স্মারকের ২৯ নাম্বারে ‘নিষ্টুর বন্ধুরে, পাষাণ বন্ধুরে তর মনে কি দয়া মায়া নাই ওরে’ বিচ্ছেদ গানটি প্রকাশিত হয়। কিšুÍ সম্প্রতি গীতিকার ফারুক মিয়ার রচিত ‘নিষ্টুর বন্ধুরে, পাষাণ বন্ধুরে তর মনে কি দয়া মায়া নাই ওরে’ গানটি ভিডিও রেকডিং করে যুক্তরাজ্য প্রবাসী রহিম উদ্দিনের নামে বাউল শফিক উদ্দিনের ফেসবুক আইডিতে শুনা যায়। এরপর গানের সত্ত্ব¡ নিয়ে গীতিকার ফারুক মিয়া ও রহিম উদ্দিনের মধ্যে দ্বন্ধের সৃষ্টি হয়। ফেসবুকে উভয় পক্ষের মধ্যে চলে পাল্টাপাল্টি লেখালেখি।
বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য যুক্তরাজ্য প্রবাসী গীতিকার আছাব আলী উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এরপর চলে উভয় পক্ষের তথ্য-প্রমানাদি যাচাই-বাচাই। সকল প্রমানাদি পর্যালোচনা শেষে গানটির সত্ত্বের রায় গীতিকার ফারুক মিয়ার পক্ষে যায়।
গীতিকার ফারুক মিয়া ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী রহিম উদ্দিনের মধ্যে গানের সত্ত্ব নিয়ে ভুল বুঝাবুঝির ঘটনাটি অনাকাঙ্খিত, এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করে যুক্তরাজ্য প্রবাসী গীতিকার ফারুক মিয়া বলেন, যেহেতু আপোষ-মিমাংশায় বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে, সেহেতু বিষয়টি নিয়ে বাউল সমাজে যাতে কোন ভুল বুঝাবুঝি না হয় সেদিকে সবাইকে স্বজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। আর বিষয়টি সুন্দর ভাবে নিষ্পত্তি হওয়ায় তিনি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ