বুধবার, ১৮ জুলাই, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
ইলিয়াস আলীর সন্ধান কামনায় বিশ্বনাথে বিএনপির মিলাদ-দোয়া মাহফিল  » «   বিশ্বনাথ এইড ইউকে’র নতুন কমিটি গঠন  » «   বিশ্বনাথে পৃথক স্থানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ  » «   বিশ্বনাথে তালাবদ্ধ সেই মার্কেট আদালতের নির্দেশে খুলে দিল পুলিশ  » «   বিশ্বনাথে অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের মাঝে চাল বিতরণ  » «   বিশ্বনাথে মাত্র ৬০ হাজার টাকার অভাবে দুচোখ হারাতে বসেছে কিশোর মারজান  » «   বিশ্বনাথে গরু চুরি : থানায় জিডি  » «   বিশ্বনাথ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বখাটে কর্তৃক ইভটিজিংয়ের শিকার কলেজ ছাত্রী  » «   বিশ্বনাথের খাজাঞ্চীতে ত্রাণ বিতরণ করলেন ইলিয়াসপত্নী লুনা  » «   বিশ্বকাপ জয়ে উৎসবে ভাসছে ফ্রান্স  » «   দ্বিতীয় বারের মতো বিশ্বকাপ ফুটবলের শিরোপা জিতলো ফ্রান্স  » «   লালাবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ : আহত ৪০  » «   জগন্নাথপুরে ইউএনও ও এসিল্যান্ডের পদ শুন্য : প্রশাসনিক কাজে স্থবিরতা  » «   বিশ্বনাথে সাড়ে ২৬ হাজার শিশু খেল ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাপসুল  » «   ব্রিটেনে বিশ্বনাথের ছেলে মাসায়েল’র ডিগ্রী অর্জন  » «  

গানের সত্ত্ব নিয়ে ২ প্রবাসীর মধ্যকার বিরোধ নিস্পত্তি

th-16বিশ্বনাথনিউজ২৪:: ‘নিষ্টুর বন্ধুরে, পাষাণ বন্ধুরে তর মনে কি দয়া মায়া নাই ওরে’ গানের সত্ত্ব নিয়ে গীতিকার বাউল ফারুক মিয়া ও প্রবাসী রহিম উদ্দিনের মধ্যে চলমান দ্বন্দ নিরশন হয়েছে। উভয় পক্ষের তথ্য প্রমান যাচাই-বাচাই শেষে গানটির সত্ত্ব কুয়েত প্রবাসী গীতিকার ফারুক মিয়ার পক্ষে রায় প্রদান করা হয়েছে। যুক্তরাজ্য প্রবাসী গীতিকার আছাব আলীর হস্তক্ষেপে বিরোধটি নিস্পত্তি হয়েছে।
জানা গেছে, কুয়েত প্রবাসী গীতিকার বাউল ফারুক মিয়া ২০১২ সালের ৯ নভেম্বর ‘নিষ্টুর বন্ধুরে, পাষাণ বন্ধুরে তর মনে কি দয়া মায়া নাই ওরে’ গানটি রচনা করেন। ২০১৩ সালে দিরাইয়ের বাউল মোশাহিদ ভান্ডারীর কন্ঠে গাওয়া হয়। ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে স্ব-রচিত (নিজের লেখা) ২৯টি গান নিয়ে ‘প্রেম জ্বালা’ নামে একটি স্মারক প্রকাশ করেন গীতকার বাউল ফারুক মিয়া। ওই স্মারকে ২১ নাম্বারে ছাপা হয় উক্ত গানটি। পরবর্তীতে চলতি বছরের ২০ অক্টোবর গীতিকার ফারুক মিয়া তার রচিত ৫০টি গান দিয়ে ২য় বারের মতো আরেকটি স্মারক প্রকাশ করেন। ওই স্মারকের ২৯ নাম্বারে ‘নিষ্টুর বন্ধুরে, পাষাণ বন্ধুরে তর মনে কি দয়া মায়া নাই ওরে’ বিচ্ছেদ গানটি প্রকাশিত হয়। কিšুÍ সম্প্রতি গীতিকার ফারুক মিয়ার রচিত ‘নিষ্টুর বন্ধুরে, পাষাণ বন্ধুরে তর মনে কি দয়া মায়া নাই ওরে’ গানটি ভিডিও রেকডিং করে যুক্তরাজ্য প্রবাসী রহিম উদ্দিনের নামে বাউল শফিক উদ্দিনের ফেসবুক আইডিতে শুনা যায়। এরপর গানের সত্ত্ব¡ নিয়ে গীতিকার ফারুক মিয়া ও রহিম উদ্দিনের মধ্যে দ্বন্ধের সৃষ্টি হয়। ফেসবুকে উভয় পক্ষের মধ্যে চলে পাল্টাপাল্টি লেখালেখি।
বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য যুক্তরাজ্য প্রবাসী গীতিকার আছাব আলী উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এরপর চলে উভয় পক্ষের তথ্য-প্রমানাদি যাচাই-বাচাই। সকল প্রমানাদি পর্যালোচনা শেষে গানটির সত্ত্বের রায় গীতিকার ফারুক মিয়ার পক্ষে যায়।
গীতিকার ফারুক মিয়া ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী রহিম উদ্দিনের মধ্যে গানের সত্ত্ব নিয়ে ভুল বুঝাবুঝির ঘটনাটি অনাকাঙ্খিত, এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করে যুক্তরাজ্য প্রবাসী গীতিকার ফারুক মিয়া বলেন, যেহেতু আপোষ-মিমাংশায় বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে, সেহেতু বিষয়টি নিয়ে বাউল সমাজে যাতে কোন ভুল বুঝাবুঝি না হয় সেদিকে সবাইকে স্বজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। আর বিষয়টি সুন্দর ভাবে নিষ্পত্তি হওয়ায় তিনি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ