বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বনাথের লামাকাজী ও খাজাঞ্চী ইউনিয়নে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ  » «   রংপুরের পল্লীনিবাসে​ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় এরশাদের দাফন সম্পন্ন  » «   টিকটক করতে সুরমা নদীতে ঝাঁপ দেয়া সেই তরুণের লাশ বিশ্বনাথ থেকে উদ্ধার  » «   বিশ্বনাথে মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসা জামে মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন  » «   বিশ্বনাথে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন উপজেলা চেয়ারম‌্যান  » «   বিশ্বনাথে আশুগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজ’র গভর্ণিং বডি’র নির্বাচন সম্পন্ন  » «   বিশ্বনাথে আশুগঞ্জ আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজের গর্ভনিং বডির নির্বাচনে ভোটগ্রহন চলছে  » «   ক্রিকেটের জনক ইংল্যান্ডের প্রথম বিশ্বকাপ জয়  » «   বিশ্বনাথের রাজাগঞ্জ বাজারে ব্যাংক এশিয়ার এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের উদ্বোধন  » «   বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর সড়ক সংস্কারের আশ্বাস দেওয়ায় বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত প্রত‌্যাহার  » «   হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ আর নেই  » «   বিশ্বনাথে বন‌্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে উপজেলা চেয়ারম্যান-ইউএনও  » «   বিশ্বনাথে বন‌্যার পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত : ব‌্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশংকা  » «   বিশ্বনাথে গরু চোর আটকে এলাকায় স্বস্তি  » «   বিশ্বনাথ-জগন্নাথপুর সড়কে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত  » «  

ভেসে যাওয়া মেয়েকে ১০ বছর পর ফিরে পেলেন মা

60705_int-1২০০৪ সালে সুনামি হয়েছিল ইন্দোনেশিয়ায়। তখন ছোট মেয়ে রাউদাতুল জান্নাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল তার পরিবারের কাছ থেকে। বাবা-মা ভেবেছিলেন তাদের আদরের মেয়েটি বোধহয় পানিতে ডুবে মারাই গেছে। কিন্তু দীর্ঘ ১০ বছর পর মেয়ে ফিরে এসেছে তার আপনজনদের কাছে।
তখন রাউদাতুল জান্নাহর বয়স মাত্র চার। তারা থাকতেন ইন্দোনেশিয়ার আচেহ এলাকায়। ২০০৪ সালে সুনামি আঘাত হানে ওই অঞ্চলে। পরিবারটি তখন একটি কাঠের গুঁড়ি ধরে ভাসছিল। একসময় কাঠের গুঁড়ি থেকে হাত ফসকে যায় দুই শিশুর। জান্নাহ ও তার ভাই ভেসে যায় সুনামির জলে।
এরপর দীর্ঘ দিন ধরে ছেলেমেয়ে দু’জনকে খুঁজে বেরান তাদের বাবা-মা। কিন্তু তাদের দেখা মেলেনি। সবাই ধরেই নিয়েছিলেন হয়ত তাদের মৃত্যু হয়েছে। তারা খোঁজাখুঁজি ছেড়ে দেন।
গত জুন মাসে জান্নাহর মামা পাশের জেলায় নিজের ভাগ্নির মতো একজনকে দেখে অবাক হয়ে যান। এক নারী তাকে দেখভাল করছে। পরে অনুসন্ধান করে জানতে পারেন, ওই মেয়ে আচেহ প্রদেশের বাসিন্দা। সুনামির সময় জেলেরা তাকে তার মায়ের সাথে উদ্ধার করেছিল। এরপর তিনি জান্নাহর মা জামালিয়াহকে সেখানে নিয়ে যান। মেয়েকে দেখেই চিনতে পারেন মা। জড়িয়ে ধরে বলেন,‘হ্যাঁ, এটাই তো আমার মেয়ে। কত দিন ধরে খুঁজছি।’ কিন্তু বললেই তো আর হবে না। তার জন্য চাই বাস্তবসম্মত প্রমাণ। তাই মা ও মেয়ের ডিএনএ টেস্টের প্রস্তুতি চলছে। এ দিকে মেয়ে জান্নাহকে খুঁজে পাওয়ার পর নতুন করে ছেলের অনুসন্ধান শুরু করেছেন তারা।

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ