সোমবার, ১৮ জুন, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বনাথে নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন এমপি ইয়াহ্‌ইয়া চৌধুরী  » «   দেশ-জাতি ও দলের জন্য ব্যক্তিস্বার্থ ত্যাগ করতে হবে -শফিক চৌধুরী  » «   ইলিয়াস সন্ধান আন্দোলনে আহত ও নিহতদের পরিবারকে অনুদান প্রদান  » «   বিশ্বনাথে নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন ও গৃহহীনদেরকে ইলিয়াসপত্নী লুনার আর্থিক অনুদান প্রদান  » «   বিশ্বনাথ-ওসমানীনগরবাসীকে মুনতাসির আলীর ঈদ শুভেচ্ছা  » «   বিশ্বনাথ নিউজ ২৪ ডটকমের ঈদ স্মারক ‘উৎসব’র মোড়ক উন্মোচন  » «   অলংকারী ইউনিয়নের ১২শ লোকের মধ‌্যে ভিজিডি’র চাল বিতরণ  » «   বিশ্বনাথ বিএনপির সভাপতির উদ্যোগে ঈদের বস্ত্র বিতরণ করলেন লুনা  » «   সিলেট জেলা পরিষদ সদস‌্য রাজী চৌধুরীর ঈদ শুভেচ্ছা  » «   বিশ্বনাথ উপজেলা চেয়ারম‌্যান সুহেল চৌধুরী’র ঈদ শুভেচ্ছা  » «   তাহসিনা রুশদী লুনা’র ঈদ শুভেচ্ছা  » «   সাবেক এমপি শফিক চৌধুরী’র ঈদ শুভেচ্ছা  » «   এমপি ইয়াহ্‌ইয়া চৌধুরীর ঈদ শুভেচ্ছা  » «   আন্দোলনের মাধ্যমেই সরকারের পতন করতে হবে-তাহসিনা রুশদীর লুনা  » «   সমাজকে দারিদ্রমুক্ত রাখতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে-শফিকুর রহমান চৌধুরী  » «  

বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোরআন

quranপৃথিবীর বৃহত্তম কোরআন শরীফ তৈরি করেছেন আফগানিস্তানের হস্তলিপিকার মোহাম্মদ সাবির খেদ্রি। এটির ওজন ৫০০ কেজি।

কোনআর শরিফটি নির্মানে ব্যায় করা হয়েছে অর্ধমিলিয়ন ডলার। কাপড় ও কাগজ দিয়ে তৈরি ২১৮ টি পৃষ্ঠার এই ধর্মীয় গ্রন্থটির আকার দৈর্ঘ্যে ৯০ ইঞ্চি বা ২ দশমিক ২৮ মিটার এবং প্রস্থে ৬১ ইঞ্চি বা ১ দশমিক ৫৫ মিটার।

পৃষ্ঠার প্রান্তগুলো চামড়া দিয়ে কারুকার্যমন্ডিত যা তৈরি করতে ২১ টি ছাগলের চামড়া ব্যবহার করা হয়েছে।

কাবুল কালচারাল সেন্টার জানিয়েছে, এই কোরআনটিকে পৃথিবীর বৃহত্তম বলে ঘোষণা দিয়েছে আফগানিস্তানের হজ্ব ও ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। কোরআন শরীফটি এখন ওই কালচারাল সেন্টারেই রয়েছে। এর আগে পৃথিবীর বৃহত্তম কোরআন শরীফ তৈরির কৃতিত্বের দাবিদার ছিল রাশিয়া।

গত বছর উন্মোচিত দেশটির তাতারস্তান অঞ্চলে নির্মিত ওই কোরআন শরীফটির পৃষ্ঠাগুলোর আয়তন ছিল দৈর্ঘ্যে ২ মিটার ও প্রস্থে ১ দশমিক ৫ মিটার। বৃহত্তম কোরআন শরীফ তৈরির প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে মূল হস্তলিপিকার মোহাম্মদ সাবির খেদ্রির সহযোগী হিসেবে ৯ জন ছাত্রও কাজ করেছেন। সোনালী লিপিগুলোকে ফুটিয়ে তুলতে বিশালাকার পৃষ্ঠাগুলোর চারধারে প্রতিকী কারুকাজ হিসেবে ছোট ছোট লাখ লাখ রঙিন বিন্দু ব্যবহার করেছেন তারা। এত পরিশ্রমের পরও যদি অন্য কেউ এর চেয়ে বড় কোরআন শরীফ নির্মাণ করেন তা নিয়ে খেদ থাকবেনা খেদ্রির।

বিশ্বের বৃহত্তম কোরআন নির্মাতা বলেছেন, “অন্য কেউ যদি এর চেয়ে বড় কোরআন নির্মাণ করে তবে আমি খুশি হব, এর ফলে ইসলাম রক্ষা পাবে।”

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ