মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বনাথে গরু চুরি : থানায় জিডি  » «   বিশ্বনাথ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বখাটে কর্তৃক ইভটিজিংয়ের শিকার কলেজ ছাত্রী  » «   বিশ্বনাথের খাজাঞ্চীতে ত্রাণ বিতরণ করলেন ইলিয়াসপত্নী লুনা  » «   বিশ্বকাপ জয়ে উৎসবে ভাসছে ফ্রান্স  » «   দ্বিতীয় বারের মতো বিশ্বকাপ ফুটবলের শিরোপা জিতলো ফ্রান্স  » «   লালাবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ : আহত ৪০  » «   জগন্নাথপুরে ইউএনও ও এসিল্যান্ডের পদ শুন্য : প্রশাসনিক কাজে স্থবিরতা  » «   বিশ্বনাথে সাড়ে ২৬ হাজার শিশু খেল ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাপসুল  » «   ব্রিটেনে বিশ্বনাথের ছেলে মাসায়েল’র ডিগ্রী অর্জন  » «   বিশ্বনাথে হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ৪ জনের কারাদন্ড  » «   সিসিক নির্বাচনে হিসাবনিকাশ পাল্টে দিতে পারেন নতুন ভোটাররা  » «   বিশ্বনাথ এইড ইউকে’র ১০ বছর পূর্তি ও নতুন কমিটির অভিষেক ৭ অগাস্ট  » «   ডাক্তার যখন কসাই  » «   উত্তর বিশ্বনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন জসিম উদ্দিন খান  » «   বালাগঞ্জের মোরারবাজারে মাদক, জঙ্গী ও সন্ত্রাস বিরোধী মতবিনিময় সভা  » «  

জানাজার মাইকিংয়ের পর জেগে উঠলেন মৃত ব্যক্তি

75705_123নিউজ ডেস্ক :: মৃত ঘোষণা করা হলো। মাইকিং করে জানাজা নামাজের খবর প্রচার হলো। কবর খোড়া শুরু হলো। গোসল দেয়ার জন্য পানি গরম করা হচ্ছে। ঠিক এমন সময় ‘মৃত’ ব্যাক্তিটি নড়ে উঠলেন। বেঁচে আছেন ভেবে অ্যাম্বুলেন্সে করে সাটুরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলো। কর্তব্যরত ডাক্তার দেখলেন তিনি এখনো জীবিত। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার হান্দুলিয়া গ্রামে। স্থানীয়রা জানান, হান্দুলিয়া গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের পুত্র ও সাটুরিয়া সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ আবুল বাশার সরকারের বড় ভাই সামছুল হক (৬২) ঢাকার শমরিতা হাসপাতালের চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানের চিকিৎসকরা আজ সোমবার তাকে বাঁচানো সম্ভব হবে না বলে রিলিজ দেন। কোনো পালস না পাওয়ায় আত্মীয়-স্বজনরা মারা গেছেন বলে ধারনা করেন। পরে আজ আছরের নামাজের পর জানাজা নামাজ ও দাফনের জন্য মাইকিং করা হয়। সাটুরিয়া ইউনিয়নের প্রায় ১০টি গ্রামের মসজিদের মাইকেও এ সংবাদ প্রচার করা হয়। কবর বানানো হয়। পানি গরম শেষে গোসল করানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন পরিবারের লোকজন। ঠিক এমন সময় নড়ে উঠেন মৃত ঘোষিত সামছুল হক। পরে অ্যাম্বুলেন্সে করে বিকেল ৫টায় তাকে সাটুরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক অ্যাম্বুলেন্সেই প্রাথমিক চেকআপ করে নিশ্চিত করেন, তিনি জীবিত আছেন। তবে আশঙ্কামুক্ত নন বলে জানিয়েছেন জরুরি বিভাগের মেডিক্যাল অফিসার। তার ছোট ভাই ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আবুল বাশার সরকার জানান, গত ১ নভেম্বর তার বড় ভাই সামছুল হক ব্রেন স্ট্রোক করেন। তাকে সাটুরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে মানিকগঞ্জের বেসরকারি মন্নু হসপিটাল ও মানিকগঞ্জের বিকাশ চন্দ্র তরফদার চিকিৎসা করার পর সুস্থ্ হয়ে উঠেন। হাটা চলাসহ সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে উঠে। গত ৪ নভেম্বর আবার ব্রেন স্ট্রোক করলে সাটুরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে অবস্থা অবনতি হলে ঢাকার শমরিতা হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে সিটি স্ক্যানসহ চিকিৎসার একপর্যায়ে শনিবার তৃতীয়বারের মত ব্রেন স্ট্রোক করেন। পরে রোববার তাকে আইসিইউতে রাখা হয়। আজ দুপর ১২টার দিকে সমরিতা হাসপাতালের চিকিৎসক বাঁচানো সম্ভব না বলে রিলিজ দেন। সেখান থেকে বাড়ি আনা হয়। বাড়িতে তার সম্পূর্ণ শরীর নিস্তেজ হয়ে যায় এবং কোনো পালস পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ইন্তেকাল করেছেন মনে করে জানাজা নামাজ ও দাফনের আয়োজন করা হয়। এদিকে মাইকিং করে মৃত ঘোষণা করার পর বেঁচে আছেন এমন সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে সাটুরিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে উৎসুক জনতা একনজরে দেখার জন্য সন্ধ্যা থেকে সাটুরিয়া স্থাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসতে থাকেন। এ ব্যাপারে সাটুরিয়া হসপিটালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রাজিব জানান, সামছুল হক জীবিত থাকলেও তাকে অক্সিজেন দিয়ে রাখা হয়েছে। তবে তিনি আশঙ্কামুক্ত নন। সোমবার রাত ৯টায় তার পালস ছিল ৪০-৪৫।

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ