শুক্রবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বনাথ ব্লাড সোসাইটি’র সেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি পালিত  » «   বিশ্বনাথে সাজ্জাদুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস পালন  » «   সবাইকে শতভাগ খাঁটি দেশ প্রেমিক হতে হবে -শফিক চৌধুরী  » «   শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় বিশ্বনাথে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস পালন  » «   বিশ্বনাথে গাড়ি দূর্ঘটনায় যুবক নিহত  » «   বিশ্বনাথের রামপাশায় তাফসীরুল কুরআন সংস্থা’র উদ্যেগে ফ্রি খতনা প্রদান  » «   বিশ্বনাথে ১৩২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট কাউন্সিল নির্বাচন সম্পন্ন  » «   উপজেলা নির্বাচন : বিশ্বনাথের ৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল, ১৫ প্রার্থীর বৈধ  » «   বিশ্বনাথের ১০টি হাওর-খাল পুনঃখননের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান  » «   বিশ্বনাথে সিদ্ধ বকুলতলায় অন্তর্ধান মহোৎসবে মানুষের ঢল  » «   বিশ্বনাথে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ড্রেস-ব্যাগ-ছাতা বিতরণ করলেন শফিক চৌধুরী  » «   বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৩ পদে ২২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল  » «   বিশ্বনাথে ভাইস-চেয়াম্যান প্রার্থী জুবেল আহমদের মনোনয়নপত্র জমা  » «   বিশ্বনাথে ভাইস-চেয়াম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ফখরুল আহমদ  » «   বিশ্বনাথে চেয়ারম্যান প্রার্থী সুহেল আহমদ চৌধুরীর মনোনয়নপত্র জমা  » «  

বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোরআন

quranপৃথিবীর বৃহত্তম কোরআন শরীফ তৈরি করেছেন আফগানিস্তানের হস্তলিপিকার মোহাম্মদ সাবির খেদ্রি। এটির ওজন ৫০০ কেজি।

কোনআর শরিফটি নির্মানে ব্যায় করা হয়েছে অর্ধমিলিয়ন ডলার। কাপড় ও কাগজ দিয়ে তৈরি ২১৮ টি পৃষ্ঠার এই ধর্মীয় গ্রন্থটির আকার দৈর্ঘ্যে ৯০ ইঞ্চি বা ২ দশমিক ২৮ মিটার এবং প্রস্থে ৬১ ইঞ্চি বা ১ দশমিক ৫৫ মিটার।

পৃষ্ঠার প্রান্তগুলো চামড়া দিয়ে কারুকার্যমন্ডিত যা তৈরি করতে ২১ টি ছাগলের চামড়া ব্যবহার করা হয়েছে।

কাবুল কালচারাল সেন্টার জানিয়েছে, এই কোরআনটিকে পৃথিবীর বৃহত্তম বলে ঘোষণা দিয়েছে আফগানিস্তানের হজ্ব ও ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। কোরআন শরীফটি এখন ওই কালচারাল সেন্টারেই রয়েছে। এর আগে পৃথিবীর বৃহত্তম কোরআন শরীফ তৈরির কৃতিত্বের দাবিদার ছিল রাশিয়া।

গত বছর উন্মোচিত দেশটির তাতারস্তান অঞ্চলে নির্মিত ওই কোরআন শরীফটির পৃষ্ঠাগুলোর আয়তন ছিল দৈর্ঘ্যে ২ মিটার ও প্রস্থে ১ দশমিক ৫ মিটার। বৃহত্তম কোরআন শরীফ তৈরির প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে মূল হস্তলিপিকার মোহাম্মদ সাবির খেদ্রির সহযোগী হিসেবে ৯ জন ছাত্রও কাজ করেছেন। সোনালী লিপিগুলোকে ফুটিয়ে তুলতে বিশালাকার পৃষ্ঠাগুলোর চারধারে প্রতিকী কারুকাজ হিসেবে ছোট ছোট লাখ লাখ রঙিন বিন্দু ব্যবহার করেছেন তারা। এত পরিশ্রমের পরও যদি অন্য কেউ এর চেয়ে বড় কোরআন শরীফ নির্মাণ করেন তা নিয়ে খেদ থাকবেনা খেদ্রির।

বিশ্বের বৃহত্তম কোরআন নির্মাতা বলেছেন, “অন্য কেউ যদি এর চেয়ে বড় কোরআন নির্মাণ করে তবে আমি খুশি হব, এর ফলে ইসলাম রক্ষা পাবে।”

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ