সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বনাথ মুক্ত দিবস আজ  » «   সহকারী পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পেলেন ওসি রফিকুল হোসেন  » «   বিশ্বনাথে অপরাধ নির্মূলের লক্ষে পুলিশ প্রশাসনের মতবিনিময়  » «   সিলেট-২ আসনে বিএনপির চুড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন ইলিয়াসপত্নী লুনা  » «   আ.ন.ম. শফিক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কেমুসাস’র সভাপতি নির্বাচিত  » «   খাজাঞ্চী একাডেমী এন্ড উচ্চ বিদ‌্যালয়ে দুই প্রবাসীর সঙ্গে মতবিনিময়  » «   লুনার বিরুদ্ধে ইসি’তে দায়েরকৃত অভিযোগ খারিজ  » «   নাজিরবাজারে অগ্নিকান্ডে ৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই : ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি  » «   ওসমানীনগরে ব্যবসায়ীর বাসায় ডাকাতি : স্বর্ণালঙ্কারসহ মালামাল লুট  » «   বিশ্বনাথে পূর্ব চান্দসীর কাপন ও বিদাইসুলপানি গ্রামবাসীর সঙ্গে পুলিশের মতবিনিময়  » «   বিশ্বনাথের প্রীতিগঞ্জ বাজারে পুলিশ প্রশাসনের মতবিনিময়  » «   আপিলেও টিকলো না মুহিব-সরদার’র মনোনয়ন  » «   লুনায় একাট্রা বিএনপি : মহাজোটের প্রার্থী হয়েও এহিয়া’কে লড়তে হবে একা!  » «   কাতারে কুরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বনাথের মাহি’র প্রথম স্থান অর্জন  » «   বিশ্বনাথে চুরি-ডাকাতি প্রতিরোধ ও মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে পুলিশের উঠান বৈঠক  » «  

বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোরআন

quranপৃথিবীর বৃহত্তম কোরআন শরীফ তৈরি করেছেন আফগানিস্তানের হস্তলিপিকার মোহাম্মদ সাবির খেদ্রি। এটির ওজন ৫০০ কেজি।

কোনআর শরিফটি নির্মানে ব্যায় করা হয়েছে অর্ধমিলিয়ন ডলার। কাপড় ও কাগজ দিয়ে তৈরি ২১৮ টি পৃষ্ঠার এই ধর্মীয় গ্রন্থটির আকার দৈর্ঘ্যে ৯০ ইঞ্চি বা ২ দশমিক ২৮ মিটার এবং প্রস্থে ৬১ ইঞ্চি বা ১ দশমিক ৫৫ মিটার।

পৃষ্ঠার প্রান্তগুলো চামড়া দিয়ে কারুকার্যমন্ডিত যা তৈরি করতে ২১ টি ছাগলের চামড়া ব্যবহার করা হয়েছে।

কাবুল কালচারাল সেন্টার জানিয়েছে, এই কোরআনটিকে পৃথিবীর বৃহত্তম বলে ঘোষণা দিয়েছে আফগানিস্তানের হজ্ব ও ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। কোরআন শরীফটি এখন ওই কালচারাল সেন্টারেই রয়েছে। এর আগে পৃথিবীর বৃহত্তম কোরআন শরীফ তৈরির কৃতিত্বের দাবিদার ছিল রাশিয়া।

গত বছর উন্মোচিত দেশটির তাতারস্তান অঞ্চলে নির্মিত ওই কোরআন শরীফটির পৃষ্ঠাগুলোর আয়তন ছিল দৈর্ঘ্যে ২ মিটার ও প্রস্থে ১ দশমিক ৫ মিটার। বৃহত্তম কোরআন শরীফ তৈরির প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে মূল হস্তলিপিকার মোহাম্মদ সাবির খেদ্রির সহযোগী হিসেবে ৯ জন ছাত্রও কাজ করেছেন। সোনালী লিপিগুলোকে ফুটিয়ে তুলতে বিশালাকার পৃষ্ঠাগুলোর চারধারে প্রতিকী কারুকাজ হিসেবে ছোট ছোট লাখ লাখ রঙিন বিন্দু ব্যবহার করেছেন তারা। এত পরিশ্রমের পরও যদি অন্য কেউ এর চেয়ে বড় কোরআন শরীফ নির্মাণ করেন তা নিয়ে খেদ থাকবেনা খেদ্রির।

বিশ্বের বৃহত্তম কোরআন নির্মাতা বলেছেন, “অন্য কেউ যদি এর চেয়ে বড় কোরআন নির্মাণ করে তবে আমি খুশি হব, এর ফলে ইসলাম রক্ষা পাবে।”

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ