মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বনাথে ‘ভূয়া নাগরিক সনদে’ নিয়োগকৃত শিক্ষকদের বাতিলের দাবীতে মন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান  » «   বিশ্বনাথে বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শনে ইউএনও  » «   বিশ্বনাথে শিশু কন‌্যাকে অপহরণকালে জনতার হাতে আটক ১  » «   বিশ্বনাথে অজ্ঞাতনামা নারী হত্যা মামলা পুনঃতদন্তের জন্য ওসি’কে আদালতের নির্দেশ  » «   বিশ্বনাথে রামপাশা ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন  » «   স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত যমজ দুই ভাই মাফী ও শাফী  » «   আলোকিত দেশ গঠনে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই – প্রতিমন্ত্রী মান্নান  » «   বিশ্বনাথে ট্রাক ড্রাইভারকে মারধর করার অভিযোগ : এমপির বিরুদ্ধে মিছিল-পাল্টা মিছিল  » «   বিশ্বনাথে প্রবাসীর উদ্যোগে হুইল চেয়ার ও সেফটি জ্যাকেট বিতরণ  » «   বিশ্বনাথে বিএনপি নেতা আব্দুল হাই গ্রেফতার  » «   বিশ্বনাথে পূজা মন্ডপে এমপি ইয়াহইয়া চৌধুরী সংবর্ধিত ও বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন  » «   পিস্তল’সহ বিশ্বনাথের যুবক গ্রেফতার  » «   বিশ্বনাথ ডেফোডিল এসোসিয়েশনের যুগপূর্তি অনুষ্ঠান সম্পন্ন  » «   শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখতে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর হস্তক্ষেপ কামনা করলেন মিরগাঁও গ্রামবাসী  » «   বিশ্বনাথের রামপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন  » «  

ভেসে যাওয়া মেয়েকে ১০ বছর পর ফিরে পেলেন মা

60705_int-1২০০৪ সালে সুনামি হয়েছিল ইন্দোনেশিয়ায়। তখন ছোট মেয়ে রাউদাতুল জান্নাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল তার পরিবারের কাছ থেকে। বাবা-মা ভেবেছিলেন তাদের আদরের মেয়েটি বোধহয় পানিতে ডুবে মারাই গেছে। কিন্তু দীর্ঘ ১০ বছর পর মেয়ে ফিরে এসেছে তার আপনজনদের কাছে।
তখন রাউদাতুল জান্নাহর বয়স মাত্র চার। তারা থাকতেন ইন্দোনেশিয়ার আচেহ এলাকায়। ২০০৪ সালে সুনামি আঘাত হানে ওই অঞ্চলে। পরিবারটি তখন একটি কাঠের গুঁড়ি ধরে ভাসছিল। একসময় কাঠের গুঁড়ি থেকে হাত ফসকে যায় দুই শিশুর। জান্নাহ ও তার ভাই ভেসে যায় সুনামির জলে।
এরপর দীর্ঘ দিন ধরে ছেলেমেয়ে দু’জনকে খুঁজে বেরান তাদের বাবা-মা। কিন্তু তাদের দেখা মেলেনি। সবাই ধরেই নিয়েছিলেন হয়ত তাদের মৃত্যু হয়েছে। তারা খোঁজাখুঁজি ছেড়ে দেন।
গত জুন মাসে জান্নাহর মামা পাশের জেলায় নিজের ভাগ্নির মতো একজনকে দেখে অবাক হয়ে যান। এক নারী তাকে দেখভাল করছে। পরে অনুসন্ধান করে জানতে পারেন, ওই মেয়ে আচেহ প্রদেশের বাসিন্দা। সুনামির সময় জেলেরা তাকে তার মায়ের সাথে উদ্ধার করেছিল। এরপর তিনি জান্নাহর মা জামালিয়াহকে সেখানে নিয়ে যান। মেয়েকে দেখেই চিনতে পারেন মা। জড়িয়ে ধরে বলেন,‘হ্যাঁ, এটাই তো আমার মেয়ে। কত দিন ধরে খুঁজছি।’ কিন্তু বললেই তো আর হবে না। তার জন্য চাই বাস্তবসম্মত প্রমাণ। তাই মা ও মেয়ের ডিএনএ টেস্টের প্রস্তুতি চলছে। এ দিকে মেয়ে জান্নাহকে খুঁজে পাওয়ার পর নতুন করে ছেলের অনুসন্ধান শুরু করেছেন তারা।

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ