শনিবার, ২৩ জুন, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বনাথে ‘দশঘর ইউনিয়ন প্রগতি ট্রাস্ট ইউকে’র বৃত্তি বিতরণ  » «   বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নে আওয়ামীলীগের ভুমিকা  » «   বিশ্বনাথ থেকে ডাকাতি মামলার আসামী গ্রেফতার  » «   বিশ্বনাথের যুক্তরাজ‌্য প্রবাসী আলহাজ্ব টুনু মিয়ার ইন্তেকাল : দাফন সম্পন্ন  » «   বিশ্বনাথে নিহত জামায়াত কর্মী গোলাম রব্বানীর পিতা নিজাম গ্রেফতার  » «   বিশ্বনাথে হা-ডু-ডু টুর্নামেন্ট সম্পন্ন : সোনার বাংলা চ্যাম্পিয়ন  » «   ওসমানীনগরে বন্যাদূর্গত এলাকা পরিদর্শনে ইলিয়াসপত্নী লুনা  » «   ওসমানীনগরে বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে এমপি ইয়াহ্‌ইয়া চৌধুরী  » «   বালাগঞ্জে ৪০ হাজার লোক পানিবন্দী : ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা  » «   বিশ্বনাথে ‘ভাগনা’ খ‌্যাত কয়েছ গ্রেফতার : থানার সম্মুখে বাদির ওপর হামলা  » «   ছাতকের সাংবাদিক চান মিয়া’র ইন্তেকাল : বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের শোক  » «   বিশ্বনাথে নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করলেন শফিক চৌধুরী  » «   বিশ্বনাথে নেতাকর্মীর সঙ্গে ইলিয়াসপত্নী লুনার মতবিনিময়  » «   বিশ্বনাথে নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন এমপি ইয়াহ্‌ইয়া চৌধুরী  » «   দেশ-জাতি ও দলের জন্য ব্যক্তিস্বার্থ ত্যাগ করতে হবে -শফিক চৌধুরী  » «  

ভেসে যাওয়া মেয়েকে ১০ বছর পর ফিরে পেলেন মা

60705_int-1২০০৪ সালে সুনামি হয়েছিল ইন্দোনেশিয়ায়। তখন ছোট মেয়ে রাউদাতুল জান্নাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল তার পরিবারের কাছ থেকে। বাবা-মা ভেবেছিলেন তাদের আদরের মেয়েটি বোধহয় পানিতে ডুবে মারাই গেছে। কিন্তু দীর্ঘ ১০ বছর পর মেয়ে ফিরে এসেছে তার আপনজনদের কাছে।
তখন রাউদাতুল জান্নাহর বয়স মাত্র চার। তারা থাকতেন ইন্দোনেশিয়ার আচেহ এলাকায়। ২০০৪ সালে সুনামি আঘাত হানে ওই অঞ্চলে। পরিবারটি তখন একটি কাঠের গুঁড়ি ধরে ভাসছিল। একসময় কাঠের গুঁড়ি থেকে হাত ফসকে যায় দুই শিশুর। জান্নাহ ও তার ভাই ভেসে যায় সুনামির জলে।
এরপর দীর্ঘ দিন ধরে ছেলেমেয়ে দু’জনকে খুঁজে বেরান তাদের বাবা-মা। কিন্তু তাদের দেখা মেলেনি। সবাই ধরেই নিয়েছিলেন হয়ত তাদের মৃত্যু হয়েছে। তারা খোঁজাখুঁজি ছেড়ে দেন।
গত জুন মাসে জান্নাহর মামা পাশের জেলায় নিজের ভাগ্নির মতো একজনকে দেখে অবাক হয়ে যান। এক নারী তাকে দেখভাল করছে। পরে অনুসন্ধান করে জানতে পারেন, ওই মেয়ে আচেহ প্রদেশের বাসিন্দা। সুনামির সময় জেলেরা তাকে তার মায়ের সাথে উদ্ধার করেছিল। এরপর তিনি জান্নাহর মা জামালিয়াহকে সেখানে নিয়ে যান। মেয়েকে দেখেই চিনতে পারেন মা। জড়িয়ে ধরে বলেন,‘হ্যাঁ, এটাই তো আমার মেয়ে। কত দিন ধরে খুঁজছি।’ কিন্তু বললেই তো আর হবে না। তার জন্য চাই বাস্তবসম্মত প্রমাণ। তাই মা ও মেয়ের ডিএনএ টেস্টের প্রস্তুতি চলছে। এ দিকে মেয়ে জান্নাহকে খুঁজে পাওয়ার পর নতুন করে ছেলের অনুসন্ধান শুরু করেছেন তারা।

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ