ভেসে যাওয়া মেয়েকে ১০ বছর পর ফিরে পেলেন মা
বৃহস্পতিবার, ১৬ আগষ্ট, ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
সর্বশেষ সংবাদ
যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্বনাথে জাতীয় শোক দিবস পালিত  » «   যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালিত  » «   লালাবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্বনাথের পিকআপ চালক ও হেলপার নিহত  » «   ঘাতক নূরের রায় কার্যকর না হওয়ায় আমরা সিলেটবাসী লজ্জিত -শফিক চৌধুরী  » «   বিশ্বনাথে রামপাশা-বৈরাগী-সিংগেরকাছ বাজার সড়কের বেহাল দশা : জনদূর্ভোগ  » «   বিশ্বনাথে জাতীয় শোক দিবসে পুষ্পস্তবক অর্পন ও র‌্যালী  » «   শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ  » «   বিশ্বনাথে রাস্তায় গেইট নির্মাণ নিয়ে দু’পক্ষের বিরোধ  » «   বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণে প্রশাসনিক অনুমোদন  » «   শিক্ষা প্রতিষ্টানে মাদক বিরোধী কমিটির আলোচনা সভা  » «   বিশ্বনাথে উপজেলা আইন-শৃংখলা কমিটির সভা  » «   বিশ্বনাথে ব্রাক এর ‘উপজেলা মাইগ্রেশন ফোরাম মিটিং’ অনুষ্ঠিত  » «   দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে আ’লীগের বিকল্প নেই -শফিক চৌধুরী  » «   পবিত্র হজ্ব পালন করতে স্বপরিবারে সৌদি আরব গেলেন মিছবাহ উদ্দিন  » «   বিশ্বনাথে উদ্ধারকৃত ২২টি গরু সনাক্ত করতে থানায় জনতার ভিড়  » «  

ভেসে যাওয়া মেয়েকে ১০ বছর পর ফিরে পেলেন মা

60705_int-1২০০৪ সালে সুনামি হয়েছিল ইন্দোনেশিয়ায়। তখন ছোট মেয়ে রাউদাতুল জান্নাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল তার পরিবারের কাছ থেকে। বাবা-মা ভেবেছিলেন তাদের আদরের মেয়েটি বোধহয় পানিতে ডুবে মারাই গেছে। কিন্তু দীর্ঘ ১০ বছর পর মেয়ে ফিরে এসেছে তার আপনজনদের কাছে।
তখন রাউদাতুল জান্নাহর বয়স মাত্র চার। তারা থাকতেন ইন্দোনেশিয়ার আচেহ এলাকায়। ২০০৪ সালে সুনামি আঘাত হানে ওই অঞ্চলে। পরিবারটি তখন একটি কাঠের গুঁড়ি ধরে ভাসছিল। একসময় কাঠের গুঁড়ি থেকে হাত ফসকে যায় দুই শিশুর। জান্নাহ ও তার ভাই ভেসে যায় সুনামির জলে।
এরপর দীর্ঘ দিন ধরে ছেলেমেয়ে দু’জনকে খুঁজে বেরান তাদের বাবা-মা। কিন্তু তাদের দেখা মেলেনি। সবাই ধরেই নিয়েছিলেন হয়ত তাদের মৃত্যু হয়েছে। তারা খোঁজাখুঁজি ছেড়ে দেন।
গত জুন মাসে জান্নাহর মামা পাশের জেলায় নিজের ভাগ্নির মতো একজনকে দেখে অবাক হয়ে যান। এক নারী তাকে দেখভাল করছে। পরে অনুসন্ধান করে জানতে পারেন, ওই মেয়ে আচেহ প্রদেশের বাসিন্দা। সুনামির সময় জেলেরা তাকে তার মায়ের সাথে উদ্ধার করেছিল। এরপর তিনি জান্নাহর মা জামালিয়াহকে সেখানে নিয়ে যান। মেয়েকে দেখেই চিনতে পারেন মা। জড়িয়ে ধরে বলেন,‘হ্যাঁ, এটাই তো আমার মেয়ে। কত দিন ধরে খুঁজছি।’ কিন্তু বললেই তো আর হবে না। তার জন্য চাই বাস্তবসম্মত প্রমাণ। তাই মা ও মেয়ের ডিএনএ টেস্টের প্রস্তুতি চলছে। এ দিকে মেয়ে জান্নাহকে খুঁজে পাওয়ার পর নতুন করে ছেলের অনুসন্ধান শুরু করেছেন তারা।

am-accountancy-services-bbb-1

সর্বশেষ সংবাদ