বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোরআন
বৃহস্পতিবার, ১৬ আগষ্ট, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্বনাথে জাতীয় শোক দিবস পালিত  » «   যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালিত  » «   লালাবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্বনাথের পিকআপ চালক ও হেলপার নিহত  » «   ঘাতক নূরের রায় কার্যকর না হওয়ায় আমরা সিলেটবাসী লজ্জিত -শফিক চৌধুরী  » «   বিশ্বনাথে রামপাশা-বৈরাগী-সিংগেরকাছ বাজার সড়কের বেহাল দশা : জনদূর্ভোগ  » «   বিশ্বনাথে জাতীয় শোক দিবসে পুষ্পস্তবক অর্পন ও র‌্যালী  » «   শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ  » «   বিশ্বনাথে রাস্তায় গেইট নির্মাণ নিয়ে দু’পক্ষের বিরোধ  » «   বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণে প্রশাসনিক অনুমোদন  » «   শিক্ষা প্রতিষ্টানে মাদক বিরোধী কমিটির আলোচনা সভা  » «   বিশ্বনাথে উপজেলা আইন-শৃংখলা কমিটির সভা  » «   বিশ্বনাথে ব্রাক এর ‘উপজেলা মাইগ্রেশন ফোরাম মিটিং’ অনুষ্ঠিত  » «   দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে আ’লীগের বিকল্প নেই -শফিক চৌধুরী  » «   পবিত্র হজ্ব পালন করতে স্বপরিবারে সৌদি আরব গেলেন মিছবাহ উদ্দিন  » «   বিশ্বনাথে উদ্ধারকৃত ২২টি গরু সনাক্ত করতে থানায় জনতার ভিড়  » «  

বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোরআন

quranপৃথিবীর বৃহত্তম কোরআন শরীফ তৈরি করেছেন আফগানিস্তানের হস্তলিপিকার মোহাম্মদ সাবির খেদ্রি। এটির ওজন ৫০০ কেজি।

কোনআর শরিফটি নির্মানে ব্যায় করা হয়েছে অর্ধমিলিয়ন ডলার। কাপড় ও কাগজ দিয়ে তৈরি ২১৮ টি পৃষ্ঠার এই ধর্মীয় গ্রন্থটির আকার দৈর্ঘ্যে ৯০ ইঞ্চি বা ২ দশমিক ২৮ মিটার এবং প্রস্থে ৬১ ইঞ্চি বা ১ দশমিক ৫৫ মিটার।

পৃষ্ঠার প্রান্তগুলো চামড়া দিয়ে কারুকার্যমন্ডিত যা তৈরি করতে ২১ টি ছাগলের চামড়া ব্যবহার করা হয়েছে।

কাবুল কালচারাল সেন্টার জানিয়েছে, এই কোরআনটিকে পৃথিবীর বৃহত্তম বলে ঘোষণা দিয়েছে আফগানিস্তানের হজ্ব ও ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। কোরআন শরীফটি এখন ওই কালচারাল সেন্টারেই রয়েছে। এর আগে পৃথিবীর বৃহত্তম কোরআন শরীফ তৈরির কৃতিত্বের দাবিদার ছিল রাশিয়া।

গত বছর উন্মোচিত দেশটির তাতারস্তান অঞ্চলে নির্মিত ওই কোরআন শরীফটির পৃষ্ঠাগুলোর আয়তন ছিল দৈর্ঘ্যে ২ মিটার ও প্রস্থে ১ দশমিক ৫ মিটার। বৃহত্তম কোরআন শরীফ তৈরির প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে মূল হস্তলিপিকার মোহাম্মদ সাবির খেদ্রির সহযোগী হিসেবে ৯ জন ছাত্রও কাজ করেছেন। সোনালী লিপিগুলোকে ফুটিয়ে তুলতে বিশালাকার পৃষ্ঠাগুলোর চারধারে প্রতিকী কারুকাজ হিসেবে ছোট ছোট লাখ লাখ রঙিন বিন্দু ব্যবহার করেছেন তারা। এত পরিশ্রমের পরও যদি অন্য কেউ এর চেয়ে বড় কোরআন শরীফ নির্মাণ করেন তা নিয়ে খেদ থাকবেনা খেদ্রির।

বিশ্বের বৃহত্তম কোরআন নির্মাতা বলেছেন, “অন্য কেউ যদি এর চেয়ে বড় কোরআন নির্মাণ করে তবে আমি খুশি হব, এর ফলে ইসলাম রক্ষা পাবে।”

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ