বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বনাথে ইয়াবা ব‌্যবসায়ী আটক  » «   বিশ্বনাথে ভ্রাম‌্যমান আদালতের অভিযান : ১০ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা  » «   বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা ও ইফতার মাহফিল  » «   বিশ্বনাথে সংবাদ সম্মেলন : বিদ্যালয়ে ‘নৈশ প্রহরী’ নিয়োগ নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ  » «   শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বেই দেশ হয়েছে ক্ষুধা-দারিদ্র, জঙ্গি-সন্ত্রাসবাদ ও মাদকমুক্ত : শফিক চৌধুরী  » «   বিশ্বনাথে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে প্রাণনাশের হুমকি : আদালতে মামলা  » «   ঐতিহ্যবাহী বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের কর্মকান্ড সর্বমহলে প্রসংশিত -শফিক চৌধুরী  » «   বিশ্বনাথে ইসমাঈল আলী এন্ড আত্তর আলী ফ্যামেলী ট্রাষ্ট’র খাদ্য সামগ্রী বিতরণ  » «   শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকলে দেশবাসী উন্নয়ন পাবেন -শফিক চৌধুরী  » «   ভূমধ্যসাগরে মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফেরা বিশ্বনাথের মাছুম এখন তিউনিসিয়ায়  » «   আ ন ম শফিকুল হকের শয্যাপাশে সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিত  » «   বিশ্বনাথের ব্যারিষ্টার নাজির লন্ডনে নিউহ্যামের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে পুনঃনির্বাচিত  » «   বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল আগামীকাল সোমবার  » «   বিশ্বনাথের নুরুল যুক্তরাজ্যে ৩য় বারের মতো কাউন্সিলর নির্বাচিত  » «   শিরোপা জেতে ক্রিকেটে বাংলাদেশের নয়া ইতিহাস  » «  

ভেসে যাওয়া মেয়েকে ১০ বছর পর ফিরে পেলেন মা

60705_int-1২০০৪ সালে সুনামি হয়েছিল ইন্দোনেশিয়ায়। তখন ছোট মেয়ে রাউদাতুল জান্নাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল তার পরিবারের কাছ থেকে। বাবা-মা ভেবেছিলেন তাদের আদরের মেয়েটি বোধহয় পানিতে ডুবে মারাই গেছে। কিন্তু দীর্ঘ ১০ বছর পর মেয়ে ফিরে এসেছে তার আপনজনদের কাছে।
তখন রাউদাতুল জান্নাহর বয়স মাত্র চার। তারা থাকতেন ইন্দোনেশিয়ার আচেহ এলাকায়। ২০০৪ সালে সুনামি আঘাত হানে ওই অঞ্চলে। পরিবারটি তখন একটি কাঠের গুঁড়ি ধরে ভাসছিল। একসময় কাঠের গুঁড়ি থেকে হাত ফসকে যায় দুই শিশুর। জান্নাহ ও তার ভাই ভেসে যায় সুনামির জলে।
এরপর দীর্ঘ দিন ধরে ছেলেমেয়ে দু’জনকে খুঁজে বেরান তাদের বাবা-মা। কিন্তু তাদের দেখা মেলেনি। সবাই ধরেই নিয়েছিলেন হয়ত তাদের মৃত্যু হয়েছে। তারা খোঁজাখুঁজি ছেড়ে দেন।
গত জুন মাসে জান্নাহর মামা পাশের জেলায় নিজের ভাগ্নির মতো একজনকে দেখে অবাক হয়ে যান। এক নারী তাকে দেখভাল করছে। পরে অনুসন্ধান করে জানতে পারেন, ওই মেয়ে আচেহ প্রদেশের বাসিন্দা। সুনামির সময় জেলেরা তাকে তার মায়ের সাথে উদ্ধার করেছিল। এরপর তিনি জান্নাহর মা জামালিয়াহকে সেখানে নিয়ে যান। মেয়েকে দেখেই চিনতে পারেন মা। জড়িয়ে ধরে বলেন,‘হ্যাঁ, এটাই তো আমার মেয়ে। কত দিন ধরে খুঁজছি।’ কিন্তু বললেই তো আর হবে না। তার জন্য চাই বাস্তবসম্মত প্রমাণ। তাই মা ও মেয়ের ডিএনএ টেস্টের প্রস্তুতি চলছে। এ দিকে মেয়ে জান্নাহকে খুঁজে পাওয়ার পর নতুন করে ছেলের অনুসন্ধান শুরু করেছেন তারা।

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ