মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বনাথে ৫ জুয়াড়ি আটক  » «   বিশ্বনাথে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় লিডিং ইউনিভার্সিটির ছাত্র নিহত  » «   বিশ্বনাথে পর্নোগ্রাফি ভিডিও রাখায় ৩টি মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টারকে জরিমানা  » «   বিশ্বনাথে দু’পক্ষের মারামারিতে মৎস্য ব্যবসায়ী নিহত  » «   বিশ্বনাথে জঙ্গিবাদ সচেতনতায় দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত  » «   বিশ্বনাথ থেকে স্কুলছাত্র নিখোঁজ  » «   আ’লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশ্বনাথে র‌্যালী-সভা  » «   বিশ্বনাথের পশ্চিম ধলিপাড়া গ্রামের পানি নিষ্কাশনে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবিতে স্মারকলিপি  » «   কুলাউড়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ২ : আহত ২৫০  » «   বিশ্বনাথের সড়কগুলো সংস্কারের দাবীতে মানববন্ধন  » «   বিশ্বনাথে হেক্সাস’র সার্টিফিকেট বিতরণ  » «   বিশ্বনাথে প্রেগনেন্সি টেস্টে ভূল রিপোর্ট : অল্পের জন্য রক্ষা পেল গর্ভের সন্তান  » «   বিশ্বনাথে ভ্রাম্যমান অভিযানে সাড়ে ৯ হাজার জরিমানা আদায়  » «   বিশ্বনাথে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে রাস্তার ঝোপঝার পরিস্কার  » «   বিশ্বনাথে উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান নুনু মিয়া  » «  

বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোরআন

quranপৃথিবীর বৃহত্তম কোরআন শরীফ তৈরি করেছেন আফগানিস্তানের হস্তলিপিকার মোহাম্মদ সাবির খেদ্রি। এটির ওজন ৫০০ কেজি।

কোনআর শরিফটি নির্মানে ব্যায় করা হয়েছে অর্ধমিলিয়ন ডলার। কাপড় ও কাগজ দিয়ে তৈরি ২১৮ টি পৃষ্ঠার এই ধর্মীয় গ্রন্থটির আকার দৈর্ঘ্যে ৯০ ইঞ্চি বা ২ দশমিক ২৮ মিটার এবং প্রস্থে ৬১ ইঞ্চি বা ১ দশমিক ৫৫ মিটার।

পৃষ্ঠার প্রান্তগুলো চামড়া দিয়ে কারুকার্যমন্ডিত যা তৈরি করতে ২১ টি ছাগলের চামড়া ব্যবহার করা হয়েছে।

কাবুল কালচারাল সেন্টার জানিয়েছে, এই কোরআনটিকে পৃথিবীর বৃহত্তম বলে ঘোষণা দিয়েছে আফগানিস্তানের হজ্ব ও ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। কোরআন শরীফটি এখন ওই কালচারাল সেন্টারেই রয়েছে। এর আগে পৃথিবীর বৃহত্তম কোরআন শরীফ তৈরির কৃতিত্বের দাবিদার ছিল রাশিয়া।

গত বছর উন্মোচিত দেশটির তাতারস্তান অঞ্চলে নির্মিত ওই কোরআন শরীফটির পৃষ্ঠাগুলোর আয়তন ছিল দৈর্ঘ্যে ২ মিটার ও প্রস্থে ১ দশমিক ৫ মিটার। বৃহত্তম কোরআন শরীফ তৈরির প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে মূল হস্তলিপিকার মোহাম্মদ সাবির খেদ্রির সহযোগী হিসেবে ৯ জন ছাত্রও কাজ করেছেন। সোনালী লিপিগুলোকে ফুটিয়ে তুলতে বিশালাকার পৃষ্ঠাগুলোর চারধারে প্রতিকী কারুকাজ হিসেবে ছোট ছোট লাখ লাখ রঙিন বিন্দু ব্যবহার করেছেন তারা। এত পরিশ্রমের পরও যদি অন্য কেউ এর চেয়ে বড় কোরআন শরীফ নির্মাণ করেন তা নিয়ে খেদ থাকবেনা খেদ্রির।

বিশ্বের বৃহত্তম কোরআন নির্মাতা বলেছেন, “অন্য কেউ যদি এর চেয়ে বড় কোরআন নির্মাণ করে তবে আমি খুশি হব, এর ফলে ইসলাম রক্ষা পাবে।”

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ