রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বনাথের রামপাশায় বিএনপির মিলাদ ও দোয়া মাহফিল  » «   বিশ্বনাথে হামলার অভিযোগে ইউপি সদস্যের মামলা দায়ের  » «   বিশ্বনাথে যুক্তরাজ্য প্রবাসীর বিরুদ্ধে ভাই-বোনদের মামলা  » «   ইলিয়াসপত্নী লুনার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে  » «   দৌলতপুর ইউনিয়ন এডুকেশন এন্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট’র বৃত্তি বিতরণ  » «   কবি আল মাহমুদ আর নেই  » «   বালাগঞ্জে মোস্তাকুর রহমান মফুরের সমর্থনে উপজেলা আ’লীগের কর্মীসভা  » «   নুনু মিয়ার সমর্থনে বিশ্বনাথ ইউনিয়ন আ’লীগের যৌথ কর্মীসভা  » «   ইলিয়াসপত্নী লুনা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি  » «   যে কারণে জামায়াত থেকে পদত্যাগ করলেন ব্যারিস্টার রাজ্জাক  » «   বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন মিছবাহ উদ্দিন  » «   বিশ্বনাথে নুনু মিয়ার সমর্থনে অলংকারী ইউনিয়ন আ’লীগের যৌথ কর্মীসভা  » «   বিশ্বনাথের টেংরায় ১৭তম তাফসীরুল কোরআন মাহফিল সম্পন্ন  » «   বিশ্বনাথে আ’লীগ নেতার বাড়িতে ডাকাতি : ৬ লাখ টাকার মালামাল লুট  » «   প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়ে জার্মান যাচ্ছেন শফিক চৌধুরী  » «  

জগন্নাথপুরে ঠান্ডার কারনে ধান ফ্লাওয়ারিংয়ে বাঁধাগ্রস্থ : কৃষকরা উদ্বিগ্ন

jagannathpur-pic-23-03-2017মো: আব্দুল হাই, জগন্নাথপুর :: জগন্নাথপুর উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে অতিরিক্ত ঠান্ডার কারনে চৈত্র মাসের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও ধান ফ্লাওয়ারিংয়ে বাধা গ্রস্থ হওয়ায় কৃষি বিভাগের পাশাপাশি কৃষকরা চরম উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। কৃষকরা জানিয়েছেন গত বছরের বোরো মৌসুমে চৈত্র মাসের প্রথম সপ্তাহে আংশিক ধান কাঁটা শুরু হলেও চলতি বছরের বোরো মৌসুমে এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনো ধান কাঁটা সম্ভব হয়নি। জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অফিস সূত্রে জানা গেছে চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলার নলুয়া, মইয়া, পিংলা, জামাই কাঁটা, পারুয়া, বানাইয়া, হাপাতি, রাঙ্গার কিত্তা, ধলুয়ার হাওরসহ ছোট বড় প্রায় ১৫টি হাওরে ২০হাজার ২শত ৭ হেক্টর জমিতে ফসল আবাধ করা হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রিট জাতীয় ২হাজার ৮শত ৬০ হেক্টর, উপশী ১৭হাজার ১শত ৫ হেক্টর এবং স্থানীয় জাতের ২শত ৪২ হেক্টর আবাধ করা হয়েছে। চৈত্র মাসে রাতে প্রচন্ড ঠান্ডা এবং দিনে গরমের কারনে ধানের চারায় ফ্লাওয়ারিং অবস্থায় চিটা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে আবহাওয়া পরিবর্তন হলে বাম্পার ফসলের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে এ বছর ১লাখ ১হাজার ৩৫ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অফিসের উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষন কর্মকর্তা তপন চন্দ্র শীল জানান, চৈত্র মাসে অতিরিক্ত ঠান্ডার কারনে ধানের ফ্লাওয়ারিংয়ে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। আবহাওয়া পরিবর্তন হলে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। হাওরের ফসলের অবস্থান সার্বক্ষনিক তদারকিতে কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান মজুমদারের নেতৃত্বে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগন ভ্রাম্যমান কৃষি সেবার জন্য ঠিম গঠন করে মাঠে কাজ করছেন। এবং উদ্ভিদ সংরক্ষন কার্যক্রমের জন্য আলাদা ঠিম গঠন করে প্রতি সপ্তাহে ২টি কার্যক্রম উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে পরিচালনা করা হচ্ছে। এদিকে অধিকাংশ কৃষকরা জানিয়েছেন প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে অধিকাংশ কৃষকরাই আগাম ফসল ঘরে তোলার লক্ষে ব্রি ধান-২৮ এর ফলন করেছেন। এখনও জমিতে ধান বের না হওয়ায় চরম উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। সরেজমিন হাওরগুলো ঘুরে চৈত্র মাসের ৮তারিখ পর্যন্ত দেখা গেছে জমিতে সবুজের সমারহ। মাঝে মাঝে ধানের চারায় লালছে দেখা গেছে। এভাবে পুরো উপজেলার হাওরগুলোর একই অবস্থা বিরাজ করছে।

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ